বুধবার ২৬ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১১ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: August 26, 2026
August 26, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু: পাকিস্তানের স্বাস্থ্যসচিব বরখাস্ত

Published: August 26, 2026 at 10:25 AM
হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যু: পাকিস্তানের স্বাস্থ্যসচিব বরখাস্ত

হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় পাকিস্তানের ফেডারেল স্বাস্থ্যসচিব আসলাম গৌরিকে সাময়িক বরখাস্ত করে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। দেশটির স্বাস্থ্য খাতের শীর্ষ এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয়। আজ বিবিসি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাজধানী ইসলামাবাদের একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ওই বৈঠকে তিনি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে ‘গভীর ক্ষোভ’ প্রকাশ করেছেন। এরপরই ফেডারেল স্বাস্থ্যসচিব আসলাম গৌরিকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আসলাম গৌরি পাকিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ আমলা। ফেডারেল স্বাস্থ্যসচিব পদটি রাজনৈতিক কোনও পদ নয়। সাধারণত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর অধীনে থেকে এই পদে থাকা কর্মকর্তা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক ও নীতিগত কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থা, জরুরি সাড়া এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব পালনে কোনও ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে।


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়। তবে আসলাম গৌরিকে ঠিক কোন নির্দিষ্ট কারণে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পরবর্তী কোনও প্রশাসনিক বা তদন্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনায় সরকারি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরই প্রধানমন্ত্রীর এই কঠোর পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।