শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
শাহ নেয়ামতুল্লাহ কলেজে একাদশের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে নিজের বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিধনে চলছে অভিযান : ২ নম্বর ওয়ার্ডে মিলেছে লার্ভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত একটি শোক সংবাদ---------- শিবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীর ইন্তেকাল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন রাজশাহীতে যৌতুক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় ২ কোটি টাকার হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার শিবগঞ্জে কাঠমিস্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি কলেজের ছাদে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু
Printed on: September 25, 2026
May 21, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

গাজার শিশুদের বার্তাবাহী ঘুড়ি পৌঁছাল এভারেস্ট চূড়ায়

Published: May 21, 2026 at 11:47 AM
গাজার শিশুদের বার্তাবাহী ঘুড়ি পৌঁছাল এভারেস্ট চূড়ায়

গাজার শিশুদের লেখা বার্তা ও স্বাক্ষর বহনকারী একটি ঘুড়ি বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছেছে। ফিলিস্তিনি শিশুদের আশা, স্বপ্ন ও কষ্টের গল্প বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন একদল পর্বতারোহী।আজ স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে এভারেস্ট জয় করেন অভিযাত্রী দলটি। অভিযানের নেতৃত্বে থাকা জর্ডানীয়-ফিলিস্তিনি পর্বতারোহী মোস্তফা সালামেহ সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ইতালীয় নির্মাতা ও অভিযাত্রী লিওনার্দো আভেজ্জানোর নেতৃত্বে নেপালি শেরপাদের একটি দল ঘুড়িটি চূড়ায় বহন করে নিয়ে যায়। ঘুড়িটিতে গাজার শিশুদের হাতে লেখা নানা বার্তা ও স্বপ্নের কথা ছিল। অভিযানের মূল উদ্যোক্তা মোস্তফা সালামেহ শারীরিক জটিলতার কারণে শীর্ষে উঠতে পারেননি। তীব্র শীত ও বাম হাতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে তিনি প্রথম শিবিরেই অবস্থান করেন। ৫৬ বছর বয়সী এই পর্বতারোহী গাজার শিশুদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহ এবং তাদের বিষয়ে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এই অভিযান শুরু করেন।


সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় সালামেহ বলেন, ‘গাজার ধ্বংসস্তূপ আর যন্ত্রণার মধ্য থেকেও শিশুদের স্বপ্ন পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছে। এটি শুধু পাহাড়ে ওঠার গল্প নয়, এটি মানবতা ও আশার গল্প।’ তিনি আরও বলেন, ‘এভারেস্টের মৃত্যুঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল জীবন-মৃত্যুর লড়াই। তারপরও শিশুদের স্বপ্ন বহন করে নিয়ে গেছে আমাদের দল।’ সালামেহ নেপালি শেরপা সদস্যদের বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তাদের সাহস, অভিজ্ঞতা ও সহায়তা ছাড়া এই অভিযান সফল হতো না। বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ এই পর্বতশৃঙ্গে অক্সিজেনের মাত্রা অত্যন্ত কম। তারপরও গাজার শিশুদের গল্প বিশ্ববাসীর সামনে পৌঁছে দিতে নিজেদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছেন অভিযাত্রীরা। সালামেহ বলেন, “ফিলিস্তিনিদের কষ্টের তুলনায় এভারেস্টের ঝুঁকি কিছুই নয়। আমি শরণার্থী শিবিরে শিশুর জীবন কেমন, তা জানি। গাজার শিশুদের যন্ত্রণা আমাকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।” তিনি জানান, মিসরে গাজার বাস্তুচ্যুত শিশুদের সঙ্গে দেখা করার অভিজ্ঞতা তাকে এই অভিযানে অনুপ্রাণিত করেছে।