খাবার আমাদের শুধু শক্তিই বাড়ায় না,আনন্দও দেয়। কিন্তু খাবারের প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসার কারণে কখনও কখনও আমরা নিজেদের ওজন বাড়ার ঝুঁকিতে ফেলি। এছাড়াও আরও কিছু কারণ ওজন বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
ডায়েট সোডা পানীয় : অনেকেই ডায়েট সোডা পছন্দ করেন। কিন্তু ‘ডায়েট’ শব্দটি থাকলেই যে তা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করবে, এমনটা নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দিনে দুবার এই পানীয়টি পান করেন, তাদের কোমরের মাপ অন্তত ছয় গুণ বেড়ে যেতে পারে।
বেশি বা কম ঘুমানো : আপনি খুব বেশি বা খুব কম ঘুমান? খুব বেশি বা খুব কম ঘুমালে ওজন বেড়ে যেতে পারে। যারা মাত্র পাঁচ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমান, তাদের ওজন বাড়ার ঝুঁকি থাকে, কারণ দিনের জন্য শক্তি পেতে তারা খাবারের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। আর যারা ৮ ঘণ্টার বেশি ঘুমান, তাদের শরীর নিস্তেজ লাগে। কখনও কখনও ব্যায়াম করার জন্য চেয়ার ছেড়েও উঠতে ইচ্ছে করে না।
বেশি খাওয়া : অনেকেই সারাদিন ধরে খাবারকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নেন। অনেকের ধারনা,এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু আসলে এই প্রক্রিয়ায় ওজন বাড়ার ঝুঁকি বাড়ে। আসল ব্যাপার হলো, আমাদের মস্তিষ্ক খাবারের সময় কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট খাওয়ার জন্য তৈরি থাকে,এ কারণে যখনই আপনি খাওয়ার জন্য বিরতি নেন, তখনই এই জিনিসগুলো খাওয়ার আগ্রহ বাড়ে। এর ফলে ক্যালোরি এবং ফ্যাট জমা হতে পারে, যা ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
খাবার এড়িয়ে চলা : অনেকেই তাড়াহুড়োর কারণে বা ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে খাবার এড়িয়ে যান। দুর্ভাগ্যবশত, এই অভ্যাসটি আসলে ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে, বিশেষ করে যখন আপনি সকালের নাশতা বাদ দেন তখন ওজন বাড়ার ঝুঁকি বাড়ে । এর একটি কারণ হলো আপনার বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং ক্ষুধা বেড়ে যায়। এর ফলে পরবর্তী বেলায় বেশি খাওয়ার আকাঙ্খা বাড়ে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ: আপনি যদি প্রায়ই মানসিক চাপে থাকেন, তাহলে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মানসিক চাপে থাকলে আপনার শরীর ইনসুলিন এবং কর্টিসল নিঃসরণ করে, যা আপনার মধ্যে ক্ষুধা জাগিয়ে তুলতে পারে। খাওয়া আপনার মস্তিষ্কে আনন্দের অনুভূতি দেয়, কিন্তু কিছু না খেলে সেই আনন্দ একসময় চলে যায়। সূত্র: হেলদিবিল্ডার্জড