শুক্রবার ০৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
শরীর নিয়ে কটাক্ষ, অবশেষে মুখ খুললেন ক্যাটরিনা মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভয়, লজ্জা ও কুসংস্কার দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩৪৯ শিক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করতে হবে: অর্থমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়ার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের শান্তিতে নোবেল পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার নাভি পিল্লাই চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসআরবির অভিযানে বিদেশি পিস্তলসহ গুলি ও ম্যাগাজিন জব্দ পদ্মার খাঁড়িতে গোসলে নেমে নিখোঁজ স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ২৮ ঘণ্টা পর গোমস্তাপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে ৮২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত
Printed on: October 09, 2026
October 09, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

শান্তিতে নোবেল পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার নাভি পিল্লাই

Published: October 09, 2026 at 12:37 PM
শান্তিতে নোবেল পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার নাভি পিল্লাই

শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মানবাধিকারকর্মী ও সাবেক বিচারক নাভি পিল্লাই।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৩টার পর নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।

নোবেল পুরস্কারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করা নেলসন ম্যান্ডেলাসহ অন্যদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পিল্লাইয়ের দীর্ঘ কর্মজীবনের সূচনা হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মামলায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন।

৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাই জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান এবং আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিত্ব। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়র্গেন ওয়াটনে ফ্রিডনেস জানান, শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইন প্রতিষ্ঠায় অবদানের জন্য পিল্লাইকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মোট ২৮৭ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মনোনীত হয়েছিল। মনোনীতদের এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নোবেল কমিটি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক ভ্রাতৃত্বের প্রসার এবং এসব লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক প্রতিষ্ঠানগুলোর নীরব ও ধারাবাহিক অবদানকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে।