ডিজিটাল ও সাইবার স্পেসে অপরাধের দ্রুত পরিবর্তনশীল ধরন মোকাবিলায় পুলিশ সদর দপ্তর, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং বিভাগীয় পর্যায়ে আধুনিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট ও ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. রাশেদ খান, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত অবকাঠামোর আওতায় পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে জেলা পর্যায়েও সাইবার নিরাপত্তা ইউনিট স্থাপন করা হবে। উপজেলা ও থানা পর্যায়ের পুলিশ স্টেশনগুলো জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে স্থাপিত এসব কেন্দ্র থেকে সরাসরি কারিগরি সহায়তা পাবে।
অনলাইন জুয়া ও মাদক নির্মূলে আইনি কাঠামো সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে অপরাধের ধরন পরিবর্তিত হওয়ায় পুরোনো আইনগুলো আধুনিকায়ন করা প্রয়োজন।
তিনি জানান, দেড়শ বছরের পুরোনো গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭ পরিবর্তন করে ডিজিটাল স্পেসে অনলাইন জুয়া, ম্যাচ ফিক্সিং ও সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র মোকাবিলায় ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্বল আইনের সুযোগ নিয়ে যাতে অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে না পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার ও নতুন আইন প্রণয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।