বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৫ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: August 20, 2026
August 20, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়কে বড় করবে আরাগচি

Published: August 20, 2026 at 11:32 AM
ট্রাম্পের ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়কে বড় করবে আরাগচি

ইরানকে চাপে ফেলতে সম্প্রতি ইকোনমিক ডি-ডে নামে যে ‘এ যাবৎকালের সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান’-এর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প, তা যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়কে আরও বড় করবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের বিপুল পরিমাণ বকেয়া ঋণ ইস্যুতেও খোঁচা দিয়েছেন সৈয়দ আরাগচি। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় আরাগচি বলেছেন, তথাকথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হলো আসলে আমেরিকার নিজস্ব সংকট অভূতপূর্ব ঋণ ও ক্রমবর্ধমান সুদের খরচ থেকে জনগণের মনোযোগ সরানোর একটি কৌশল। আর ব্যর্থ নীতিগুলো জোরদার করা হলে একদিকে যেমন যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদের পরাজয় আরও বড় হবে, তেমনি অপরদিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতার মাত্রাও বাড়বে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথিত অর্থনৈতিক অভিযান আসলে অর্থনৈতিক সন্ত্রাস এবং এ সন্ত্রাস বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিভিন্ন দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। উল্লেখ্য, বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় ইরানের বিরুদ্ধে ইকোনমিক ডি-ডে নামের অর্থনৈতিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, সামনে ইকোনমিক ডি-ডে অভিযান শুরু হচ্ছে। এটি একটি সর্বাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান হতে চলেছে এবং আমরা চাই, সমস্ত মিত্র-অংশীদাররা যেন ইরান নামের হুমকিকে বিচ্ছিন্ন ও পরাজিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকে। এই উন্মাদরা এখন কোনঠাসা অবস্থায় আছে এবং সামনে আমরা যেসব ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি সেসবের জেরে তাদের বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রকল্প পঙ্গু হয়ে যাবে। ইরান কখনও, কোনো দিন পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না। এ অভিযান চলাকালে কোনো দেশ যদি ইরানকে সহযোগিতা করে, তাহলে সেই দেশকেও কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমি আরও ঘোষণা করছি যে (অভিযান চলাকালে) কোনা দেশ যদি তার অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য, বিমান বন্দর অথবা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যকে ইরানকে কোনো প্রকার সহযোগিতা প্রদান করে, সেক্ষেত্রে সেই দেশকেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি ভুগতে হবে। তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় লাইন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন, ভুয়া কোম্পানি - এই সবকিছু এখন থেকে বন্ধ হতে হবে। গতকাল ট্রাম্প এই পোস্ট করার পর এক্সে তার প্রতিক্রিয়া জানালেন আরাগচি।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি