শিবগঞ্জ
উপজেলায় দীর্ঘদিনের চলমান পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে ধারাল হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুন করার পর স্বামী মফিজুল
হক নিজ শয়নকক্ষের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় রশির ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে
জানা গেছে, গতকাল বিকালে নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের রশিকনগর বাবুপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটলেও জানাজানি হয় সন্ধ্যায়। মফিজুল
হক ওই গ্রামের মৃত
ভুরু মন্ডলের ছেলে। সূত্রগুলি জানায়, ঘটনার সময় বাড়িতে ওই দম্পতি ছাড়া
কেউ ছিল না। বাড়িতে বসবাসকারী দম্পতির প্রবাসী ছেলের বউ শাপলা বেগম
বেড়াতে গেছিলেন। তিনি বিকাল
সাড়ে ৫টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে ডাকাডাকি করে শ্বশুড়-শাশুড়ির ভেতর থেকে বন্ধ করা ঘর থেকে কোন
সাড়া না পেয়ে পেছনের
জানালা দিয়ে ঘরের মেঝেতে শাশুড়িকে রক্তাত্ব অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এসময় তিনি প্রতিবেশীদের ডেকে ঘরের পেছনের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে শ্বশুরকেও সিলিং ফ্যানের হুকের সাথে ঝুলতে দেখেন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশকে খবর দেয়া হলে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, পুলিশ হত্যায় ব্যবহৃত রক্তমাখা হাসুয়াটি ওই ঘর থেকে
উদ্ধার করেছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী
আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীণ বলেও জানান ওসি।