শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের ওমরপুরে পৃথক দুটি গাড়ি থেকে ১৬৪ বস্তা ডিএপি ও পটাশ সার জব্দ করেছে কৃষি বিভাগ। আজ দুপুরে এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সারগুলো আটক করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় জব্দ করা সার শ্যামপুর ইউনিয়ন পরিষদে রেখে সরকারি নির্ধারিত বাজারমূল্যে বিক্রি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া। স্থানীয়রা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাশের জেলা নওগাঁর নিয়ামতপুর থেকে একটি ট্রলি এবং একটি শ্যালোইঞ্জিনচালিত ভুটভুটিতে করে ১৬৪ বস্তা সার শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের সাহাপাড়ায় নেয়া হচ্ছিল। এর মধ্যে ভুটভুটিতে ৪৮ বস্তা ডিএপি সার ছিল। অন্যদিকে, আরেকটি ট্রলিতে ১১০ বস্তা ডিএপি ও ৬ বস্তা পটাশ সার পাওয়া যায়। এসব সারও একই এলাকার তারাপুরের ঠুটাপাড়া গ্রামে নেয়া হচ্ছিল। স্থানীয়রা গাড়ি দুটির চালককে জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার গাবতলী থেকে সারগুলো সাহাপাড়ায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া গাড়ি দুটি আটক করেন। পরে জব্দ করা সার শ্যামপুর ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষণ করা হয়। এর আগেই গাড়ি দুটি চালক ঘটনাস্থল থেকে সরে পড়ে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া জানান, পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি গাড়ি থেকে পাওয়া ১৬৪ বস্তা ডিএপি এবং পটাশ সার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী জব্দ করাহয়। সারগুলো শ্যামপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে সংরক্ষণ করা হয় এবং পরে সরকার নির্ধারিত বাজারমূল্যে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।
এর আগে গত ১৫ অক্টোবর শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কয়লারদিয়াড় বাজারে কীটনাশকের দোকানে অবৈধভাবে ২৭ বস্তা সার মজুত রাখার দায়ে দোকান মালিককে জেল ও জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও শিবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা রুমা। পরে জব্দ করা সারগুলো কৃষকদের মধ্যে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়।