অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ১৯তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন

অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ১৯তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন বলিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন তাদের ১৯তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করেছেন। ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল এই জুটি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রায় দুই দশকের দাম্পত্য জীবনে তারা কন্যা আরাধ্যাকে নিয়ে সুখী পরিবার গড়ে তুলেছেন। বিশেষ এই দিনে অভিষেকের পুরোনো এক সাক্ষাৎকারও আলোচনায় এসেছে, যেখানে তিনি তাদের প্রথম দেখা এবং সম্পর্ক শুরুর স্মৃতিচারণ করেন। শুটিংয়ের কাজে সহকারী হিসেবে সুইজারল্যান্ডে থাকার সময় এক বন্ধুর মাধ্যমে প্রথম পরিচয় হয় অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার। এরপর ধীরে ধীরে তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অন্যদিকে, এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া জানান, তার কাছে বিয়ে মানে একে অপরের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস। এই বোঝাপড়ার কারণেই সিদ্ধান্ত নিতে তাদের খুব বেশি সময় লাগেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বছরের পর বছর ধরে বচ্চন পরিবারের ভেতরের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও অভিষেক একাধিকবার জানিয়েছেন, ঐশ্বরিয়া তার বাবা-মায়ের কাছে নিজের মেয়ের মতোই হয়ে উঠেছেন। একটি পুরোনো অনুষ্ঠানে দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে ঐশ্বরিয়া বলেন, তাদের মধ্যেও মতের অমিল হয়, তবে তা স্বাভাবিক। তিনি আরও জানান, ঝগড়ার পর তিনিই আগে এগিয়ে গিয়ে ক্ষমা চান এবং দ্রুত বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে পছন্দ করেন।
মনোনয়নবঞ্চিত কনকচাঁপা, লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’
মনোনয়নবঞ্চিত কনকচাঁপা, লিখলেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ না পেয়ে সংরক্ষিত নারী আসন ঘিরে আশায় ছিলেন শোবিজ অঙ্গনের কয়েকজন পরিচিত মুখ। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে আলোচনায়ও এসেছিলেন তারা। তবে শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন পূরণ হলো না। বিএনপি ইতোমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত তালিকায় শোবিজ অঙ্গনের কোনো শিল্পীর নাম দেখা যায়নি। সংগীতশিল্পী কনকচাঁপাও সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়নপত্র তুলেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি মনোনয়ন পাননি। মনোনয়নবঞ্চিত হওয়ার পর সোমবার দুপুরে নিজের ফেসবুকে সংক্ষিপ্ত এক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। এরপর আরেকটি দীর্ঘ স্ট্যাটাসে কনকচাঁপা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, ‘জীবনের যেকোনো পরিস্থিতিতেই আমি আলহামদুলিল্লাহ বলি। সবই আল্লাহর ফয়সালা। সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য যুদ্ধ করলাম। তখনো নমিনেশন না পেয়েও আলহামদুলিল্লাহ বলেছি নির্দ্বিধায়।’ তিনি আরো লেখেন, ‘গ্রামের মানুষের প্রবল চাহিদার জন্য আবারও গেলাম সংরক্ষিত আসনের এই প্রসেসে। সেখানেও তারা আমাকে মূল্যায়ন করল না। তবু বলি আলহামদুলিল্লাহ। নিশ্চয়ই আল্লাহ এর মধ্যে মঙ্গল রেখেছেন। জীবন তো এখানেই শেষ হয়ে গেল না।’ সমর্থকদের উদ্দেশে কনকচাঁপা বলেন, ‘আপনারা যেভাবে আমার সঙ্গে ছিলেন, আশা করি সেভাবেই থাকবেন। আমি নিতান্তই সাদামাটা মানুষ। দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ। কিন্তু আমি জানি এই দেশ আমার, গান ছাড়াও এ দেশকে দেওয়ার অনেক কিছু বাকি আছে’ শেষে তিনি লেখেন, ‘ইনশাআল্লাহ আমি আছি দেশের হয়ে, দশের হয়ে। আর কিছু যদি নাও পারি, মরে গিয়ে মাটিতে মিশে মাটি উর্বর করতে পারব নিশ্চয়ই। আমার জন্য দোয়া করবেন।’ উল্লেখ্য, কনকচাঁপা ছাড়াও সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়নপত্র তুলেছিলেন সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন, নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী, মডেল মেঘনা আলম এবং রুকাইয়া জাহান চমক। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের কারো নাম চূড়ান্ত তালিকায় আসেনি।
মুম্বাইয়ের স্থায়ী হচ্ছে আল্লু অর্জুন!

মুম্বাইয়ের স্থায়ী হচ্ছে আল্লু অর্জুন! ক্যারিয়ার যখন মধ্যগগণে, ঠিক তখনই বড় সিদ্ধান্তের খবর পাওয়া গেল দক্ষিণী তারকা আল্লু অর্জুনের পক্ষ থেকে। শোনা যাচ্ছে, হায়দরাবাদ ছেড়ে পাকাপাকিভাবে মুম্বাইয়ের বাসিন্দা হতে চলেছেন তিনি। ‘পুষ্পা’ ছবির অভাবনীয় সাফল্যের পর থেকেই অল্লু অর্জুনের জনপ্রিয়তা কেবল দক্ষিণ ভারতেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দেশে। আর এই সর্বভারতীয় জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়েই এবার মায়ানগরীতে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে চাইছেন অভিনেতা। শোনা যাচ্ছে, পরিচালক অ্যাটলির আগামী বিগ বাজেট ছবি ‘রাকা’র শুটিংয়ের জন্যই মূলত এই বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন আল্লু। যদিও এই ছবির কাজ এখনও বাকি, কিন্তু চিত্রনাট্যের কাজ এবং প্রি-প্রোডাকশন প্রায় শেষের পথে। অ্যাটলির ছবির পাশাপাশি বলিউডের আরও বেশ কিছু বড় প্রজেক্ট নিয়ে অভিনেতার কথাবার্তা চলছে। বার বার হায়দরাবাদ থেকে মুম্বাই যাতায়াত করাটা বেশ সময়সাপেক্ষ, তাই কাজ ও সময়ের সুবিধার্থে আল্লু অর্জুন চাইছেন মুম্বাইতেই নিজের একটি স্থায়ী আস্তানা তৈরি করতে। তবে কি তিনি চিরতরে হায়দরাবাদ ছাড়ছেন? অভিনেতার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, বিষয়টি একেবারেই তেমন নয়। তাঁর শিকড় হায়দরাবাদেই, সেখানে তার বিশাল বাংলো ও পরিবার রয়েছে। তবে মুম্বইয়ে তার উপস্থিতি বাড়লে বলিউডের কাজগুলো সামলানো সহজ হবে। এর আগে অনেক দক্ষিণী তারকাকেই দেখা গেছে কাজের প্রয়োজনে মুম্বইয়ে আবাসন কিনতে, আল্লু অর্জুনও সম্ভবত সেই পথেই হাঁটছেন- এমনটাই ভাবছেন অনেকে।
মাহবুবুল খালিদের কথায় শ্রমিকের অধিকার-অগ্নিনিরাপত্তার দাবি

মাহবুবুল খালিদের কথায় শ্রমিকের অধিকার-অগ্নিনিরাপত্তার দাবি দেশের সংগীত ও সাহিত্যাঙ্গনের স্বতন্ত্র সৃষ্টিশীল নাম মাহবুবুল খালিদ। সমাজ, মানুষের জীবনসংগ্রাম, অন্যায়-অবিচার, বেদনা আর সম্ভাবনার ভেতরেই খুঁজে নেন তার সৃষ্টির উপাদান। সেই অনুভূতিগুলোই কখনো কবিতায়, কখনো গানে রূপায়ন করে থাকেন। তার লেখায় বারবার ফিরে আসে গভীর জীবনবোধ, মানবিক দায়বদ্ধতা এবং সমাজকে বদলে দেওয়ার নীরব আহ্বান। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের তৈরি পোশাক খাতে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনার নির্মম বাস্তবতা তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। সেই বেদনা থেকেই জন্ম নিয়েছে ‘আর নয় অগ্নিশিখা ধ্বংসলীলা’ শিরোনামে প্রতিবাদী ও জনসচেতনতামূলক গান। এ গানের কথায় উঠে এসেছে শ্রমিকদের নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশের নিশ্চয়তা, জীবনের অধিকার রক্ষার স্পষ্ট দাবি। “আর নয় অগ্নিশিখা ধ্বংসলীলা/ জীবনের আত্মাহুতি/ পুড়ে পুড়ে জীবন ক্ষয়/ আর নয় শেষ পরিণতি॥/ কারখানায় কাজের পরিবেশ কমপ্লায়ান্স/ নিশ্চিত করো গো ভাই/ কাজের সময় যেন সকল দরজা/ সদাই খোলা থাকে গো তাই।/ আমরা ফায়ার এসকেপ চাই/ লাগলে আগুন পালানোর পথ, বাঁচার উপায় চাই/ আর নয় আত্মাহুতি/ থামে না যেন জীবনের গতি॥/ আমরা পেয়েছি দেশ, হয়েছি স্বাধীন/ যুদ্ধ করেই ভাই/ দাও আমাদের সঠিক প্রশিক্ষণ/ অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রপাতি তাই।/ আমরা হইনি ব্যর্থ হইনি পিছু পা/ আমরা এগিয়ে যেতে চাই/ আমরা মানি না পরাজয়/ জীবনের ধ্বংস দুর্গতি॥ এমন কথামালায় গানটি সাজিয়েছেন মাহবুবুল খালিদ। গানটির সুর করেছেন প্রয়াত কিংবদন্তি সংগীতজ্ঞ আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। কণ্ঠ দিয়েছেন সাব্বির জামান ও টিনা। জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেই এটি মুক্তি পেয়েছে গীতিকবির নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ও ‘খালিদ সংগীত’-এর ইউটিউব ও ফেসবুক পেজে। মাহবুবুল খালিদের সৃষ্টির মূল শক্তি তার মানবিক অবস্থান। নির্যাতিত, অবহেলিত মানুষের পক্ষে কথা বলাই যেন তার শিল্পচর্চার প্রধান লক্ষ্য। দেশপ্রেম, প্রকৃতি, ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব, জনসচেতনতা কিংবা খেলাধুলা বিভিন্ন বিষয় তার গানে ও কবিতায় জায়গা করে নেয় স্বাভাবিক স্বাচ্ছন্দ্যে। গণসংগীত থেকে লোকগীতি, হামদ-নাত, শিশুতোষ গান, দেশাত্মবোধক সুর, প্রেম-বিরহ কিংবা আধ্যাত্মিক ভাবনা সব ক্ষেত্রেই তার বিচরণ সহজ ও সাবলীল। সমাজের বাস্তব ঘটনাগুলো তার সৃষ্টিকে বারবার তীক্ষ্ণ ও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে। রাজধানীর মিরপুরে নির্যাতিত শিশু গৃহকর্মী আদুরিকে নিয়ে লেখা ‘আদুরি’ যেমন এক নির্মম বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি, তেমনই সীমান্তে ফেলানী হত্যাকাণ্ড নিয়ে লেখা ‘ফেলানীরে করল গুলি’ গানটি নাড়া দেয় মানুষের বিবেককে। মাগুরার শিশু আছিয়ার ওপর নির্যাতনের ঘটনায় ‘মাগুরার ফুল’ গানে তিনি তুলে ধরেছেন সমাজের অন্ধকার মুখ। শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটও ধরা দিয়েছে তার গানে। ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে লেখা তার গান মানবতার পক্ষে শক্ত ও স্পষ্ট অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ। সব মিলিয়ে, মাহবুবুল খালিদের সৃষ্টি শুধু বিনোদন নয়; এটি সময়ের দলিল, প্রতিবাদের ভাষা এবং মানুষের পক্ষে এক দৃঢ় শিল্পীস্বর।
‘জখম’ একদিনে দেখল ৪০ লাখ দর্শক!

