শনিবার ২৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১০ই শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৯ সফর ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
কৃষক বেশে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ধরল নাচোল থানা পুলিশ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৭ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিয়ের হার ৬২ শতাংশ : ওরিয়েন্টেশনে তথ্য প্রকাশ শিবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে জব্দ ভারতীয় শাড়িসহ বিভিন্ন সামগ্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছেই পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি গোমস্তাপুরের সীমান্তে ৭ জনকে রাতের আঁধারে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ সারা দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৪০ ছাড়াল, নতুন ভর্তি ৪৩৯ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৪০০ কোটির ট্রান্সফার ফিতে দিওমান্দের খোঁজে রিয়াল আপত্তি সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান থাকছেন ভলকার তুর্ক
Printed on: July 25, 2026
July 25, 2026
আন্তর্জাতিক
আন্তর্জাতিক

আপত্তি সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান থাকছেন ভলকার তুর্ক

Published: July 25, 2026 at 11:10 AM
আপত্তি সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান থাকছেন ভলকার তুর্ক

যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও রাশিয়ার আপত্তি সত্ত্বেও জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে ভলকার তুর্ককে আরও চার বছরের জন্য পুনর্নির্বাচিত করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। শনিবার ২৫ জুলাই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। শুক্রবার ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ভোটে তুর্কের পক্ষে ১৪৪টি দেশ ভোট দেয়। বিপক্ষে ভোট পড়ে ১০টি এবং ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। এর মধ্য দিয়ে ১৯৯৩ সালে পদটি প্রতিষ্ঠার পর ভলকার তুর্কই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে দ্বিতীয় পূর্ণ মেয়াদে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন। অস্ট্রিয়ার নাগরিক ভলকার তুর্ক ২০২২ সাল থেকে এই পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। মালয়েশিয়া, কসোভো, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং কঙ্গোতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। মানবাধিকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তুর্ক বিশ্বের বিভিন্ন সংকট ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে সরব ছিলেন। বিশেষ করে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান, ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং আফগানিস্তান, সুদান, মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গাজা পরিস্থিতি নিয়ে তুর্কের কঠোর অবস্থানের কারণে ইসরায়েলের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়। তিনি অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং এসব ঘটনায় জবাবদিহির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এ ছাড়া ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানকে তিনি আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি নিয়েও তিনি বিভিন্ন সময়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, তুর্কের নেতৃত্বে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং রাজনৈতিক পক্ষপাত দেখিয়েছে। রাশিয়াও তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছে।তুর্কের পুনর্নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ভোটের আয়োজন দ্রুত করা হয়েছে এবং প্রক্রিয়াটিতে অসঙ্গতি রয়েছে। তবে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিয়ম মেনেই সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তুর্কের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদে ভলকার তুর্ককে গাজা যুদ্ধ, ইউক্রেন সংকট, শরণার্থী সমস্যা এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ মোকাবিলা করতে হবে। এসব ইস্যুতে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।