লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে দেশে ফিরেছেন আরও ১৭০ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ১৯ জন অভিবাসী শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। এছাড়া, আগামী ২৪ ও ৩১ মে লিবিয়া থেকে আরও ৩৫০ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছেন। আজ ভোর ৫টায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকায় পৌঁছান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে এ প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং লিবিয়া সরকারের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস, লিবিয়া স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দূতাবাসের পক্ষ থেকে ত্রিপলীর তাজুরা এবং বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টার নিয়মিত পরিদর্শন করে বাংলাদেশি নাগরিকদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হচ্ছে।
পরবর্তীতে দূতাবাস তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে পর্যায়ক্রমে দেশে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং আইওএম-এর সার্বিক সহযোগিতায় ১৭০ জনকে দেশে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া, আগামী ২৪ ও ৩১ মে লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারসমূহ থেকে আরও ৩৫০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে দূতাবাস সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।