রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১০ সফর ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
কৃষক বেশে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ধরল নাচোল থানা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৭ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ের হার ৬২ শতাংশ : ওরিয়েন্টেশনে তথ্য প্রকাশ শিবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে জব্দ ভারতীয় শাড়িসহ বিভিন্ন সামগ্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছেই পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি গোমস্তাপুরের সীমান্তে ৭ জনকে রাতের আঁধারে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ সারা দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৪০ ছাড়াল, নতুন ভর্তি ৪৩৯ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৪০০ কোটির ট্রান্সফার ফিতে দিওমান্দের খোঁজে রিয়াল আপত্তি সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান থাকছেন ভলকার তুর্ক
Printed on: July 26, 2026
March 25, 2026
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর

ঈদের ছুটিতেও ৫৪০ মা ও শিশুকে দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য সেবা

Published: March 25, 2026 at 04:53 AM
ঈদের ছুটিতেও ৫৪০ মা ও শিশুকে দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য সেবা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ঈদুল ফিতরের ছুটিতেও জরুরি প্রসূতি সেবা কার্যক্রম চালু রেখেছিল পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। গত ১৭ মার্চ হতে ২৩ মার্চ দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা সেবা কেন্দ্র এবং মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র চালু রাখা হয়।
এ সময়ে জেলায় প্রসব-পূর্ব ১৪৬ জন মাকে সেবা দেয়া হয় এবং স্বাভাবিক প্রসব সেবা দেয়া হয় ৪৮ জনকে। এছাড়া প্রসব পরবর্তী ৮৩ জন, নবজাতকের সেবা ৭৩ জন এবং মা ও শিশু পরিচর্যা সেবা দেয়া হয় ১৯০ জনকে।
এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আগত সেবাগ্রহীতাদের মধ্য থেকে প্রসব-পূর্ব ৩ জনকে সেবা, স্বাভাবিক প্রসব সেবা ৬ জনকে, প্রসব-পরবর্তী সেবা ৭ জনকে, নবজাতকের সেবা ৬ জনকে এবং মা ও শিশু পরিচর্যা সেবা ২২ জনকে দেয়া হয়েছে। এই ৭ দিন ছুটিকালীন জেলায় মোট ৫৪০ জনকে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হয়েছে।
জেলার মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমটি তদারকি করেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক শুকলাল বৈদ্য ও সহকারী পরিচালক (সিসি) ডা. আবু সাঈদ মুহাম্মদ মাসুদ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক শুকলাল বৈদ্য এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে জেলার প্রসূতি মা ও নবজাতকের কথা বিবেচনায় রেখে ঈদুল ফিতরের ছুটির মধ্যেও জেলার সেবা কেন্দ্র এবং মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো চালু রাখা হয়েছে, যাতে সেবাগ্রহীতারা এই সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।