সময় বদলের সঙ্গে ঈদ আয়োজনের ধরনও অনেক বদলে গেছে। তবে ছোটবেলার ঈদের আনন্দ আর এখনকার ঈদের মধ্যে অনেক পার্থক্য দেখেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তার মতে, আগের ঈদ ছিল বেশি আন্তরিক, প্রাণবন্ত এবং আবেগঘন। সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় শৈশবের ঈদের স্মৃতি নিয়ে কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, রোজার ঈদ শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যেত কোরবানির ঈদের অপেক্ষা। ছোটবেলায় ঈদ ছিল বছরের সবচেয়ে আনন্দের সময়।হাসতে হাসতে জয়া বলেন, ‘তখন মনে হতো, প্রতি মাসেই যদি ঈদ হতো!’ শৈশবের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তিনি জানান, কোরবানির ঈদের আগে পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের সঙ্গে দল বেঁধে বিভিন্ন বাড়িতে গরু দেখতে যেতেন তারা। কোথায় কেমন গরু এসেছে, কোনটি বড় বা দেখতে আলাদা—এসব নিয়েই শিশুদের মধ্যে থাকত দারুণ উৎসাহ। জয়ার কথায়, তখন ঈদ শুধু নতুন পোশাক বা খাবারের উৎসব ছিল না, পুরো পরিবেশজুড়েই থাকত আনন্দের আমেজ। আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি যাওয়া, একসঙ্গে খাওয়া আর গল্পে মেতে ওঠাই ছিল ঈদের বড় আনন্দ। বর্তমান সময়ের ঈদ উদযাপন নিয়ে কিছুটা আক্ষেপও প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। তার মতে, এখনকার ঈদ অনেকটাই যান্ত্রিক হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ব্যস্ততা আর নগরজীবনের চাপের কারণে আগের সেই আবেগ আর সরল আনন্দ যেন হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।
জয়া বলেন, ‘ঈদের আসল আনন্দটা আসলে ছোটবেলাতেই ছিল।’