চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পদ্মা নদীর চর থেকে নিখোঁজ বাংলাদেশি শওকত আলী নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর ঠুঠাপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। গত ৯ মে থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, সদর উপজেলার জহুরপুরটেক সীমান্ত দিয়ে ভারতে গরু আনতে গিয়ে ফেরার পথে নিখোঁজ হন শওকত। তাঁর সঙ্গে থাকা অন্যরা ফিরে এলেও তিনি আর ফেরেননি। গতকাল বিকেলে পদ্মা নদীর চরে মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তা বাড়িতে নিয়ে যান। পরে পুলিশ গভীর রাতে মরদেহ উদ্ধার করে আজ ভোরে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান জানান, মরদেহে উদ্ধারের পর নৌ পুলিশকে মরদেহটি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
গোদাগাড়ী নৌ পুলিশের উপ-পরিদর্শক(এসআই) শ্রী জীবন জানান, মরদেহে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক চিহ্ন রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে- পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবদেন পেলে মৃত্যুর কারন জানা যাবে।
এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে.কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ওই ব্যাক্তি গরু চোরাচালানে জড়িত ছিল বলে বিজিবি জানতে পেরেছে। তবে তিনি নিখোঁজের পর বিজিবির নিকট পরিবারের সদস্যরা কোন অভিযোগ করে নি।