বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১২ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: October 28, 2026
October 28, 2026
জাতীয়
জাতীয়

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা

Published: October 28, 2026 at 10:40 AM
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা

রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।  এ উদ্যোগের ফলে ব্যস্ততম সড়কে আইন অমান্যকারী যানবাহন চালকেরা এআই নির্ভর স্বয়ংক্রিয় মামলার আওতায় আসবে। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ৫৫ কিলোমিটার রাস্তায় মুন্সীগঞ্জ জেলায় রয়েছে ৩৫ কিলোমিটার। এ সড়কে অধিকাংশ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বেপরোয়া গতি এবং ওভার টেকিং। 


মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর ২৫ জুন ২০২২ থেকে ২৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত প্রায় ৫৮৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫২ জন নিহত হয়। আহত হয় ৯৫০ জন। 


মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, অধিকাংশ দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং এবং ট্র্যাফিক আইন অমান্য করা।


সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি মুন্সীগঞ্জে উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে এসে সম্প্রতি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ঢাকা - মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আনার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে জাতীয় মহাসড়ক এআই ক্যামেরার পর্যবেক্ষণের আওতায় এসেছে। পর্যায়ক্রমে জেলা ও আঞ্চলিক হাইওয়ে সড়কেও এআই ক্যামেরা স্থাপন করে সার্বক্ষণিক নজরদারির মধ্যে আনা হবে। তিনি বলেন, সড়ক আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


গাজীপুর রিজিয়নের হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারণ বেপরোয়া গতি। এক্সপ্রেসওয়ের সম্পূর্ণ এলাকা এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে এনে দ্রুত গতি নিয়ন্ত্রণ, ওভারটেকিং এবং সড়ক আইন অমান্যকারীদের এআই নির্ভর স্বয়ংক্রিয় মামলার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এআই ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আসলে ওভার স্পিডে গাড়ি চালানো এবং ওভারটেকিং বন্ধ হবে। যানবাহন চালক সচেতন হবে এবং সড়ক আইন মেনে গাড়ি চালাবে। এতে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।


সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মমিনুল ইসলাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনের গতিসীমা নির্ধারণে সাইন মার্কিং করা আছে এবং সড়কের বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। বেপরোয়া গতি, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং, আকস্মিক ইউটার্ন, চালকের অসতর্কতা, সড়ক আইন না মানা এবং ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।