শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৫ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: October 31, 2026
October 31, 2026
খেলাধুলা
খেলাধুলা

নারী বিশ্বকাপে প্রাইজমানি বাড়াচ্ছে ফিফা, পিছিয়ে থাকছে পুরুষদের তুলনায়

Published: October 31, 2026 at 09:59 AM
নারী বিশ্বকাপে প্রাইজমানি বাড়াচ্ছে ফিফা, পিছিয়ে থাকছে পুরুষদের তুলনায়

নারী বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রাইজমানি  পরিমাণ দ্বিগুণ করতে যাচ্ছে ফিফা। তবে সেটা পুরুষদের বিশ্বকাপের সমতার লক্ষ্য থেকে এখনও অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০২৩ আসরে দলগুলোর জন্য মোট ১০ কোটি ডলারের সামান্য বেশি প্রাইজমানি রাখা হয়েছিল। ব্রাজিলে অনুষ্ঠেয় পরবর্তী আসরে এই অঙ্ক বাড়িয়ে ২২ কোটি ডলার করা হচ্ছে। যা যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত পুরুষদের বিশ্বকাপে দেওয়া অর্থের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।


সবশেষ ৪৮ দলের ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষে ফিফা ১৫০ কোটি ডলারের রেকর্ড আয়ের ঘোষণা দেয়। তবে ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এবং ‘স্কাইয়ের’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী বছর ব্রাজিলে অনুষ্ঠেয় নারী বিশ্বকাপ পুরুষদের আসরের চেয়ে অনেক পিছিয়ে রয়েছে এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ঘোষণা করা লিঙ্গ সমতার লক্ষ্য অর্জনেও এটি ব্যর্থ হয়েছে। এই গ্রীষ্মের টুর্নামেন্টে পুরুষ দলগুলোর জন্য মোট প্রাইজমানি ছিল ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।


২০২৩ সালে সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি নিয়ে যখন বেশ জটিলতা তৈরি হয়। অধিকাংশ সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান মনে করত যে ছেলেদের বিশ্বকাপের স্বত্ব কেনার সঙ্গেই তারা নারী বিশ্বকাপের স্বত্বও পেয়ে গেছে। তখন ইনফান্তিনো সম্প্রচারকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য অবশ্যই ২০২৬ সালের পুরুষ এবং ২০২৭ সালের নারী বিশ্বকাপে প্রাইজমানির ক্ষেত্রে সমতা আনা।’


ফিফা সভাপতি আরও বলেন, ‘আমরা নিজেরাই এই লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। ফিফা কেবল মুখের কথায় নয়, কাজের মাধ্যমেও এগিয়ে আসছে... তবে দুঃখের বিষয় হলো ইন্ডাস্ট্রির সবাই এই পথে হাঁটছে না। আমার প্রিয় বন্ধু সম্প্রচারক এবং স্পন্সরদের এই বিষয়ে আরও অনেক কিছু করতে হবে।’


বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক কাছাকাছি সময়ে ইনফান্তিনোর এই অভিযোগ বাণিজ্যিক বাজারকে সন্তুষ্ট বা নড়াতে তো পারেনিই, উল্টো অনেকে এতে বেশ ক্ষুব্ধ হন। কারণ, ফিফা আন্তর্জাতিক নারী ফুটবলে যতটুকু বিনিয়োগ করেছিল, সমালোচকরা নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ নারী ফুটবলে তার চেয়ে অনেক বেশি বিনিয়োগ করে আসছিলেন। ফিফা এর আগেই নিশ্চিত করেছে যে, ২০২৭ সালের নারী বিশ্বকাপের দলগুলো পুরুষ বিশ্বকাপের দলগুলোর সমান প্রস্তুতিমূলক অর্থ পাবে। প্রতিটি দলের জন্য এই অর্থ বাড়িয়ে দ্বিগুণ অর্থাৎ ২৫ লাখ ডলার করা হচ্ছে।