এবার গভীর রাতে গোমস্তাপুরের রাধানগর ইউনিয়নের রোকনপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে পূণর্ভবা নদী পথে নৌকাযোগে ১৫ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ। এদিকে গভীর রাতে মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সীমান্তে জড়ো করে বিজিবিকে পুশইন ঠেকাতে সাহায্য করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। গত ১০ দিনের মধ্যে গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের বিএসএফ’র এটি দ্বিতীয় চেষ্টা।
বিজিবি জানায়, গতকাল দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে রোকনপুর বিওপির আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে ৮৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কোটালপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ৫ শিশু, ৮ নারী ও ২ জন পুরুষকে বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা করে। ওই সময় ওই ১৫ জন সীমান্তের শূণ্য লাইন বরাবর ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিল। বিজিবি আরও জানায়, পরে বিজিবির আরও দৃঢ় অবস্থান ও কঠোর তৎপরতার কারণে আজ ভোররাত পৌনে ৩টার দিকে বিএসএফ’র কোটালপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার ভবানীপুর এলাকা দিয়ে ভারতের ভেতরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
আজ সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ওই ১৫ জনকে আর সীমান্তে দেখা যায় নি। ভোরে পৌনে ৫টার দিকে ১৬ বিজিবি নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পুশইন, অবৈধ অনুপ্রবেশ, অবৈধ পারপার প্রতিরোধে বিজিবি সার্বক্ষনিক সতর্ক রয়েছে এবং পেশাদরিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য এর আগে গত ৪ জানুয়ারী গোমস্তাপুরের বাঙ্গাবাড়ী সীমান্ত দিয়ে ২৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। কিন্তু বিজিবির কঠোর প্রতিরোধের মুখে টানা দুদিন সীমান্তে অবস্থানের পর ওই ২৮ জনকে সীমান্ত থেকে ভারতের ভেতরে সরিয়ে নেয় বিজিবি। এর আগে গত ৬ এপ্রিল রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে ২ নারীকে পুশইন করে বিএসএফ। গোমস্তাপুর সীমান্ত থেকে মালদহ নিকটে হওয়ায় এই সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ পুশইনের চেষ্টা করে বলে জানিয়েছেন লে.কর্নেল মাসুম।