অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস তথা অস্কারের সবচেয়ে আলোচিত বিভাগগুলোর একটি ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’। এতে বিভিন্ন দেশের, ভাষার চলচ্চিত্র অংশ নেয়। বাংলাদেশও থাকে এই দৌড়ে। প্রতি বছরই একটি সিনেমা বাছাই করে পাঠানো হয়। যদিও এখনো পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি সিনেমা প্রাথমিক বাছাইতেও জায়গা করে নিতে পারেনি। এদিকে আসন্ন ৯৯তম অস্কারের জন্য বাংলাদেশি চলচ্চিত্র আহ্বান করা হয়েছে। ‘অস্কার বাংলাদেশ কমিটি’ জানিয়েছে, আগ্রহী প্রযোজক ও পরিচালকরা ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের চলচ্চিত্র জমা দিতে পারবেন। বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্ধারিত অনলাইন ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে। অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের (এএমপিএএস) নিয়ম অনুযায়ী, আবেদন করা চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য ৪০ মিনিটের বেশি হতে হবে। পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্রের পাশাপাশি অ্যানিমেশন ও প্রামাণ্যচিত্রও এ বিভাগের জন্য বিবেচিত হবে। চলচ্চিত্রটির মূল সংলাপ বা ডায়ালগ ট্র্যাকের ৫০ শতাংশের বেশি বাংলাদেশি ভাষায় হতে হবে। একই সঙ্গে চলচ্চিত্রে স্পষ্ট ও নির্ভুল ইংরেজি সাবটাইটেল থাকতে হবে। অস্কারের জন্য বিবেচিত হতে চলচ্চিত্রটি ১ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে বাংলাদেশের কোনো বাণিজ্যিক প্রেক্ষাগৃহে সাধারণ দর্শকের জন্য বাণিজ্যিকভাবে প্রদর্শিত হতে হবে। প্রদর্শন হতে হবে অন্তত টানা সাত দিন। তবে প্রেক্ষাগৃহে বাণিজ্যিক মুক্তির আগে চলচ্চিত্রটি টেলিভিশন, পে-পার-ভিউ, ওটিটি বা স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, ডিভিডি, বিমানে প্রদর্শন কিংবা ইন্টারনেটসহ কোনো অ-প্রেক্ষাগৃহ মাধ্যমে প্রদর্শিত বা প্রচারিত হলে সেটি অস্কারের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবে।
অস্কারের ট্রফি
এ ছাড়া চলচ্চিত্রটির সৃজনশীল নিয়ন্ত্রণ মূলত বাংলাদেশের নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দাদের হাতে থাকতে হবে। আবেদনের সঙ্গে নির্মাতা-প্রযোজকদের যাবতীয় তথ্য নির্ভুলভাবে উপস্থাপন করতে হবে। অন্যথায় বাতিল হবে আবেদন। যাচাই-বাছাই শেষে বাংলাদেশ থেকে একটি চলচ্চিত্র বাছাই করে নেওয়া হবে। সেটা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে ২৭ সেপ্টেম্বর। প্রসঙ্গত, গেল বছর বাংলাদেশ থেকে অস্কারে পাঠানো হয়েছিল লিসা গাজীর সিনেমা ‘বাড়ির নাম শাহানা।