বুধবার ০১ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৭ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৫ মহররম ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
Printed on: July 01, 2026
July 01, 2026
জাতীয়
জাতীয়

আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

Published: July 01, 2026 at 11:01 AM
আজ থেকে ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন

দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সমজাতীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদারে আজ (বুধবার) থেকে ৫০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট পাঁচ হাজার অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোতায়েনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক, আর্থিক ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি, মন্ত্রণালয়ের আনসার শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আরও নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও জনবান্ধব করতে নবগঠিত পাঁচটি উপজেলাসহ দেশের ৫০০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রতিটিতে ১০ জন করে অঙ্গীভূত আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। যেসব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগে থেকেই আনসার সদস্য কর্মরত রয়েছেন, সেসব প্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান সদস্যদের সমন্বয় করে প্রতিটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মোট ১০ জন আনসার সদস্য নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালককে আজ থেকেই এ মোতায়েন কার্যকর করার পাশাপাশি বাস্তবায়ন শেষে প্রতিবেদন পাঠাতে বলেছে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পাঁচ হাজার আনসার সদস্যের বেতন-ভাতা বাবদ বছরে ব্যয় হবে ১১৯ কোটি ৩৭ লাখ ৩৮ হাজার ৭৫০ টাকা। এ অর্থ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের পরিবর্তে আনসার ও ভিডিপির নির্ধারিত বাজেট কোডে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য অর্থ বিভাগে ইতোমধ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।


স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সম্মতির ভিত্তিতে আনসার সদস্যদের বেতন-ভাতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মনিরুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের ফলে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। এর মাধ্যমে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি রোগী ও তাদের স্বজনরাও আরও নিরাপদ পরিবেশে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।