শনিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২১শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: September 05, 2026
September 05, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

বদলে গেলো বিশ্বের মানচিত্র

Published: September 05, 2026 at 01:43 PM
বদলে গেলো বিশ্বের মানচিত্র

এতে দেখা গেছে, আগের মানচিত্রে আফ্রিকা মহাদেশকে ছোট হিসেবে দেখানো হলেও, এটি এখন বড় হয়ে গেছে। অপরদিকে আকার কমেছে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের।নতুন মানচিত্রের রেজ্যুলেশনে বিশ্বের ১৬৪টি দেশ পক্ষে ভোট দিয়েছে। অপরদিকে বিপক্ষে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আর ছয়টি দেশ ভোটদান থেকে বিরত ছিল। নতুন মানচিত্রটি ‘ইকুয়াল আর্থ কার্টোগ্রাফিক প্রোজেকশন’ নামে পরিচিত হয়েছে। এরমাধ্যমে বিশ্বের দেশগুলোর আকার সঠিকভাবে দেখানো হয়েছে। জাতিসংঘ এখন তাদের সদস্য দেশগুলোকে পুরোনো ‘মারকেটোর প্রোজেকশন’ মানচিত্রের বদলে নতুন মানচিত্রটি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে। মারকেটোর প্রোজেকশন মানচিত্রটি তৈরি করেছিলেন ইউরোপীয় মানচিত্রকার গেরারদুস মারকেটোর। তিনি এটি এঁকেছিলেন ১৫৬৯ সালে। এরপর থেকে এ মানচিত্রটি নৌ চলাচলের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কয়েকশ বছর আগে মারকেটোর আঁকা মানচিত্রে গ্রিনল্যান্ডকে দেখানো হয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার চেয়েও বড়। এ মানচিত্রের দিকে দেখলে মনে হবে গ্রিনল্যান্ড আফ্রিকা মহাদেশের সমান। কিন্তু বাস্তবে গ্রিনল্যান্ড আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর সমান এবং আফ্রিকা মহাদেশ গ্রিনল্যান্ড থেকে ১৪ গুণ বড়। কেউ কেউ মনে করেন, এই মানচিত্রটি ব্যবহার করা হয় ইচ্ছে করে। কারণ এতে ইউরোপকে বড় ও মূল কেন্দ্রে দেখায়। এছাড়া উত্তর আমেরিকার দেশগুলোকেও এখানে বড় দেখানো হয়েছে। মূলত ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব দেখাতে এটি এখনো রাখা হয়েছে। এদিকে নতুন যে মানচিত্রটি গ্রহণ করা হয়েছে সেখানে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় যুক্তরাজ্যের লন্ডনের গ্রিনউইচ। এই গ্রিনউইচ দীর্ঘ সময় ধরে বৈশ্বিক সময়ের মানদণ্ড ও ভৌগলিক রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। গুগলের মতো টেক জায়ান্টরা বর্তমানে মারকেটো মানচিত্র ব্যবহার করে। জাতিসংঘ তাদের নতুন মানচিত্র ব্যবহারের জন্যও আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: সিএনএন