শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
শাহ নেয়ামতুল্লাহ কলেজে একাদশের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে নিজের বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিধনে চলছে অভিযান : ২ নম্বর ওয়ার্ডে মিলেছে লার্ভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত একটি শোক সংবাদ---------- শিবগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীর ইন্তেকাল, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন রাজশাহীতে যৌতুক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় ২ কোটি টাকার হেরোইনসহ যুবক গ্রেপ্তার শিবগঞ্জে কাঠমিস্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে সরকারি কলেজের ছাদে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু
Printed on: September 25, 2026
August 30, 2026
জাতীয়
জাতীয়

আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি ২৭৩ মিলিয়ন ডলার, কমছে অর্থছাড় ইআরডি

Published: August 30, 2026 at 11:46 AM
আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি ২৭৩ মিলিয়ন ডলার, কমছে অর্থছাড় ইআরডি

বাংলাদেশে নতুন যে পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ আসছে, তার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ চলে যাচ্ছে পুরোনো ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ঋণের চেয়ে ২৭৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। রোববার ৩০ আগস্ট অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে বাংলাদেশকে ১৮০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ ছাড় করেছে উন্নয়ন সহযোগীরা। তবে একই সময়ে আগে নেওয়া ঋণের আসল ও সুদ বাবদ বাংলাদেশ পরিশোধ করেছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, ছাড় হওয়া ঋণের বিপরীতে প্রায় আড়াই গুণ অর্থ পরিশোধে চলে গেছে। ইআরডির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত অর্থবছরের (২০২৫-২৬) জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণ ছাড় হয়েছিল ২০৮ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার। সে তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে ঋণ ছাড় কমেছে ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। নতুন ঋণপ্রবাহ থমকে যাওয়া এবং ছাড়ের গতি ধীর হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার নিট প্রবাহে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নতুন অর্থছাড় কমলেও পুরনো ঋণের বোঝার ওপর চাপ কমেনি। গত অর্থবছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছিল ৪৪৬ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে একই সময়ে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ। উল্লেখ্য, আগের নেওয়া বৃহৎ প্রকল্পগুলোর আসল ও সুদের কিস্তি পরিশোধের সময় (গ্রেস পিরিয়ড) শেষ হয়ে আসায় ঋণ পরিশোধের চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিপরীতে নতুন প্রকল্পের অর্থছাড় প্রত্যাশিত হারে না হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সার্বিক অর্থপ্রবাহের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।