টুর্নামেন্টের শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি প্রোটিয়াদের। ফেভারিট হিসেবে খেলতে এসে প্রথম ম্যাচেই নামিবিয়ার কাছে হেরে যায় তারা। তবে ঘুরে দাঁড়াতে একদমই সময় নেয়নি। বাকিসব ম্যাচ জিতে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নতুনদের নিয়ে গড়া দক্ষিণ আফ্রিকা। উইন্ডহোকে রবিবার রাতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪৮ রানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের করা ২০৫ রানের জবাবে ১৫৭ রানের বেশি যেতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। প্রথম ম্যাচ হারলেও লিগ পর্বের বাকি তিন ম্যাচ ও পরে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও প্রতিপক্ষ দুই দলকে পাত্তা দেয়নি প্রোটিয়ারা। ফাইনালে ২৯ বলে ৫৪ রান করে দলকে জেতানোর নায়ক জর্ডান হারমান। আর সব মিলিয়ে ১৬৬.১৭ স্ট্রাইক রেটে ২২৬ রান করে টুর্নামেন্টের সেরা ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে চোটের কারণে আগের চার ম্যাচে ২২৬ রান করা লুয়ান ডে প্রিটোরিয়াসকে দলে পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে তার অভাব বুঝতে দেননি কনর এস্থেইজেন ও জর্ডান হারমান।
উদ্বোধনী জুটিতে দুজন মিলে ৪৭ বলে যোগ করেন ৮৪ রান। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ২৩ বলে ৩২ রান করে আউট হন এস্থেইজেন। জর্ডানের ২৯ বলের ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ১ ছক্কা। একই ছন্দে এগোতে থাকেন ব্রেভিস (২৩ বলে ৩২), টনি ডি জর্জিরা (১১ বলে ১৭)। শেষ দিকে জর্ডানের বড় ভাই রুবিন হারমান ১৬ বলে ২৭ ও ডুয়ান ইয়ানসেন ১৪ বলে ২৩ রানের ক্যামিও খেলে দলকে দুইশ পার করান। জিম্বাবুয়ের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন ব্র্যাড ইভান্স ও নিউম্যান নিয়ামহুরি।রান তাড়ায় একদমই সুবিধা করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। মাত্র ২৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে ৮১ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে একশর আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে তারা।
তবে শেষ দিকে একার লড়াইয়ে দলকে দেড়শ পার করান ইভান্স। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে পেস বোলিং অলরাউন্ডার এবার দেখা পান ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটির। শেষ পর্যন্ত ৪টি করে চার ও ছক্কায় ৩১ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন অধিনায়ক বিয়র্ন ফরটুইন ও ডুয়ান ইয়ানসেন।