সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২২শে আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২০ মহররম ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: July 06, 2026
May 09, 2026
খেলাধুলা
খেলাধুলা

হামজাদের কোচ হতে বড় অঙ্কের দাবি বিদেশি কোচদের

Published: May 09, 2026 at 10:14 AM
হামজাদের কোচ হতে বড় অঙ্কের দাবি বিদেশি কোচদের

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। তবে এখনো কোনো নাম চূড়ান্ত করতে পারেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) জাতীয় দল কমিটি। প্রাথমিকভাবে বাছাই করা ১১ জন কোচকে নিয়ে চলছে সাক্ষাৎকার ও আলোচনা। বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য কোচদের কাছ থেকে মাসিক বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার চাহিদাও সংগ্রহ করা হয়েছে। বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিতে আগ্রহ দেখিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান কোচ রোজেরিও মিকেল, যিনি নেইমারের গুরু হিসেবেও পরিচিত। বাফুফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা এই ৫৭ বছর বয়সী কোচ মাসিক ২৫ থেকে ৩০ হাজার ডলার বেতন চেয়েছেন। তবে দরকষাকষির সুযোগও রেখেছেন তিনি। এছাড়া তালিকায় রয়েছেন ওয়েলস জাতীয় দলের সাবেক কোচ ক্রিস কোলম্যান এবং হাঙ্গেরি জাতীয় দলের সাবেক কোচ ব্র্যান্ড স্টোর্কের মতো অভিজ্ঞ কোচরাও। বাফুফের টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল হাসান হিল্টন জানিয়েছেন, কোচদের সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া এখনো চলমান। বাফুফে ভবনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘কোচদের কিন্তু এখনো সাক্ষাৎকার চলছে। তিন দিনের যে কথা হয়েছে মনে হয় আরও দুই একটা দিন লাগবে। কারণ একটা কোচের সাক্ষাৎকার হয়তো ৩০, ৪০, ৪৫ মিনিট লাগে। হয়তো একেকদিন দুজন তিন জন করে সাক্ষাৎকার নিচ্ছি। কোচ নিয়োগে এখনো নির্দিষ্ট বাজেট চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি। হিল্টনের ভাষায়, ‘না এটা আমরা এখনো ঠিক করিনি। জাতীয় দল ম্যানেজমেন্ট কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। কাজের অভিজ্ঞতা, তারপর ওনার প্রো-লাইসেন্স, তারপর ন্যাশনাল টিমে কাজ করছে কোথায় কোথায় কাজ করছে এই জিনিসগুলো সামনে রেখেই আগাচ্ছি। বাফুফে জানিয়েছে, নির্বাচিত কোচদের বেতনের চাহিদা একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম। কেউ ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত দাবি করেছেন, আবার কেউ ১৫ হাজার ডলারে কাজ করতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। এই বিষয়ে কামরুল হাসান হিল্টন বলেন, ‘১১জনের কাছে বেতন ও সুযোগ-সুবিধা জানতে চেয়ে মেইল দেওয়া হয়েছিল। তাদের চাওয়াগুলো আমরা জেনেছি। সর্বোচ্চ ৪০ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার মাসিক বেতন দাবী করেছেন কোচরা। পরবর্তী ধাপে আমরা তাদের চাওয়া নিয়ে দেনদরবার করে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাবো। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাসের পর আমার বিশ্বাস জাতীয় দলের জন্য উপযুক্ত একজনকেই বেঁছে নিতে পারবো। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের তালিকায় বেশ কয়েকজন কোচ আছেন, যারা ইউরোপে বিভিন্ন দলকে অতীতে কোচিং করিয়েছেন। এরমধ্যে জার্মানির ব্র্যান্ড স্টোর্ক, ইংল্যান্ডের ক্রিস কোলম্যান, ব্রাজিলের রোজারিও মিকেল অন্যতম। নিয়োগের ক্ষেত্রে আমরা প্রথমে কোচের অভিজ্ঞতা ও মান যাচাই করেছি। এখন এক এক করে কোচদের সঙ্গে আলোচনা করছি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে। বাফুফে এমন একজন কোচ খুঁজছে, যিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি হামজা চৌধুরীর মতো ফুটবলারদের পরিচালনায় দক্ষ। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকাটাও গুরুত্ব পাচ্ছে। নতুন কোচকে দায়িত্ব নিয়েই সামনে অপেক্ষা করছে বড় চ্যালেঞ্জ-দীর্ঘ দুই যুগের শিরোপা খরা কাটিয়ে বাংলাদেশকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জেতানো।