বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৮শে শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৭ সফর ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সেবার মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে করণীয় নির্ধারণে মতবিনিময় জেলা প্রশাসনের রাত ৮টার মধ্যে শপিংমল-মার্কেট বন্ধের সিদ্ধান্ত মল্লিকার দাবি, ‘টম ক্রুজও আমার প্রতি আকৃষ্ট’ আগামীকাল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল গোমস্তাপুরে সার সংকটের প্রতিবাদে কৃষকদের বিক্ষোভ মাদক উদ্ধার ও চোরাচালান প্রতিরোধে রাজশাহী রেঞ্জে সেরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে অতিরিক্ত লোডশেডিং এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের ডিসি অফিস ঘেরাও, স্মারকলিপি প্রদান সহজে ফুলের দেখা মেলে না কাঁঠালিচাঁপার এক সিনেমার সাফল্যেই তিন গুণ বাড়ল শ্রদ্ধার পারিশ্রমিক!
Printed on: August 12, 2026
August 12, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

একই দিনে সূর্যগ্রহণ ও উল্কাবৃষ্টি

Published: August 12, 2026 at 10:13 AM
একই দিনে সূর্যগ্রহণ ও উল্কাবৃষ্টি

২০২৬ সালের ১২ আগস্ট রাতের আকাশে ঘটতে যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সেরা মহাজাগতিক প্রদর্শনী। এ দিন গভীর রাতে আকাশে দেখা মিলবে বিখ্যাত ‘পার্সিড উল্কাপাত’-এর। একই দিনে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ এবং নতুন চাঁদ বা অমাবস্যা থাকার কারণে আলোহীন নিঝুম আকাশে এই উল্কাবৃষ্টি অন্য যেকোনো বছরের চেয়ে অনেক বেশি স্পষ্ট ও মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠবে। চাঁদ না থাকায় রাতের আকাশ থাকবে সম্পূর্ণ অন্ধকার, যা উল্কা দেখার জন্য একেবারে আদর্শ পরিবেশ তৈরি করবে।


প্রতি বছর জুলাই থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে এই উল্কাবৃষ্টি দৃশ্যমান হলেও এ বছর ১২ আগস্ট রাত থেকে ১৩ আগস্টের প্রাক-ভোর পর্যন্ত এর সেরা রূপটি দেখা যাবে। আকাশ পরিষ্কার থাকলে এবং শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে গেলে এই সময়ে ঘণ্টায় প্রায় ১০০টি পর্যন্ত উল্কা ভেসে উঠতে পারে। ১০৯পি/সুইফট-টাটল নামক একটি বিশালাকার ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণা ও পাথরের ধ্বংসাবশেষের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর অতিক্রমের কারণে এই আলোর খেলা তৈরি হয়। প্রায় ১৬ মাইল ব্যাসের এই বিশাল ধূমকেতুর অংশগুলো ঘণ্টায় এক লাখ ৩৩ হাজার মাইলেরও বেশি গতিতে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ঘর্ষণের ফলে জ্বলে ওঠে, যাকে সাধারণ মানুষ ‘তারা খসা’ বলে থাকে।


উত্তর গোলার্ধের বাসিন্দাদের জন্য গ্রীষ্মের রাতে এই দৃশ্য উপভোগ করার দারুণ সুযোগ রয়েছে। রাত ১২টার পর থেকে ভোর ৫টার মধ্যে আলোর দূষণমুক্ত যেকোনো খোলা জায়গায় গিয়ে খালি চোখেই এই উল্কাবৃষ্টি দেখা সম্ভব। যদিও এগুলো উত্তর-পূর্ব আকাশের ‘পারসিয়াস’ নক্ষত্রমণ্ডলের দিক থেকে ছুটে আসে বলে মনে হয়, তবুও পুরো আকাশের যেকোনো প্রান্তেই আলোর ছটা দেখা যেতে পারে। টেলিস্কোপ বা দূরবীন ব্যবহারে দৃষ্টিসীমা নির্দিষ্ট হয়ে যায় বলে খালি চোখে উন্মুক্ত আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকাই এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগের সেরা উপায়।