সদর উপজেলায় ক্লুলেস মিজান হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মাদক সেবন সংক্রান্ত বিরোধেই পিঠে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে খুন হন মিজান। এ ঘটনায় মিজানের বন্ধু শাহীন আলীকে গ্রেপ্তার ও তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়ে হত্যায় ব্যবহৃত ১৪ ইঞ্চি গরু কাটা ছোরা। গতকাল বিকালে শাহীন আদালতে মিজানকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দী দিলে দিবাগত রাত পৌনে ১ টার দিকে মিজান হত্যার রহস্য উদঘাটনের তথ্য জানিয়েছে সদর থানা পুলিশ। নিহত মিজানুর রহমান চরঅনুপনগর ইউনিয়নের অনুপনগর মোল্লাপাড়া গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের ছেলে ও গ্রেফতার শাহীন আলী একই গ্রামের জুয়েল রানার ছেলে।
সদর
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, গত মঙ্গলবার গভীর
রাতে অনুপনগর মোল্লাপাড়া গ্রামের পাশে একটি ইটভাটায় মিজানকে ছুরি মেরে
খুন করে ফেলে রাখে অজ্ঞাত পরিচয় কে বা কারা।
বুধবার সকালে স্থানীয়রা ভাটায় মিজানের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মিজানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের
স্ত্রী বুধবারই থানায় হত্যা মামলা করেন।
ওসি
আরও জানান, ঘটনার পর পুুলিশ তদন্তে
নেমে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নেয়। শাহীনকে
বুধবারই ওই ভাটা থেকেই
জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করে। জিজ্ঞাসবাদে
শাহীন একাই মাদক সংক্রান্ত কারণেই পরিকল্পিতভাবে মিজানকে হত্যা করেছে বলে জানায়। এরপর গতকাল তাঁকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার
দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে তিনি ১৬৪ ধারায় দায় স্বীকার করে জবানবন্দী প্রদান করেন। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।