শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ || ১৩ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১১ মহররম ১৪৪৮ হিজরি
LIVE
Printed on: June 27, 2026
June 27, 2026
বিনোদন
বিনোদন

তামিলনাড়ুতে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক শিশু পাবে সোনার আংটি

Published: June 27, 2026 at 06:19 AM
তামিলনাড়ুতে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রত্যেক শিশু পাবে সোনার আংটি

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া থালাপতি বিজয় এবার নতুন এক জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায়। তামিলনাড়ুর সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া প্রতিটি নবজাতককে এক গ্রাম ওজনের সোনার আংটি উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তাঁর সরকার।এ উদ্যোগের নাম রাখা হয়েছে ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’। রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বছরে প্রায় ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি ব্যয় হবে। ইতিমধ্যে দরপত্র আহ্বানসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ২২ জুন, যা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের জন্মদিন, সেদিন থেকেই প্রকল্পটি কার্যকর হয়েছে। ফলে ওই তারিখ থেকে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া সব নবজাতক এই সুবিধার আওতায় আসবে। তবে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, দ্রাবিড় আন্দোলনের অন্যতম নেতা পেরারিঞার আন্নার জন্মবার্ষিকীতে। তামিলনাডুর সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তামিল সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ‘থাই মামান সির’ প্রথা থেকে এই প্রকল্পের অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত রীতিতে নবজাতকের মামা শিশুকে আশীর্বাদ হিসেবে বিভিন্ন উপহার দেন। নতুন এই প্রকল্পে সেই প্রতীকী দায়িত্ব পালন করবে রাজ্য সরকার। ভালোবাসা, শুভকামনা ও আশীর্বাদের নিদর্শন হিসেবে প্রতিটি নবজাতককে দেওয়া হবে একটি করে সোনার আংটি। সরকারের দাবি, এটি শুধু একটি কল্যাণমূলক উদ্যোগ নয়; বরং নবজাতক ও তাদের পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রতীক। একই সঙ্গে তামিল সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহ্যও সংরক্ষণ করবে এই কর্মসূচি। উল্লেখ্য, ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’ ছিল বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম (টিভিকে)-এর নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। পাশাপাশি সরকারের ‘ভেত্রি তামিলাগাম ভিশন ডকুমেন্ট’-এও এটি অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা বা সংগঠন ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিশেষ দিনে সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া শিশুদের সোনার আংটি উপহার দিলেও, প্রথমবারের মতো এই উদ্যোগকে স্থায়ী সরকারি কল্যাণ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।