বৃহস্পতিবার ১৪ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩১শে বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৭ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি
LIVE
Printed on: May 14, 2026
May 14, 2026
খেলাধুলা
খেলাধুলা

টিকেটধারীদের জন্য ভিসা বন্ড বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র?

Published: May 14, 2026 at 09:52 AM
টিকেটধারীদের জন্য ভিসা বন্ড বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র?

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে পর্যটন ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হাজার হাজার ডলারের নিরাপত্তা বন্ড থেকে নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবল ভক্তদের অব্যাহতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্তের ফলে আলজেরিয়া, কেপ ভার্দে, আইভরি কোস্ট, সেনেগাল এবং তিউনিসিয়ার যেসব সমর্থকের কাছে বৈধ টিকিট এবং 'ফিফা পাস' নিবন্ধন রয়েছে, তারা এই সুবিধা পাবেন।  এর আগে অভিবাসন নীতি কঠোর করার অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড দেওয়ার নিয়ম চালু করেছিল ওয়াশিংটন। মার্কিন কনস্যুলার বিষয়ক সহকারী সচিব মোরা নামদার জানিয়েছেন, যারা ১৫ এপ্রিলের মধ্যে টিকিট কিনে ফিফা পাসের আওতায় এসেছেন, তাদের জন্যই এই ছাড় কার্যকর হবে। তবে বন্ডের টাকা থেকে অব্যাহতি পেলেও আইভরি কোস্ট ও সেনেগালের অনেক ভক্তের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে। গত ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে যেসব সমর্থক আগে থেকে ভিসা পাননি, তাদের নতুন করে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এছাড়া হাইতি ও ইরানের মতো দল বিশ্বকাপে জায়গা পেলেও দেশ দুটির নাগরিকদের ওপর পূর্ণাঙ্গ ভিসা নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকায় তাদের সমর্থকরা গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অবশ্য এই কড়াকড়ি খেলোয়াড়, কোচ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না বলে জানানো হয়েছে।


যৌথভাবে আয়োজিত এই বিশ্বকাপের বেশিরভাগ ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে চলায় সেখানে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়ে আগে থেকেই উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে গেম ভেন্যুগুলোতে আইসিই কর্মকর্তাদের উপস্থিতির আশঙ্কায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো সংস্থাগুলো এই ধরপাকড় বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। যদিও মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ আশ্বস্ত করেছে যে বৈধ কাগজপত্র থাকা দর্শকদের ভয়ের কিছু নেই, তবুও অতীতে বৈধ অভিবাসীদের আটকের ঘটনার নজির থাকায় বিদেশি দর্শকদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে।  আগামী ১১ জুন মাঠে গড়াতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের আনন্দ ম্লান হওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অভিবাসন নীতিকেই দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা।