বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: August 26, 2026
August 26, 2026
লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল

সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা

Published: August 26, 2026 at 10:31 AM
সকালে খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা

সকালের খালি পেটে চিয়া সিড খাওয়া বেশ উপকারী। এতে রয়েছে আঁশ, উদ্ভিজ্জ আমিষ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। অনেকেই সকালে খালি পেটে পানির সঙ্গে চিয়া সিড ভিজিয়ে খেয়ে থাকেন। নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি শরীরের নানা উপকারে আসতে পারে।


হজমে সহায়তা করে

চিয়া সিডে প্রচুর পরিমাণে আঁশ রয়েছে। সকালে এটি খেলে অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাতেও আঁশযুক্ত খাবার উপকারী।


দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে

চিয়া সিড পানিতে ভিজলে আকারে ফুলে ওঠে। এর আঁশ ও তরল শোষণের ক্ষমতা দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দিতে পারে। ফলে বারবার খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমাতে সহায়তা করতে পারে।


শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়ক

পানিতে ভিজিয়ে চিয়া সিড খেলে এর সঙ্গে অতিরিক্ত তরলও গ্রহণ করা হয়। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পর্যাপ্ত পানি পান শরীরের স্বাভাবিক পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।


হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

চিয়া সিডে উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ ধরনের স্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে। সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে এটি হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।


রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

চিয়া সিডের আঁশ খাবার হজম ও শর্করা শোষণের গতি ধীর করতে পারে। তবে রক্তে শর্করার সমস্যা থাকলে শুধু চিয়া সিডের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা জরুরি।


পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সহায়ক

চিয়া সিডে আঁশের পাশাপাশি উদ্ভিজ্জ আমিষ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তাই প্রতিদিনের সুষম খাদ্যতালিকায় পরিমিত পরিমাণে এটি রাখা যেতে পারে।


কীভাবে খাবেন

সাধারণত এক থেকে দুই চা-চামচ চিয়া সিড পানিতে ভিজিয়ে কিছুক্ষণ রেখে খাওয়া যায়। পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি। শুকনো চিয়া সিড একসঙ্গে বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক নয়, কারণ এতে গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। তবে সবার শরীরে একইভাবে চিয়া সিডের প্রভাব নাও পড়তে পারে। অতিরিক্ত খেলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অস্বস্তি হতে পারে। তাই অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করে শরীরের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক করা ভালো।