হারারে টেস্টে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ১৪০ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর এবার ব্যাট হাতে দাপট দেখাচ্ছে জিম্বাবুয়ে। দিনের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে ১০৯ রানের লিড নিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যায় দলটি। ইনোসেন্ট কাইয়া তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। অন্য প্রান্তে ব্রায়ান বেনেটও খেলেন আক্রমণাত্মক ইনিংস। দু’জনের ব্যাটে বড় লিডের পথে স্বাগতিকরা। লাঞ্চ বিরতির আগে জিম্বাবুয়ে ২ উইকেটে তুলে নিয়েছে ২৪৯ রান। কাইয়া ১২৭ এবং বেনেট ৫৯ রানে অপরাজিত আছেন।
এর আগে, রবিবার প্রথম ইনিংসে খেলতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার ইনোসেন্ট কাইয়া ও বেন কারান। খেলেছেন ওয়ানডে মেজাজে। ৮৯ রানে প্রথম উইকেট পড়ে যায় জিম্বাবুয়ের। বেন কারান ৫১ বলে ৪২ রানে সাজঘরে ফেরেন। তার আউটের পর দিনের শেষ পর্যন্ত খেলেছেন ইনোসেন্ট কাইয়া ও ব্রেন্ডন টেইলর। ১ উইকেটে ১৩৬ রানে প্রথম দিন শেষ করে জিম্বাবুয়ে। আজ জিম্বাবুয়ে ব্যাটিংয়ে নামার পর প্রথম সেশনে বাংলাদেশের বোলাররা কোনো সুবিধাই আদায় করতে পারেননি। দলের প্রত্যেক বোলারই জুটি ভাঙতে ব্যর্থ হন। সাফল্য বলতে ছিল ব্রেন্ডন টেলরের (১৭) উইকেট। এরপর তৃতীয় উইকেটে কাইয়া ও বেনেট অবিচ্ছিন্ন ১০৬ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর ২৪৯ রানে নিয়ে যান।
এর আগে ৪৭.২ ওভারে ১৪০ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। রবিবার টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ১৭ বলে ২ রান করে ফিরে যান। ৬ রানের মধ্যেই প্রথম ধাক্কা খায় টাইগাররা। তবে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। দু’জন মিলে ৩০ রানের জুটি গড়লেও দলীয় ৩৬ রানে ২০ রান করে আউট হন সাদমান। পরে মুমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৭৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দলীয় ১১৩ রানে ৮১ বলে ৬০ রান করে নিউম্যান নিয়ামহুরির শিকার হন মুমিনুল। এরপর ৭৩ বলে ১৯ রান করে বিদায় নেন শান্তও। এক প্রান্তে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের কাছ থেকে প্রত্যাশা থাকলেও তিনি রিচার্ড এনগারাভার বলে বোল্ড হয়ে দ্রুত ফিরে যান। তার আউটের পর আর দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশের ইনিংস। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৪০ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। জিম্বাবুয়ের হয়ে নিউম্যান নিয়ামহুরি নেন ৪ উইকেট।