মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: September 08, 2026
September 08, 2026
জাতীয়
জাতীয়

সৌর বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানিতে ৬ মাস কর ছাড়

Published: September 08, 2026 at 11:14 AM
সৌর বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানিতে ৬ মাস কর ছাড়

দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি হ্রাস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস হিসেবে সৌর বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপনের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।  ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২'-এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনঃনির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ চুক্তির খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে অর্থ ও বাণিজ্য সংক্রান্ত এই তিনটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। 


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রাংশ আমদানিতে ৬ মাসের কর ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন (৬ মাস) পর্যন্ত আমদানিকৃত যন্ত্রাংশে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূসক, আগাম কর এবং অগ্রিম আয়কর থেকে পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হবে। এর ফলে দ্রুততম সময়ে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, বিদ্যুৎ ঘাটতি কমে শিল্প উৎপাদন বজায় থাকবে এবং উৎপাদন ব্যয় ও যন্ত্রপাতির ক্ষতি হ্রাস পেয়ে বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


নিম্নস্তরের সিগারেটের নতুন মূল্য নির্ধারণেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অবৈধ বাণিজ্য রোধ এবং রাজস্ব ঘাটতি কমাতে ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনঃনির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকার স্থলে ৬৫ টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ড রোল ব্যবহার বিধিমালা সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন সংশোধনের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে ‘প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন অব ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক চুক্তি সইয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।


১০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে। চুক্তি সইয়ের ৩ বছর পর উভয়পক্ষ তা সংশোধনের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের ষষ্ঠ বৃহত্তম উৎস হংকং। এই চুক্তি পোশাক ও টেক্সটাইলসহ অন্যান্য খাতে নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।