অস্ট্রেলিয়ার টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের স্পিনার মোহাম্মদ রুবেলের ভেলকি চলছেই। প্রথম ৫ ম্যাচে ১৫ উইকেট নেওয়া এই স্পিনার এবার নিলেন ফাইফার। তার স্পিন যাদুতে নর্দাম টেরিটরিকে অল্প রানেই আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ হাই পারফর্মেন্স (এইচপি) টিম। পরে ভালো শুরুর পর শেষে দ্রুত কিছু উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে ইরফান শুক্কুররের দল।
আজ ডারউইনে নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচে নর্দান টেরিটরিকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ এইচপি। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান করে নর্দান। জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯তম ওভারে জয় পায় বাংলাদেশ। নর্দার্ন টেরিটরির ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেওয়া রহস্য স্পিনার রুবেল ৪ ওভারে ২১ রান খরচায় নেন পাঁচ উইকেট।
ছয় ম্যাচে পাঁচ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান মজবুত করে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইরফান শুক্কুরের দল। দুই পয়েন্ট কম নিয়ে দুই নম্বরে আছে ভিক্টোরিয়া সিএ।
তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামা বাংলাদেশ এদিন রান তাড়ায় ওপেনিংয়ে পরিবর্তন আনে। হাবিবুর রহমান সোহানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নামেন আরিফুল ইসলাম। জায়গা বদলে ৬ বলে ১০ রান করেন আরিফুল। পঞ্চম ওভারে ফেরেন আরেক ওপেনার সোহান। তার ব্যাট থেকে আসে ১৮ বলে ২২ রান।
দলীয় ১১০ রানে বিদায় নেন সাব্বির। এর আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩৭ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ৪২ রান। সাব্বিরসহ ৩০ রানের মধ্যে আচমকা ৪ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে এরপর ১৮তম ওভারে এক চার ও ছক্কায় কোনো নাটকীয়তা হতে দেননি সামিউর বাশার রাতুল। ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই জয়ের বন্দরে পৌছায় বাংলাদেশ। এর আগে টস হেরে বোলিং করতে নেমে প্রথম ওভারেই ১৩ রান খরচ করেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। তবে এরপর রুবেল হোসেনের বোলিংয়ের সামনে খেই হারায় নর্দান।
দ্বিতীয় ওভারে তার বল সামনে এগিয়ে ডিফেন্সের চেষ্টায় স্ট্যাম্পিং হন হার্শতিক বিমব্রাল। এক ওভার পর নিজের দ্বিতীয় ওভারে জোড়া শিকার ধরেন রুবেল। জাগা কদুরু ও ডোউতজি হোগেনবোইজেমকে ফিরিয়ে দেন তিনি।
পঞ্চম ওভারে রিলে মার্ককে ফিরিয়ে নর্দানকে আরও চাপে ফেলেন বাঁ-হাতি স্পিনার রকিবুল হাসান। ৩৫ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারায় চলে যাওয়া দলকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন জর্ডান সিল্ক ও ম্যাট হ্যামন্ড। পঞ্চম উইকেটে দুজনে গড়েন ৩৭ বলে ৪৫ রানের জুটি। এই জুটি ভাঙে ৩১ রান করা সিল্ক ফিরলে। ২৩ বলের ইনিংসে হাঁকান ৩টি চার।