বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৬ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: October 01, 2026
October 01, 2026
জাতীয়
জাতীয়

২ লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

Published: October 01, 2026 at 01:21 PM
২ লাখ ২০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া, ডিএপি ও টিএসপি সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। এসব সার কিনতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা। আজ সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে সার কেনার এসব প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশ থেকে ৩য় লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনা হবে। এতে ব্যয় হবে ১৬২ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার ৩১২ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৪৩৮ দশমিক ১২৫ মার্কিন ডলার।


সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৬ষ্ঠ লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে ২২৮ কোটি ৮৯ লাখ ৮৬ হাজার ১৪০ টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৪৬৩ দশমিক ১৭ মার্কিন ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব-ইউএই থেকে সিএফআর ভিত্তিতে ১ম লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ২৬৯ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৫৪৫ মার্কিন ডলার।


এ ছাড়া মরক্কোর এসএ ওসিপি নিউট্রিক্রপসের সঙ্গে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) জিটুজি চুক্তির আওতায় তিন লটে ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭ম লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানিতে ব্যয় হবে ৪৩৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম পড়বে ৮৭৭ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, ৮ম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানিতে ব্যয় হবে ২৪৭ কোটি ৬৭ লাখ ২১ হাজার ৮৬৫ টাকা। প্রতি টনের দাম পড়বে ৬৬৭ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার।


আর ৯ম লটে আরও ৪০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ৩৩০ কোটি ২২ লাখ ৯৫ হাজার ৮২০ টাকা। এ লটেও প্রতি মেট্রিক টন টিএসপি সারের দাম পড়বে ৬৬৭ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার।


ছয়টি ক্রয় প্রস্তাবে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টন সার কেনা হচ্ছে। এর মধ্যে ইউরিয়া ১ লাখ ১০ হাজার টন, ডিএপি ৪০ হাজার টন এবং টিএসপি ৭০ হাজার টন। কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে এসব সার আমদানি ও ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।