‘জখম’ একদিনে দেখল ৪০ লাখ দর্শক! গ্রামের মধ্যবিত্ত ঘরের সাদামাটা মেয়ে রাইসা। একটু চাপা স্বভাবের কারণে সবার সঙ্গে সহজে মিশতে পারে না সে। অপরদিকে পার্থ সম্ভ্রান্ত যৌথ পরিবারের ছেলে। তার মা-বাবা, ছোট ভাইবোন সবাই খুবই মিশুক। বিপরীত মেরুর মেয়েটি ও ছেলেটি একবিন্দুতে এসে মিলে যায় ভালোবাসার হাওয়ায়। গত ১৭ এপ্রিল, উন্মুক্ত হওয়া ‘জখম’ নাটকটি মাত্র এক দিনেই দেখেছে ৪০ লাখেরও বেশি দর্শক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাসছে ইতিবাচক সব মন্তব্য! ইউটিউবে মন্তব্যের ঘরে একজন দর্শক নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করে লিখেন, ‘খুব শক্তিশালী উপস্থাপনা। এই ধরনের গল্প সমাজের অন্ধকার দিকটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়’। আরেকজন লিখেন, ‘হাজারো ধর্ষিতা নারী জীবনের সত্যিটা তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ’। কেউ কেউ এমনও লিখেছেন, ‘বাস্তব গল্প তুলে ধরা এই নাটক জাতি সারাজীবন মনে রাখবে’। পরিচালকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে একজন লিখেন, ‘নাটকটির মাধ্যমে বর্তমান সমাজের মুখোশ খুলে দেওয়ার জন্য পরিচালককে ধন্যবাদ’। ইমরাউল রাফাতের পরিচালনায় ‘জখম’ নাটকে রাইসা চরিত্রে তানজিম সাইয়ারা তটিনী এবং পার্থ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব। পরিচালক বলেন, “এটি মূলত প্রতিশোধের গল্প। ধর্ষণের শিকার হওয়া নারীদের সমাজে কীভাবে দেখা হয় এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং প্রতিশোধ নিয়েই একটা মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করেছি আমরা। এক দিনে চল্লিশ লাখেরও বেশি দর্শক দেখেছেন নাটকটি। এ থেকেই বোঝা যায় সবাই কাজটিকে পছন্দ করছেন। জখম’-এর বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন লুৎফর রহমান জর্জ, মনিরা আক্তার মিঠু, আনোয়ার শাহী, সাবিহা জামান, রিমু রেজা খন্দকার, ইসরাত অতিথি প্রমুখ।
‘নিদয়া’ নতুন গান জিসান খান শুভ’র

‘নিদয়া’ নতুন গান জিসান খান শুভ’র সংগীতশিল্পী জিসান খান শুভ এবার নিয়ে আসছেন নতুন গান ‘নিদয়া’। গানটি প্রকাশ করছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের (ডিএমএস)। গানটির কথা, সুর এবং কণ্ঠ দিয়েছেন জিসান খান শুভ। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন আমজাদ হোসাইন। প্রিয় মানুষ হারানোর হাহাকারের এই গানের গল্পে ভিডিও নির্মাণ করেছেন সোহেল রাজ। ভিডিওতে দর্শক দেখেতে পাবে জিসান খান শুভ ও নুসরাত জাহান ফাতেমার অনবদ্ধ রসায়ন। নিজের নতুন গান প্রসঙ্গে শুভ বলেন, ’আমার প্রতিটি গান আমি একটু সময় নিয়ে করার চেষ্টা করি। যাতে আমার কাজটি নিখুঁত হয়। সেই সঙ্গে শ্রোতারাও পরিপূর্ণ বিনোদন পান। এবারে গানটিও অনেক সময় আর যত নিয়ে করেছি। আর গানের কথা, সুর ও সঙ্গীতের সাথে মিল রেখে নির্মাণ করা হয়েছে ভিডিওটি যা শ্রোতাদের ভালো লাগবে বলে আমার বিশ্বাস। ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস) জানায়, আগামী ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ধ্রব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হবে গানটির ভিডিও। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে দেশি ও আর্ন্তজাতিক সব মিউজিক প্ল্যাটফর্মে।
অক্ষয় কুমারের ‘ভূত বাংলা’র দাপট শুরু

