বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৯শে ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: September 03, 2026
September 03, 2026
জাতীয়
জাতীয়

কওমি মাদরাসার জন্য ৬টি শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

Published: September 03, 2026 at 09:43 AM
কওমি মাদরাসার জন্য ৬টি শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর

দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এসব বোর্ডের সনদকে সরকারি-বেসরকারি মাদরাসার দুটি নির্দিষ্ট পদে নিয়োগের যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টিও সংসদকে অবহিত করেছেন তিনি। বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের তৃতীয় দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সব কওমি মাদরাসার সমন্বয়, উন্নয়ন ও পাবলিক পরীক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০০৬ সালে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ‘কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বাংলাদেশ’ নামে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

পরবর্তীতে ‘আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’-এর অধীন কওমি মাদরাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)-এর সমমান প্রদান আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়। আইনের মাধ্যমে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া গওহরডাঙ্গা বাংলাদেশ, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ, আজাদ দ্বীনি এদারায়ে তালীম বাংলাদেশ, তানযীমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়া বাংলাদেশ এবং জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ-এই ছয়টি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


চাকরির সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত ২৩ জুন ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’ সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালায় সহকারী মৌলভী (ক্বারী) ও ইবতেদায়ি ক্বারী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ওই ছয়টি কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সনদকে কাম্য যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে চাকরির জন্য কওমি মাদরাসার দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) ডিগ্রির পাশাপাশি ইলমে কিরাআত অথবা হিফজুল কোরআন সনদধারীদের জন্যও নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।