সোমবার ০৮ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৫শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২২ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি
LIVE
Printed on: June 08, 2026
June 08, 2026
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ

নবাব খালের পুনর্খনন ৭৫ ভাগ সম্পন্ন : পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

Published: June 08, 2026 at 02:39 PM
নবাব খালের পুনর্খনন ৭৫ ভাগ সম্পন্ন : পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকারনবাব খাল নয়াগোলা খাল খনন/পুনর্খননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পপরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী। সোমবার দুপুরে তিনি এই খনন কাজ পরিদর্শন করেন।

এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, নবাব খালের পুনর্খনন কাজ ইতোমধ্যে ৭৫ ভাগ শেষ হয়েছে। নয়াগোলা খালটি পরে খনন কাজ শুরু হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরের ১৬ মার্চ ডাক, টেলি যোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) রেহান আসিফ আসাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের রুহুল বাঁধ এলাকায় এই খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন করেন।

ওই দিন প্রকল্পের সার সংক্ষেপে বলা হয়েছিল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নয়াগোলা, কল্যাণপুর, ফকল্যান্ড মোড়, বিজিবি ক্যাম্প এলাকা, পুলিশ লাইন্স, বিসিক এলাকা, আতাহার, মহাডাঙ্গা, বিদিরপুর, আলীনগর, গণকা, শিয়ালা কলোনির একাংশের ঘরবাড়ি, দালানকোঠা, সরকারি-বেসরকারি অফিস, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, রাস্তা-ঘাটসহ নিকটবর্তী এলাকায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার মধ্য দিয়ে অতিক্রমকারী খালগুলোর মধ্যে নবাব খাল নয়াগোলা খাল দ্বারা সৃষ্ট প্রবাহপথ দীর্ঘতম। যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১০.৫০ কিলোমিটার। নবাব খালটির প্রবাহপথের মোট দৈর্ঘ্য .০০ কিলোমিটার এবং নয়াগোলা খালটির প্রবাহপথের মোট দৈর্ঘ্য .৫০ কিলোমিটার। নবাব খালটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার উত্তর ভবানীপুর মৌজার চাঁপাই-আমনুরা রাস্তা এবং নয়াগোলা খাল কল্যাণপুর মৌজার নয়াগোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশ হতে উৎপন্ন হয়ে মহাডাঙ্গা, বিদিরপুর, আলীনগর কালুপুর মৌজা দিয়ে রুহুল বাঁধ নামক স্থানে অতিক্রম করে শিয়ালা মৌজায় মহাডাঙ্গা খালে পতিত হয়েছে।

 

নয়াগোলা খাল এবং নবাব খালের দুটি প্রবাহপথ এবং রেল বরোপিট বরাবর মোট ১২.৫০ কিলোমিটার খনন কাজ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নয়াগোলা এলাকার জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন। খননকৃত প্রবাহপথের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন স্থানে মোট ৮টি কালভার্ট তৈরি করার মাধমে প্রবাহপথের উভয় পাশের যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন। খাল খননের মাধ্যমে এই এলাকায় আবাদী জমি ফল বাগান বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা। এবং শুষ্ক মৌসুমে খালের পানি সেচকাজে ব্যবহারের মাধ্যমে শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৪৮৬৪.৭০ লাখ টাকা।