বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে জর্ডান ও আলজেরিয়া। গ্রুপ জে এর এই ম্যাচে জয় ছাড়া অন্য কোনো ফলই যেন গ্রহণযোগ্য নয় দুই দলের জন্য। হারলেই বিদায়ের শঙ্কা আরও ঘনীভূত হবে। সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ম্যাচটি তাই ছদ্মবেশী নকআউট হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা। কারণ প্রথম ম্যাচে হারের ধাক্কা কাটিয়ে ফিরতে মরিয়া দুই দলই। বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেওয়া জর্ডান অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে লড়াই করেও ৩-১ গোলে হারে। তবে সেই ম্যাচেই দেশের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ গোলের ইতিহাস গড়েন আলী ওলওয়ান। অন্যদিকে ১২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা আলজেরিয়া শুরুতেই কঠিন পরীক্ষায় পড়ে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হেরে যেতে হয় তাদের, যেখানে লিওনেল মেসি করেন হ্যাটট্রিক।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে জর্ডান কোচ জামাল সেলামি বলেন, প্রথম ম্যাচের স্নায়ুচাপ এখন কেটে গেছে এবং দল অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। তিনি আলজেরিয়াকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে কঠিন লড়াইয়ের আভাস দেন।আলজেরিয়া কোচ ভ্লাদিমির পেটকোভিচও সতর্ক। তাঁর মতে, জর্ডানকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। শারীরিকভাবে শক্তিশালী এই দলকে মোকাবিলায় নিজেদের সেরাটা দিতে হবে। দুই দলই প্রায় পূর্ণ শক্তির স্কোয়াড পাচ্ছে। জর্ডানের হয়ে আলী ওলওয়ান, মুসা আল তামারি আক্রমণে ভরসা, অন্যদিকে আলজেরিয়ার হয়ে রিয়াদ মাহরেজ, আমিনে গুইরি নজরে থাকবেন। অতীত পরিসংখ্যানে দুই দলের মধ্যে বড় কোনো ইতিহাস নেই। ২০০৪ সালে একমাত্র প্রীতি ম্যাচটি ড্র হয়েছিল। তবে পরিসংখ্যানে এগিয়ে আলজেরিয়া। অপটার তথ্য অনুযায়ী তাদের জয়ের সম্ভাবনা ৬১ শতাংশ, জর্ডানের ২০ শতাংশ। তবুও জর্ডানের লড়াকু মানসিকতা ম্যাচটিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলতে পারে।