রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৫শে শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২৪ সফর ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: August 09, 2026
August 09, 2026
জাতীয়
জাতীয়

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ আগস্ট

Published: August 09, 2026 at 12:18 PM
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ আগস্ট

আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন হবে। এদিন উপজেলার ২৭ নম্বর মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এর মধ্য দিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ইউনিফর্ম দেয়ার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। রবিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ কর্মসূচি শুরুর কথা জানান। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং তাদের জন্য সমান সুযোগের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ তারই অংশ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা শিশুদের শিক্ষার আওতায় আনার পাশাপাশি যারা বিদ্যালয়ে পড়ছে, তাদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার জন্য সরকার বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম দেওয়ার উদ্যোগও এর অংশ। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিমধ্যে নতুন ইউনিফর্মের মডেল নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী মেয়েদের জন্য ফ্রক এবং ছেলেদের জন্য হাফশার্ট ও শর্টস রাখা হয়েছে। শিশুদের বয়স ও দৈনন্দিন বিদ্যালয়জীবনের কথা বিবেচনা করে ইউনিফর্ম তৈরিতে আরাম, ব্যবহারিক সুবিধা এবং একরূপতার বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন ইউনিফর্মের মডেল উপস্থাপন করা হয়। সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তখন জুলাই থেকে এ কার্যক্রম শুরু করার কথা বলা হয়েছিল। সভায় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ নিয়েও আলোচনা হয়। বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে এ কার্যক্রমে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী অনুদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করবে বলে জানানো হয়। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি বিজিএমইএ এক লাখ শিক্ষার্থীর জন্য স্কুলব্যাগ, পোশাক ও জুতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ফলে শুধু ইউনিফর্ম নয়, শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় অন্যান্য উপকরণও ধীরে ধীরে সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ রয়েছে।