বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৫ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
ভোলাহাট সীমান্তে বিজিবির উদ্যোগে বেকার যুবকদের ইলেকট্রিক্যাল ও হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ শুরু ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাসপাতালে ভর্তি ১২১ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘কমিউনিটি এনগেজমেন্ট সভা’ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, দুই বাড়িতে জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের ছুরিকাঘাতে যুবক খুন, আটক ১ রাত বাড়লেই পায়ে ব্যথা বাড়ে মেনে চলুন ৩ নিয়ম সকালের নাশতায় ঝটপট ডিম-রুটির পিজা বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা বায়ার্নের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে কঠিন শর্ত ওলিসের পাকিস্তানে যাচ্ছে না জিম্বাবুয়ে, বাতিলের পথে ত্রিদেশীয় সিরিজ
Printed on: September 30, 2026
September 30, 2026
বিনোদন
বিনোদন

শোবিজে কাজের পরিবেশ এবং ব্যক্তিত্ব নিয়ে কথা বললেন দীপা খন্দকার

Published: September 30, 2026 at 11:45 AM
শোবিজে কাজের পরিবেশ এবং ব্যক্তিত্ব নিয়ে কথা বললেন দীপা খন্দকার

সম্প্রতি এক পডকাস্টে দীপা খন্দকার কাজের জায়গার অভিজ্ঞতা, সহশিল্পীদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং নিজের কন্যাসন্তানকে দেওয়া সাহসের বার্তা নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান। কাজের অভিজ্ঞতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে দীপা জানান, কর্মজীবনে তিনি কখনো কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হননি। এর পেছনের কারণ হিসেবে তিনি নিজের ব্যক্তিত্ব এবং মনোভাবের কথা উল্লেখ করেন। তার কথায়, 'আমি জানিনা আমি ব্লেসড, নাকি আমি রুড, নাকি আমি স্ট্রং এনাফ। তবে আমি কিন্তু কোনদিন কোন হ্যারাসমেন্টের শিকার হইনি। আমরা এমন সময়ও কাজ করেছি যখন রাত দেড়টা-দুইটা পর্যন্ত শুটিং চলেছে। এখন মাঝে মাঝে ফিল করি যে একটা ইউনিটে হয়তো আমি একাই মেয়ে, আর বাকি সবাই ছেলে। কিন্তু কেউ কখনো আমাকে বাজে চোখে দেখেনি বা আমি ওরকম কিছু অনুভবও করিনি। কাজের পরিবেশে ব্যক্তিত্ব ও আচরণের ভূমিকা সম্পর্কে অভিনেত্রী আরও বলেন, 'আমার মনে হয় মেয়েদের অ্যাটিটিউড বা যেকোনো মানুষের অ্যাটিটিউড খুব ইম্পর্টেন্ট। এপ্রোচটা অনেক বিষয়ের উপর নির্ভর করে। অবশ্য আমি এটা বলছি না যে অনেকে মনে করবেন ‘মেয়েটারই দোষ’ আমি কিন্তু সেটা বোঝাচ্ছি না। অভিনেতা মোশাররফ ভাই একবার আমাকে নিয়ে বলেছিলেন, ‘দীপাকে দেখলে মনে হয় ওকে যদি যেয়ে বলি আই লাভ ইউ, সে মনে হয় স্যান্ডেলটা খুলে মারবে!’ সবাই বোধহয় আমাকে ওরকমই ভাবে যে, একে একটা কথা বলতে গেলে সে মনে হয় পাল্টা দুইটা চড়-থাপ্পড় মেরে বসবে! আমার মনে হয় এই গাটস বা এইটুকু স্ট্রং মনোভাব আসলে যেকোনো মেয়ের থাকা উচিত। পারিবারিক জীবন ও কন্যাসন্তানের লালন-পালন প্রসঙ্গে দীপা খন্দকার জানান, তিনি তার ছোট মেয়েকেও একইরকম মানসিকভাবে শক্ত হওয়ার শিক্ষা দিচ্ছেন। মেয়েকে দেওয়া পরামর্শের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি আমার মেয়েকে সারাক্ষণ একটা কথা বলি— তুমি কাউকে মারবে না, কাউকে বকা দেবে না। এমন কোনো কথা বলবে না যাতে পাল্টা তোমাকে কেউ একটা বাজে কথা বলতে পারে, ওই পরিবেশটা তুমি তৈরি করবে না। কিন্তু কেউ যদি তোমাকে আগে একটা মারে, তবে তুমি তাকে ১০টা মেরে চলে আসবে। ১০টা মারার রাইটস তোমার আছে! অর্থাৎ, কেঁদে কেঁদে আমার কাছে চলে আসার কোনো দরকার নেই।