দিনের খাবারের মধ্যে সকালের নাশতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেউ সকালে উঠে নিয়ম করে সকালের নাশতা করেন। কেউ আবার নাশতা করতে অনেক দেরী করেন। ঘুম থেকে ওঠার ঠিক কতক্ষণ পরে সকালের খাবার খেলে শরীর ভাল থাকে? ‘আনন্দবাজারে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুষ্টিবিদরা বলছেন ঘুম থেকে উঠার কতক্ষণ পর সকালের নাশতা খেতে হবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। কারও খিদে পেলেই তিনি খেতে পারেন। যদি কারও ঘুম থেকে উঠার ঘণ্টাখানেক পরে খেতে ইচ্ছা করে, সেটাও হতে পারে। আবার অনেক সময় ঘুম থেকে উঠে খেতে ইচ্ছা করে না। পেট ভার লাগে। সেক্ষেত্রে জোর করে না খাওয়াই ভালো। ভারতীয় পুষ্টিবিদ অনন্যা ভৌমিকের মতে, সাধারণত ব্যক্তিবিশেষের বিপাকক্রিয়া, হজমপ্রক্রিয়ার উপরে ক্ষুধা লাগার বিষয়টি নির্ভর করে। তবে সকালের নাশতা আর দুপুরের খাবারের মধ্যে যেন অন্তত ঘণ্টাতিনেকের বিরতি থাকে-সেটা খেয়াল করা জরুরি।
সকালের নাশতার নিয়ম
ঘুম থেকে উঠার সাথে সাথেই ক্ষুধা পায় না। সেক্ষেত্রে দিনটা শুরু করতে পারেন এক গ্লাস হালকা গরম পানি দিয়ে। এতে শরীরে আর্দ্রতা বজায় থাকবে। লেবু-মধুর পানি, চিয়া বা তিসি ভেজানো পানি, কিংবা মৌরির পানিও খেতে পারেন। দিনের শুরুতে কয়েকটি ভেজানো বাদাম খেতে পারেন। এর ঘণ্টাখানেক পরে সকালের নাশতা সারতে পারেন। তবে যত বেশি দেরী করে নাশতা খাবেন একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা বাড়বে। পুষ্টিবিদরা বলছেন, সকালের খাবারে যেন কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজের সমন্বয় থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। তবে পরিমাণও খেয়াল রাখতে হবে। তা না হলে দুপুরের খাবারের প্রতি আগ্রহ থাকবে না। সব মিলিয়ে সকালের নাশতা ৮-১১ টার মধ্যে করে ফেলাই ভালো।