শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৩ সফর ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: August 08, 2026
August 08, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ট্রাম্প-সমর্থিত এসপ্রিয়েলা

Published: August 08, 2026 at 12:20 PM
কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ট্রাম্প-সমর্থিত এসপ্রিয়েলা

কলম্বিয়ার নতুন ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা শুক্রবার ৭ আগস্ট শপথ গ্রহণ করেছেন। ৪৮ বছর বয়সী এই নেতা জুনের রান-অফ নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। উদ্বোধনী ভাষণে তিনি মাদকপাচারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানোর এবং অর্থনীতিতে আস্থা ফেরাতে মিতব্যয়ী আর্থিক নীতি গ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।নির্বাচনী প্রচারণায় দে লা এসপ্রিয়েলা সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ, রাষ্ট্রীয় ব্যয় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো এবং তেল-গ্যাস খাত পুনরুজ্জীবিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। একসময় আইনজীবী হিসেবে কাজ করা এই নেতা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। ভোটের আগে ট্রাম্প তাকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এর আগে তিনি কোনো নির্বাচিত সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করেননি। শপথ গ্রহণের পর কালির পিচিঞ্চা ব্যাটালিয়ন সামরিক ঘাঁটিতে দেওয়া ভাষণে দে লা এসপ্রিয়েলা বলেন, আমি এসেছি এক জাতির আত্মসমর্পণের মানসিকতা ও হতাশার দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটাতে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের ভাগ্যের সবচেয়ে বড় রূপান্তরের পথে যাত্রা শুরু করতে চাই। এর আগে পার্শ্ববর্তী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে বিশিষ্ট অতিথি ও সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তিনি শপথ নেন। তিনি আরও বলেন, কলম্বিয়ার জনগণকে দৃঢ় বার্তা দিতে চাই। শৃঙ্খলা, কর্তৃত্ব ও স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সময় এসেছে। এবারের নির্বাচনে তিনি বামপন্থী ইভান সেপেদাকে পরাজিত করেন। সেপেদা বর্তমান প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর ঘনিষ্ঠ এবং তার রাজনৈতিক দল থেকেই প্রার্থী হয়েছিলেন। দে লা এসপ্রিয়েলা নিজেকে ‘দ্য টাইগার’ বলে পরিচয় দেন। প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে থাকার সময় তিনি বলেছিলেন, আমি কলম্বিয়ার সব মানুষের প্রেসিডেন্ট হব, যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা অন্য প্রার্থীকে বেছে নিয়েছেন, সবাইকেই। ১৯৯১ সালের সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে তিনি বলেন, সংবিধানের সুরক্ষায়ই কাজ করবেন। তার জয় লাতিন আমেরিকাজুড়ে ডানপন্থী রাজনীতির উত্থানের অংশ। পেরু, আর্জেন্টিনা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া ও পানামায় দুর্বল অর্থনীতি এবং ক্রমবর্ধমান অপরাধ পরিস্থিতির কারণে ভোটাররা দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছেন। এর ফলে কঠোর দমনমূলক নীতির প্রতিশ্রুতি নিয়ে একসময় পিছিয়ে থাকা কট্টর ডানপন্থী প্রার্থীরা এখন জনসমর্থন আদায় করছেন।

সূত্র: রয়টার্স