বাটন ফোনের যুগে একটি গভীর রাতের ফোনকল। ওপাশ থেকে তরুণীর কণ্ঠ ‘আপনার অভিনয় আমার ভালো লাগে।’ আর সেই একটি ফোনকলই বদলে দিয়েছিল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর জীবন! ২০০৫ সালে শুরু হয়েছিল চঞ্চল চৌধুরী ও চিকিৎসক শান্তার পরিচয়। তখন অভিনয়ে ধীরে ধীরে পরিচিতি পাচ্ছেন চঞ্চল। হঠাৎ এক রাতে শান্তার ফোন। অভিনয়ের প্রশংসা দিয়ে শুরু হওয়া কথোপকথন গড়ায় সম্পর্কের দিকে। প্রায় এক মাস ফোনে কথা বলার পর আসে জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত।চঞ্চল নিজেই জানান, সামনাসামনি দেখা হওয়ার আগেই ফোনে শান্তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। শান্তাও সম্মতি দেন। এরপর পরিবারের নানা মত ও আপত্তি পেরিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্তেই বিয়ে করেন তারা।
চঞ্চল চৌধুরী ও চিকিৎসক শান্তা ও পুত্র শুদ্ধ
এই বিয়েও ছিল একটু ভিন্ন। প্রথমে আইনি প্রক্রিয়ায় বিয়ে, পরে ধর্মীয় রীতিতে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এরপর কেটে গেছে দুই দশক। ২৭ আগস্ট পূর্ণ হয়েছে তাদের দাম্পত্য জীবনের ২০ বছর। একমাত্র সন্তান শুদ্ধকে নিয়ে তাদের সংসার।২০ বছর পরও স্ত্রীকে নিয়ে আবেগী চঞ্চল। নিজের মতো ‘বাউন্ডুলে’র সঙ্গে এত বছর সংসার করার জন্য স্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, স্ত্রী ও সন্তানের জন্য সবার কাছে চেয়েছেন দোয়া। একটি ফোনকল থেকে শুরু আর আজ ২০ বছরের সংসার! সত্যিই, চঞ্চল-শান্তার প্রেমের গল্প যেন সিনেমাকেও হার মানায়।