অক্ষয় কুমারের ‘ভূত বাংলা’র দাপট শুরু দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মুক্তি পেয়েছে অক্ষয় কুমার অভিনীত হরর-কমেডি ঘরানার সিনেমা ‘ভূত বাংলা’। মুক্তির প্রথম দিন, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে সিনেমাটি। ট্রেড অ্যানালিস্টদের তথ্যের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৬ এপ্রিল সিনেমাটির এক বিশেষ প্রদর্শনী থেকে আয় হয়েছিল ৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি। তবে শুক্রবার নিয়মিত প্রদর্শনী শুরুর পর আয়ে বড় লাফ দেখা যায়। এদিন ১২ হাজার ৩৮৬টি শো থেকে সিনেমাটি আয় করে ১২ কোটি ১৫ লাখ রুপি। এই দাপুটে উত্থানের পর ভারতের বাজারে সিনেমাটির মোট গ্রস কালেকশন দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৯০ লাখ রুপি। অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ‘ভূত বাংলা’র সংগ্রহ এখন পর্যন্ত ২৩ কোটি ৯০ লাখ রুপি, অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩১ কোটি ৬৭ লাখ। অক্ষয় কুমারের ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সূর্যবংশী’র পর এটিই তার সবচেয়ে বড় ওপেনিং। ‘সূর্যবংশী’ প্রথম দিনে আয় করেছিল ২৬ কোটি ২৯ লাখ রুপি। তবে তার সাম্প্রতিক অন্যান্য কাজ যেমন— ‘জলি এলএলবি থ্রি’ (১২.৫ কোটি) এবং ‘হাউসফুল ফাইভ’ (২৪ কোটি) এর তুলনায় এই ছবির আয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তবে হরর-কমেডি ঘরানার অন্য সিনেমার সঙ্গে তুলনায় ‘ভূত বাংলা’ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। গত বছর মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘থাম্মা’ ২৪ কোটি এবং ‘স্ত্রী টু’ প্রথম দিনেই ৫১ কোটি ৮০ লাখ রুপি আয়ের রেকর্ড গড়েছিল। এছাড়া ‘ভুল ভুলাইয়া টু’ ও ‘ভুল ভুলাইয়া থ্রি’ এর ওপেনিং কালেকশনও এই সিনেমার তুলনায় বেশি ছিল। প্রখ্যাত পরিচালক প্রিয়দর্শনের হাত ধরে দীর্ঘ সময় পর পর্দায় ফিরেছেন অক্ষয়। এর আগে এই জুটি ‘হেরা ফেরি’, ‘গরম মশলা’, ‘ভুল ভুলাইয়া’ ও ‘খাট্টা মিঠা’র মতো জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছে। ‘ভূত বাংলা’ সিনেমায় অক্ষয় ছাড়াও অভিনয় করেছেন ওয়ামিকা গাব্বি, টাবু, রাজপাল যাদব ও যীশু সেনগুপ্ত। সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন অক্ষয় কুমার, শোভা কাপুর ও একতা কাপুর।
গুঞ্জন নয়, সত্যিই প্রেম করছেন হলিউড সুন্দরী সিডনি

গুঞ্জন নয়, সত্যিই প্রেম করছেন হলিউড সুন্দরী সিডনি হলিউডের অন্যতম সুন্দরী অভিনেত্রীদের একজন সিডনি সুইনি। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু দর্শকপ্রিয় কাজ দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন তিনি। তবে দীর্ঘদিন ধরে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের মাঝে ছিল নানা কৌতূহল। পশ্চিমা বিনোদন অঙ্গনে কান পাতলেই শোনা যেত সিডনির প্রেমচর্চা। অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সেই দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটালেন এই অভিনেত্রী; নিজের মনের মানুষের পরিচয় প্রকাশ্যে এনে সম্পর্কের গুঞ্জনকেই বাস্তবে রূপ দিলেন এই সুন্দরী। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি প্রকাশ করে যেন ভক্তদের রীতিমতো চমকেই দেন সিডনি সুইনি। সেই ছবিতে প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গেল অভিনেত্রীকে। গুঞ্জন ছিল, সংগীত প্রযোজক স্কুটার ব্রাউনের সঙ্গে সম্পর্ক তার; সুইনির পোস্ট করা সেই ছবি এবার সেটিই নিশ্চিত করল- গুঞ্জন নয়, স্কুটার ব্রাউনের সঙ্গেই প্রেম করছেন অভিনেত্রী। গত ১৫ এপ্রিল ২৮ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে প্রেমিকের সঙ্গে একটি আদুরে সাদা-কালো ছবি শেয়ার করেন। ছবিটি নিজের অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেন ব্রাউন। তাতে মজার ছলে একটি ক্যাপশনও জুড়ে দেন; যেখানে তিনি নিজেকে ‘লাকি বাস্টা*র্ড’ বলে অভিহিত করেন।
১ যুগ পর সালমানের টুইটের জবাব দিলেন প্রীতি জিনতা

১ যুগ পর সালমানের টুইটের জবাব দিলেন প্রীতি জিনতা আইপিএল মৌসুম এলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের একটি পুরোনো টুইট নিয়ম করে ভাইরাল হয়। ২০১৪ সালে করা সেই এক লাইনের টুইট নিয়ে দীর্ঘ এক যুগ পর অবশেষে মুখ খুললেন পাঞ্জাব কিংসের মালিক ও অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। ২০২৬ আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে নিজের দলের দাপুটে জয়ের পর উচ্ছ্বসিত প্রীতি অত্যন্ত রসিকতার ছলে সালমানের সেই বহুচর্চিত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৪ সালের ২৮ মে। সেদিন কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে পাঞ্জাব কিংসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের সময় সালমান খান টুইট করেছিলেন, প্রীতির দল কি জিতেছে? কাকতালীয়ভাবে সেই ম্যাচে পাঞ্জাব হেরে গিয়েছিল। এরপর থেকে প্রতি বছর আইপিএল চলাকালীন নেটিজেনরা মজার ছলে এই টুইটটি শেয়ার করেন। গত বৃহস্পতিবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে তাদের ঘরের মাঠে হারানোর পর এক অনুরাগী প্রীতিকে সালমানের সেই পুরোনো টুইটের কথা মনে করিয়ে দিলে তিনি হাসিমুখে ফিরতি জবাবে লেখেন, ইয়েস ইয়েস ইয়েস। চলমান আইপিএলে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ২৪তম ম্যাচে পাঞ্জাব কিংস পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে পরাজিত করে। মুম্বাইয়ের দেওয়া ১৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওপেনার প্রভসিমরন সিংয়ের অপরাজিত ৮০ এবং অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের ৬৬ রানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ২১ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় পাঞ্জাব। এই জয়ে উচ্ছ্বসিত প্রীতি জিনতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের খেলোয়াড়দের প্রশংসা করার পাশাপাশি রিকি পন্টিংয়ের কোচিং ও শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে দীর্ঘ এক যুগ ধরে ঝুলে থাকা সালমানের সেই প্রশ্নের ইতিবাচক উত্তর দিয়ে ভক্তদের মাঝে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি করেছেন এই বলিউড অভিনেত্রী।
‘গডজিলা: মাইনাস জিরো’র টিজারেই বাজিমাত

‘গডজিলা: মাইনাস জিরো’র টিজারেই বাজিমাত বিখ্যাত মনস্টার ফিল্ম সিরিজ গডজিলার সবশেষ পর্ব ‘গডজিলা: মাইনাস জিরো’র টিজার ট্রেইলার প্রকাশ্যে এসেছে। মুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউটিউবে আড়াই মিলিয়ন ভিউ ছাড়িয়েছে নতুন এই টিজার। জাপানের টোহো কর্পোরেশনের বিখ্যাত মনস্টার সিরিজ গডজিলার এটি ৩৪তম সিনেমা। টোহোর ২০২৩ সালের সিনেমা ‘গডজিলা: মাইনাস ওয়ান’ এর সিক্যুয়েল ‘মাইনাস জিরো’। আগের সিনেমার দুই বছর পরের কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে এবারে। গডজিলাকে দেখা যাবে নিউ ইয়র্কে এমন আভাস দেয়া হয়েছে টিজার ট্রেইলারে। ভিডিওর শেষ দৃশ্যে গডজিলা নিউ ইয়র্কের স্ট্যাচু অফ লিবার্টির নিচ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে এমনটা দেখানো হয়েছে। নভেম্বরের ৩ তারিখ ‘গডজিলা: মাইনস জিরো’ মুক্তি পাচ্ছে জাপানে। আর তিনদিন পর ৬ নভেম্বর এটি মুক্তি পাবে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৫৪ সালে মুক্তি পায় গডজিলার প্রথম সিনেমা। মুক্তির পরপরই দারুণ জনপ্রিয়তা পায় এই মনস্টার মুভি। রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে ওঠে গডজিলা। এরপর নিয়মিতই পর্দার এই দানবকে নিয়ে সিনেমা বানাতে থাকে টোহো। প্রথম চার দশক শিশুতোষ ও জাপানি লোকগল্পের নানা চরিত্রের মিশ্রণে নির্মান করা হয় গডজিলার নানা পর্ব। ‘কিংকং ভার্সেস গডজিলা’, ‘মথরা ভার্সেস গডজিলা’, ‘গিদোরাহ, দ্য থ্রি হেডেড মনস্টার’, ‘গডজিলা ভার্সেস জাইগ্যান’, ‘গডজিলা ভার্সেস মেগালন’ ছিল এই সময়কার নির্মিত আলোচিত কিছু সিনেমা।