বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ৩০শে আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: October 15, 2026
September 17, 2026
খেলাধুলা
খেলাধুলা

বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগ আরও ২ জনকে নিষিদ্ধ করল বিসিবি

Published: September 17, 2026 at 11:14 AM
বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগ আরও ২ জনকে নিষিদ্ধ করল বিসিবি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সর্বশেষ দুই আসর ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগে আরও দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অভিযুক্ত দুজনই বিপিএলের ১১তম ও ১২তম আসরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বিসিবি। অভিযুক্ত দুজন হলেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক মালিক মো. আবদুল কাইয়ুম রাশেদ এবং দুর্বার রাজশাহীর ১১তম আসর ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ১২তম আসরের সাবেক কর্মকর্তা মো. আমিন খান। বিসিবির অ্যান্টিগ্রিটি ইউনিটের তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। কাইয়ুম রাশেদের বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার চারটি ধারা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ম্যাচের ফল, গতিপথ বা কোনো দিক অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতিতে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য যথাসময়ে জানাতে ব্যর্থ হওয়া, তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা দেওয়া বা বিলম্ব ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগের ক্ষেত্রে নিজের ব্যবহৃত প্রধান মুঠোফোন বিসিবির দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তার কাছে জমা না দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। বিসিবির অভিযোগ অনুযায়ী, ওই মুঠোফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা সম্ভব না হওয়ায় সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ও তথ্য যাচাই করা যায়নি। অন্যদিকে আমিন খানের বিরুদ্ধেও চারটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল বা ম্যাচের কোনো দিক অনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে উৎসাহিত বা সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ বা তথ্য গোপন কিংবা নষ্ট করার অভিযোগও রয়েছে আমিন খানের বিরুদ্ধে। বিসিবি জানিয়েছে, অভিযোগের নোটিশ পাওয়ার পর নিজেদের বক্তব্য জানানোর জন্য অভিযুক্ত দুজনকে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা অনুযায়ী চলমান শাস্তিমূলক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাদের এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বিপিএলের ১১তম ও ১২তম আসর ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ, তথ্য গোপন, তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগের তদন্ত করেছে বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিট। তবে চলমান প্রক্রিয়ার কারণে এ বিষয়ে এই মুহূর্তে আর কোনো মন্তব্য করবে না বলে জানিয়েছে বিসিবি।