গাজা উপত্যকায় ১ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি ইঁদুর ও পরজীবীজনিত ত্বকের রোগে আক্রান্ত হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে এত সংখ্যক মানুষ ত্বকের রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে নথিভুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) এই তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের ফিলিস্তিন বিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিওএ। ইউএনআরডব্লিওএ সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, গাজা উপত্যকায় আরেকটি সংকট তৈরি হয়েছে। ইঁদুর ও পরজীবী সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। ত্বকের এই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে ৮ হাজার মরদেহ, নেই উদ্ধার তৎপরতা!
ইউএনআরডব্লিওএ আরও জানায়, তাদের শত শত চিকিৎসাকর্মী প্রতিদিন প্রায় ৪০০ জন রোগীর চিকিৎসা দিচ্ছেন। তবে, পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ পেলে তারা আরও বেশি মানুষকে সেবা দিতে পারতেন। সংস্থাটি উল্লেখ করে, জানুয়ারি থেকে মে ২০২৬ পর্যন্ত গাজায় ইঁদুর ও পরজীবী সম্পর্কিত ত্বকের সংক্রমণের ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে। ইউএনআরডব্লিওএ বলেছে, গাজায় বড় পরিসরে জরুরি সহায়তা সামগ্রী প্রবেশ করতে দিতে হবে। এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের অক্টোবরে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর থেকে অন্তত ৮৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২,৬০২ জন আহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা সত্ত্বেও গাজায় সমঝোতা অনুযায়ী মানবিক সহায়তা প্রবেশে এখনও বাধা দিয়ে যাচ্ছে দখলদার ইসরায়েল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং ১ লাখ ৭২ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। একই সঙ্গে ১৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন।