শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ২৩শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২০ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি
LIVE
Printed on: June 06, 2026
June 06, 2026
জাতীয়
জাতীয়

পুশ-ইনের চেষ্টায় ব্যর্থ বিএসএফ, আলো নিভিয়ে সরিয়ে নিলো ৩৩ জনকে

Published: June 06, 2026 at 09:18 AM
পুশ-ইনের চেষ্টায় ব্যর্থ বিএসএফ, আলো নিভিয়ে সরিয়ে নিলো ৩৩ জনকে

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও আদিতমারী উপজেলার পাঁচটি সীমান্ত এলাকা দিয়ে ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শেষ পর্যন্ত রাতের আঁধারে সীমান্তের আলো নিভিয়ে শূন্যরেখায় অপেক্ষা রাখা ওই লোকদের সরিয়ে নিয়েছে তারা। শুক্রবার (৫ জুন) দিনগত মধ্যরাতে তাদের সরিয়ে নেওয়ার পর শনিবার (৬ জুন) এ তথ্য জানা যায়।  এর আগে শুক্রবার ভোর রাতে একই সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশ-ইনের ব্যর্থ চেষ্টা করে বিএসএফ। কিন্তু বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) প্রতিরোধের মুখে তারা বিফল হয়েছে। বিজিবি ও সীমান্তবাসী জানান, হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ১১ জন, পাটগ্রাম উপজেলার পয়ষট্টিবাড়ী বিওপি এলাকায় ১০ জন এবং আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দীঘলটারী সীমান্ত এলাকায় আরও ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। খবর পেয়ে বিজিবি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমান্তে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।  গ্রামবাসীর সহায়তায় বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং ওই ব্যক্তিরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেনি। পুশ-ইনে ব্যর্থ হলে দিনভর এসব মানুষকে শূন্যরেখায় রোদে আটকে রাখে বিএসএফ। শূন্যরেখা থেকে এসব মানুষকে সরিয়ে নিতে বিজিবি কঠোর বার্তা দিলেও প্রথম দিকে কর্ণপাত করেনি বিএসএফ। কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকে উল্টো বিজিবির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করে তারা।  বৈঠকে পুশ-ইনের শিকার মানুষগুলো বিএসএফের উপস্থিতিতে জানান, তারা ভারতীয় এবং ভারত থেকেই এসেছেন। এমন বার্তার পরেও দিনভর নানান নাটকীয়তা করে অবশেষে রাতের আঁধারে সীমান্ত বাতি নিভিয়ে তাদের নিজ ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয় বিএসএফ। 

বিজিবি লালমনিরহাট ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম ঘটনা বাংলানিউজকে বলেন, সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করা মানুষদের নিজ ভূখণ্ডে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ। যে কোনো ধরনের পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। সীমান্তে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে।