মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৯ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৭ মহররম ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষার লক্ষে মতবিনিময় সভা মাদককে লাল কার্ড দেখালেন হামিদুল্লাহর শিক্ষার্থীরা গোমস্তাপুরে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা, চ্যাম্পিয়ন রাবেয়া বালিকা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফাুরক হোসেনের ইন্তেকাল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও বাজার সংযোগ বিষয়ক আবাসিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত ‘অবসর’ জীবনের শেষ নয়, নতুন শুরু হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, শনাক্ত ১ হাজার ৩৫ মালয়েশিয়ার উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তার জন্য তারেক রহমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বানসালির ছবির সেটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু, ৫০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দাবি অ্যানিমেটেড সিনেমা ‌‘নট অ্যালোন’-এ জুটি বাঁধছেন টিমোথি ও সেলেনা
Printed on: June 23, 2026
June 23, 2026
জাতীয়
জাতীয়

শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

Published: June 23, 2026 at 09:57 AM
শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের চুক্তিতে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৩০৯ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তদন্তকারী সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। এ কারণে ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোহাম্মদ আলমগীর নতুন করে ২০ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে, ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর দুদক শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক, প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক জলিল, উপ-সচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম, প্রকৌশলী মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসেন খান, মো. আব্দুস সালাম এবং সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবাল।


অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে পূর্বের বৈধ দরপত্র বাতিল করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস (সিএনএস) লিমিটেডকে একক উৎসভিত্তিক প্রক্রিয়ায় মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক আলোচনা ছাড়াই চুক্তি সম্পন্ন করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, সিএনএস লিমিটেডকে নির্দিষ্ট অর্থের পরিবর্তে মোট আদায়কৃত টোলের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ (ভ্যাট ও আয়কর ব্যতীত) সার্ভিস চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি ৪৮৯ কোটির বেশি টাকা বিল গ্রহণ করে। অন্যদিকে, ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত একই সেতুর টোল আদায়ে যৌথভাবে এমবিইএল-এটিটি কোম্পানির ব্যয় ছিল মাত্র ১৫ কোটির কিছু বেশি। এছাড়া ২০২২-২০২৫ মেয়াদে ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিন বছরের জন্য ৬৭ কোটি টাকায় চুক্তি পায়, যা পাঁচ বছরের হিসেবে প্রায় ১১২ কোটি টাকা দাঁড়ায়। দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়াই একক উৎসভিত্তিক চুক্তি দেওয়ার কারণে সরকারের প্রায় ৩০৯ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।