রবিবার ০৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৯শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
শিরোনাম
Printed on: October 04, 2026
October 04, 2026
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ

২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় আড়াইশ শিশুই : বেশিরভাগই চিকিৎসা নিচ্ছে মেঝেতে

Published: October 04, 2026 at 02:07 PM
২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় আড়াইশ শিশুই : বেশিরভাগই চিকিৎসা নিচ্ছে মেঝেতে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশুদের জ্বর, সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, হাম, জন্ডিস, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখা বাড়ছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রায় আড়াইশ রোগী। এর মধ্যে নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাই বেশি। হাসপাতালের আসন সংকুলান না হওয়ায় অনেককে মেঝেতে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। তিনজন চিকিৎসক নিয়মিত চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। 

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত শিশু রোগী ভর্তি ছিল ১৫০ জন এবং রবিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত আরো ৩০ জন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও নবজাতক ভর্তি রয়েছে ৪০ জনের অধিক। 

রবিবার দুপুরে জেলা হাসতপালের পুরাতন ভবনে শিশু ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, আসন সংখ্যা মাত্র ৩৫টি। এছাড়া নবজাতকদের জন্য ১৫টি। কিন্তু এতগুলো শিশুকে আসন দিতে না পারায় মেঝেতেই দিতে হচ্ছে চিকিৎসা। 

দেখা যায়, অসুস্থ শিশুদের নিয়ে কারো মা তো কারো বাবা পাশে শুয়ে বসে আছেন। বিছানার চেয়ে বেশি শিশু হাসপাতালের মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ড হলেও নিচতলা পর্যন্ত শিশুদের রাখা হয়েছে। 


বারান্দায় থাকা এক অভিভাবককে দেখা যায় ফ্যানের বাতাস পর্যাপ্ত না পেয়ে শিশুকে হাতপাখা দিয়ে বাতাস দিচ্ছেন। 

শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. রেজাউল করিমকে দেখা যায় সকাল থেকে চিকিৎসা দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে বসে পড়েছেন। বসেই তিনি শিশুদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। তিনি জানালেন, শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ১৫০ জন এবং রবিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত আরো ৩০ জন শিশু নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। তিনিসহ ৩ জন চিকিৎসক নিযুক্ত রয়েছেন। 


ডা. রেজাউল শিশুদের যত্নে রাখার পরামর্শ দেন। তিনি আরো জানান, শিশু ওয়ার্ডে আসন সংখ্যা ৩৫টি এবং নবজাতকদের জন্য ১৫টি আসন রয়েছে। 

প্রসঙ্গত, জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৬ শতাধিক সব ধরনের রোগী জেলা হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। তাদের সঙ্গে একজন করে ধরলেও প্রায় ১২ মানুষ প্রতিদিন এই হাসপাতালে থাকছেন। এই এতো মানুষকে সেবা দেয়া খুবই কষ্ট সাধ্য। তবু চেষ্টা করে যাচ্ছি।