রোমাঞ্চকর ম্যাচে বলিভিয়াকে হারিয়ে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ইরাক

রোমাঞ্চকর ম্যাচে বলিভিয়াকে হারিয়ে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপে ইরাক মেক্সিকোর গুয়াদালুপ স্টেডিয়ামে শেষ বাঁশি বাজতেই যেন একসঙ্গে দুই বিপরীত আবেগের বিস্ফোরণ। একদিকে উল্লাসে ভাসছে ইরাক, অন্যদিকে কান্নায় ভেঙে পড়েছে বলিভিয়া। তবে এই জয়ের পেছনে শুধু ফুটবল নয়—আছে দীর্ঘ সংগ্রাম, অস্থিরতা আর যুদ্ধের ছায়া পেরিয়ে উঠে দাঁড়ানোর গল্পও। আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ইরাক। প্রায় চার দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ১৯৮৬ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে খেলবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কার্যত এগিয়ে ছিল ইরাক। ১০ মিনিটে আল-হামাদির হেডে এগিয়ে যায় তারা। প্রথমার্ধের শেষদিকে সমতা ফেরায় বলিভিয়া। তবে বিরতির পর বদলি নামা খেলোয়াড়দের অবদানেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইরাক। শেষ পর্যন্ত আইমেন হুসেইনের গোলে নিশ্চিত হয় জয়। কিন্তু এই জয় কেবল একটি ফুটবল ম্যাচের ফল নয়। বহু বছর ধরে যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা সংকটের মধ্যে দিয়ে যাওয়া একটি দেশের জন্য এটি প্রতীকী প্রত্যাবর্তনও। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের মধ্যেও মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিল ইরাক। দেশটির ফুটবল কাঠামো দীর্ঘদিন ধরেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল। ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সীমাবদ্ধতা, খেলোয়াড়দের বিদেশে অনুশীলন ও প্রস্তুতি—সব মিলিয়ে পথটা সহজ ছিল না। তবু সেই প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে বিশ্বমঞ্চে ফেরার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিল তারা। অন্যদিকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়েও বিশ্বকাপের টিকিট ছোঁয়া হলো না বলিভিয়ার। পোস্টের নিচে বসে গোলরক্ষক গিলের্মো ভিসকারার অশ্রুসিক্ত মুখই যেন সেই আক্ষেপের প্রতিচ্ছবি। ৪৮ তম দল হিসেবে বিশ্বকাপের টিকিট কেটে ইরাক আবারও মনে করিয়ে দিল— ফুটবলে আনন্দ আর বেদনা পাশাপাশি হাঁটে।
দারুণ লড়াইয়ের পর ১-০ ব্যবধানে হার বাংলাদেশের

দারুণ লড়াইয়ের পর ১-০ ব্যবধানে হার বাংলাদেশের দারুণ সূচনা, একের পর এক আক্রমণ; সবকিছুই ছিল বাংলাদেশের পক্ষে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোলের অভাব আর একটি ভুলের মাশুল গুনে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ ব্যবধানে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে হাভিয়ের কাবরেরার দলকে। ম্যাচের শুরু থেকেই ছন্দে ছিল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধের শুরুতে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকে কয়েকটি ভালো সুযোগও তৈরি করে তারা। বিশেষ করে ১৪ মিনিটে সাদ উদ্দিনের নিখুঁত ক্রস থেকে সমিত সোমের হেড ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যাওয়া ছিল বড় আক্ষেপের মুহূর্ত। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিতে হয় ৩১ মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে হারিস স্টুয়ার্টের গোলে এগিয়ে যায় সিঙ্গাপুর। এক গোল পিছিয়ে বিরতিতে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ৪৯ মিনিটেই ফাহামিদুলের বুদ্ধিদীপ্ত খেলায় কর্নার আদায় করে দল। মোরছালিনের নেওয়া কর্নার থেকে হামজাকে লক্ষ্য করে বল ভাসানো হলেও তপুর ফাউলে সম্ভাবনাময় সুযোগটি নষ্ট হয়ে যায়। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করে লাল-সবুজরা। ৫৫ মিনিটে তপুর লম্বা থ্রো থেকে আরেকটি আক্রমণ গড়ে ওঠে। কিন্তু সিঙ্গাপুরের রক্ষণভাগ তা সহজেই সামাল দেয়। বাংলাদেশ আক্রমণে ধারাবাহিকতা রাখলেও শেষ মুহূর্তে ছিল না প্রয়োজনীয় নিখুঁততা। ৬১ মিনিটে চোটে পড়ে সিঙ্গাপুরের ইরফান ফান্দি মাঠে বসে পড়লে ম্যাচে কিছুটা ছন্দপতন ঘটে। এই সময়েই প্রথম পরিবর্তন আনেন কাবরেরা। ফাহিমের জায়গায় নামেন শাহরিয়ার ইমন। এরপর ৭২ মিনিটে আরও দুটি পরিবর্তন এনে আক্রমণে গতি বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। তবে ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগ আসে ৭৯ মিনিটে। মাঝমাঠের কাছ থেকে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে তৈরি আক্রমণে হামজা চৌধুরীর দারুণ ক্রস খুঁজে নেয় মিরাজুল ইসলামকে। কিন্তু তার নেওয়া প্রথম শটটি পোস্টে লেগে ফিরে আসে! সমতায় ফেরার সেরা সুযোগটি হাতছাড়া হওয়ায় হতাশায় ডুবে যায় বাংলাদেশ শিবির। শেষ ১০ মিনিটে মরিয়া হয়ে ওঠে সফরকারীরা। ৮৫ মিনিটে শমিত সোমের কর্নার থেকে তৈরি সুযোগও কাজে লাগাতে পারেনি দল। ফিরতি বলে তার শট সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে জমা পড়ে। অন্যদিকে, সময় ক্ষেপণ ও রক্ষণ জোরদার করতে একাধিক পরিবর্তন আনে সিঙ্গাপুর। শেষ মুহূর্তে চাপ বাড়ালেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। যোগ করা সময়সহ শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও স্কোরলাইন আর বদলায়নি। ম্যাচজুড়ে পারফরম্যান্সে পিছিয়ে না থেকেও গোলের সামনে ব্যর্থতা এবং রক্ষণে একটি ভুল; এই দুই কারণেই শেষ পর্যন্ত পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ নিতে হলো বাংলাদেশকে। অন্যদিকে সিঙ্গাপুরের জন্য জয়টি সহজ ছিল না। তবে সুযোগ কাজে লাগিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।
অনুমতি ছাড়া পোস্ট নয় ক্রিকেটারদের কড়া বার্তা পিসিবির

অনুমতি ছাড়া পোস্ট নয় ক্রিকেটারদের কড়া বার্তা পিসিবির পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত ক্রিকেটারদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। বিশেষ করে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ ও অনিয়ন্ত্রিত পোস্ট নিয়ে বোর্ড এখন বেশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। জিও নিওজের খবরে বলা হয়েছে, বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় চুক্তিভুক্ত কোনো ক্রিকেটার পিসিবির মিডিয়া বিভাগের পূর্বানুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো পোস্ট করতে পারবেন না। খেলোয়াড়দের তাদের চুক্তির সব শর্ত, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সংক্রান্ত নীতিমালা কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া খেলোয়াড়দের ম্যানেজারদেরও একই নির্দেশনা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। পিসিবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, রাজনৈতিক কোনো পোস্ট কোনো অবস্থাতেই গ্রহণযোগ্য হবে না। এখন থেকে ক্রিকেটারদের জনসম্মুখে দেওয়া বক্তব্য ও পোস্টের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কোনো বিতর্কিত পোস্ট করলে অন্তত এক কোটি পাকিস্তানি রুপি জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে। সম্প্রতি জাতীয় দলের পেসার নাসিম শাহের ওপর ২ কোটি রুপি জরিমানা আরোপের পরই এই কঠোর পদক্ষেপ নেয় পিসিবি। ২৩ বছর বয়সী এই পেসার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নেওয়াজকে নিয়ে বিতর্কিত টুইট করার কারণে শাস্তি পান। ঘটনার সূত্রপাত হয় চলমান পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)-এর ১১তম আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, যা লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন মরিয়াম নেওয়াজ। অনুষ্ঠানে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভিকে মরিয়াম নেওয়াজকে স্বাগত জানাতে এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে দেখা যায়। এর কিছুক্ষণ পরই নাসিম শাহর এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট করা হয়, যেখানে লেখা ছিল, ‘তাকে কেন লর্ডসে রানির মতো আচরণ করা হচ্ছে?’—যা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কের জন্ম দেয়। পরবর্তী সময় নাসিম দাবি করেন, তার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘নাসিমের এই অ্যাকাউন্টটি সম্প্রতি হ্যাক হয়েছিল, তবে এখন পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।’

বাংলাদেশ সিরিজের জন্য নিউজিল্যান্ডের দল ঘোষণা সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে চলতি মাসেই বাংলাদেশ সফরে আসছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। আসন্ন এই সফরের জন্য ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—দুই ফরম্যাটের আলাদা দল ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট। চোট কাটিয়ে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের প্রত্যাবর্তন এবং আইপিএলের কারণে নিয়মিত অধিনায়কের অনুপস্থিতিতে এক নতুন চেহারার কিউই দল দেখা যাবে এই সফরে। নিউজিল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার এর অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশ সিরিজে কিউইদের নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ ব্যাটার টম ল্যাথাম। দলে বড় খবর হচ্ছে – ম্যাট ফিশার, উইল ও’রুর্ক এবং ব্লেয়ার টিকনার চোট সারিয়ে দলে জায়গা করে নিয়েছেন। এর মধ্যে ও’রুর্ক ওয়ানডে দলে এবং টিকনার টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পেয়েছেন। অন্যদিকে ম্যাট ফিশার তার পারফরম্যান্স ও ফিটনেস প্রমাণ করে দুই ফরম্যাটের দলেই ডাক পেয়েছেন।
দুয়ের জোড়া গোলে ফ্রান্সের দাপুটে জয়

দুয়ের জোড়া গোলে ফ্রান্সের দাপুটে জয় ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে দুর্দান্ত জয়ের পর দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামে ফ্রান্স। যেখানে পুরো একাদশই বদলে ফেলেন কোচ দিদিয়ের দেশম। স্কোয়াডের গভীরতাই যেন মেলে ধরলেন তিনি। সেই দল উপহার দিল দারুণ পারফরম্যান্স। তাতে সফলই হলেন ২০১৮ বিশ্বকাপজয়ী কোচ। দেজিরে দুয়ের জোড়া গোলে ৩-১ ব্যবধানে কলম্বিয়াকে হারাল ফরাসিরা। ব্রাজিলের বিপক্ষে শুরুর একাদশে কিলিয়ান এমবাপে থাকলয়েও ফ্রান্সের বিপক্ষে মাথে নামেন বদলি হিসেবে ৭৮ মিনিটে। এই ম্যাচে গোল না পাওয়ার স্পর্শ করা হয়নি ফ্রান্সের হয়ে অলিভিয়ে জিরুর করা সর্বোচ্চ ৫৭ গোলের রেকর্ড। অবস্থান করছেন এখনও এক গোল দূরে। হাঁটুর চোট থেকে সেরে ওঠার পথে রয়েছেন এমবাপে, যে কারণে ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের হয়েও কিছু ম্যাচে খেলতে পারেননি। তুরামের অ্যাসিস্টে দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন দুয়ে। এরপর ৭৭ মিনিটে কলম্বিয়ার হয়ে ব্যবধান কমান জ্যামিন্তন কামপাস। ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স গত জুনের পর থেকে কোনো ম্যাচ হারেনি এবং বর্তমানে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান করছে দুইয়ে। অন্যদিকে ১৩ নম্বরে থাকা কলম্বিয়া এর আগে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল। আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের প্রথম গোল পাওয়ার দিনে হ্যাটট্রিকেরও সুযোগ ছিল দুয়ের সামনে। তবে ২০ বছর বয়সী এই উইঙ্গারকে ৬৩ মিনিটে তুলে হুগো একিতিকেকে নামান দেশম। এ ছাড়া কিলিয়ান এমবাপেসহ তিনি আরও চারটি বদলি নামান। বিপরীতে কলম্বিয়া তুলে নেয় হামেস রদ্রিগেজ ও লুইস দিয়াজকে লাতিন দেশটি কাঙ্ক্ষিত গোল পায় ৭৭ মিনিটে। কামপাজ সতীর্থের পাস বক্সে পেয়ে কোনাকুনি শটে গোলটি করেন। বদলি নামা ফরাসি অধিনায়ক এমবাপেও একবার বল জালে জড়ান। তবে গোল বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। তার আরেকটি শট গোললাইন থেকে ফেরান কলম্বিয়ান ডিফেন্ডার। তবে ৩-১ ব্যবধানে জয় পেতে অসুবিধা হয়নি ফ্রান্সের। দুই জয় নিয়েই তারা ফিফার মার্চ উইন্ডো শেষ করল। বিপরীতে, ফ্রান্সের আগে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল কলম্বিয়া।
রোহিত-রিকেল্টনের তাণ্ডবে রেকর্ড জয় মুস্বাইয়ের

রোহিত-রিকেল্টনের তাণ্ডবে রেকর্ড জয় মুস্বাইয়ের দীর্ঘ এক যুগের অবসান। ২০১২ সালের পর প্রথমবারের মতো আইপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়ের দেখা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেল্টনের তাণ্ডবে রেকর্ড গড়েই জিতল মুম্বাই। ২৯ মার্চ মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় আইপিএলের অন্যতম সফল এই দুই দল। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান সংগ্রহ করে কলকাতা। জবাব দিতে নেমে রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেলটনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে ১৯.১ ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় মুম্বাই। আইপিএল ইতিহাসে এটিই মুম্বাইয়ের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়। এর আগে ২০২১ সালের টুর্নামেন্টে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ২১৯ রান তাড়া করে জিতেছিল দলটি। আর এই জয়ে ১৩ বছরের অপেক্ষা ঘুচিয়ে আসরের প্রথম ম্যাচ জিতল তারা। বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই কলকাতাকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেল্টন। দুজনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে প্রথম ৬ ওভারে ৮০ রান করে ফেলে মুম্বাই। পরে একই ছন্দে এগিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে মাত্র ৭১ বলে ১৪৮ রান যোগ করেন তারা। প্রায় ৯ মাস পর টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে ৩ চার ও ৫ ছক্কায় মাত্র ২৩ বলে আইপিএল ক্যারিয়ারের ৫০তম ফিফটি করেন রোহিত। আইপিএলে এটিই তার দ্রুততম ফিফটি। অন্য প্রান্তে ঝড় তোলা রিকেল্টন ২ চারের সঙ্গে ৬টি ছক্কা মেরে ২৪ বলে করেন ফিফটি। দ্বাদশ ওভারে বৈভব অরোরার বলে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হন রোহিত। ৬টি করে চার-ছক্কায় ৩৮ বলে তিনি করেন ৭৮ রান। এ নিয়ে কলকাতার বিপক্ষে তার রান হলো ১ হাজার ১৬১। আইপিএলে এত দিন নির্দিষ্ট দলের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান ছিল বিরাট কোহলির, পাঞ্জাবের বিপক্ষে ১ হাজার ১৫৯। এরপর সূর্যকুমার যাদব বেশি কিছু করতে পারেননি। ৩ চারে ৮ বলে ১৬ রান করে ফিরে যান অভিজ্ঞ ব্যাটার। অনুকূল রায়ের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে রান আউট হন রিকেল্টন। ফেরার আগে ৪ চারের সঙ্গে ৮ ছক্কায় ৪৩ বলে ৮১ রান করেন প্রোটিয়া উইকেটকিপার-ব্যাটার। পরে জয় পেতে তেমন বেগ পায়নি মুম্বাই। ৪ চারে ১৪ বলে ২০ রান করে আউট হন তিলক বর্মা। আর ১১ বলে ১৮ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকে ঝড় তোলেন কলকাতার দুই ওপেনার ফিন অ্যালেন ও অজিঙ্কা রাহানে। দুজন মিলে মাত্র ৩২ বলে গড়েন ৬৯ রানের জুটি। ৬ চার ও ২ ছক্কায় মাত্র ১৭ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন অ্যালেন। তিন নম্বরে নেমে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ক্যামেরন গ্রিন। ১০ বলে ১৮ রান করে ফিরলে ভাঙে ২১ বলে ৪০ রানের জুটি। অন্য প্রান্তে তাণ্ডব চালিয়ে যান রাহানে। ৩ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মেরে ২৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন কলকাতা অধিনায়ক। পঞ্চাশের পর অবশ্য তেমন কিছু করতে পারেননি রাহানে। সব মিলিয়ে ৩ চার ও ৫ ছক্কায় ৪০ বলে ৬৭ রান করে আউট হন অভিজ্ঞ ব্যাটার। এরপর ঝড় তোলেন আঙ্কৃশ রঘুবংশী ও রিঙ্কু সিং। দুজনের জুটিতে আসে ৩০ বলে ৬০ রান। মাত্র ২৯ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলে আউট হন রঘুবংশী। ২১ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু। মুম্বাইয়ের হয়ে ৩৯ রানে ৩ উইকেট নেন শার্দুল ঠাকুর
বিশ্বকাপ ‘দমন-পীড়ন ও স্বৈরতন্ত্রের মঞ্চে’ পরিণত হতে পারে

বিশ্বকাপ ‘দমন-পীড়ন ও স্বৈরতন্ত্রের মঞ্চে’ পরিণত হতে পারে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শুরু হতে দুই মাসের বেশি সময় বাকি রয়েছে। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দেশের অংশগ্রহণে এবারের আসর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১১ জুন উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশ সময় একটায় এ ম্যাচ শুরু হবে। তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে উত্তর আমেরিকার তিনটি দেশে আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপ ‘দমন-পীড়নের মঞ্চ এবং স্বৈরাচারী কার্যকলাপের মঞ্চে’ পরিণত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে উঠে এসেছে। বিশ্বকাপে অধিকার রক্ষা ও দমনপীড়ন মোকাবিলায় তিনটি আয়োজক দেশের ভক্ত, খেলোয়াড়, সাংবাদিক, শ্রমিক এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য সংস্থাটির ভাষায় ‘গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিগুলোর’ বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে, যা বিশ্বকাপে প্রভাব বিস্তার করবে। আজ লন্ডনভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থার ‘মানবতার জয় আবশ্যক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ভক্ত, খেলোয়াড় এবং অন্যান্য সম্প্রদায়কে রক্ষা করার জন্য ফিফা এবং আয়োজক দেশসমহূকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যদিও ফিফা প্রত্যেকর জন্য ‘নিরাপদ, অন্তর্ভুক্ত এবং তাদের অধিকার প্রয়োগে স্বাধীনতা নিশ্চিতের মাধ্যমে টুর্নামেন্টে আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে অ্যামনেস্টি বলছে, এই প্রতিশ্রুতি তিনটি আয়োজক দেশের বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তব পরিস্থিতির ‘তীব্র বিপরীত’, যেখানে নিউ জার্সিতে ফাইনালসহ ৭৮টি ম্যাচ ১১টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। অ্যামনেস্টির প্রতিবেদনে ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ‘মানবাধিকার জরুরি অবস্থার’ সম্মুখীন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আগ্রাসী নির্বাসন প্রচেষ্টা, নির্বিচারে গ্রেফতার এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর ‘আধাসামরিক ধাঁচের’ অভিযানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। আইসিই-এর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক গত মাসে ‘বিশ্বকাপের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ’ হবে বলে জানিয়েছেন। জানুয়ারিতে মিনিয়াপোলিসে আইসিই-এর আগ্রাসন বিরোধী অভিযানের প্রতিবাদকারী দুই মার্কিন নাগরিককে হত্যার ঘটনায় সৃষ্ট ক্ষোভ সত্ত্বেও এ পদক্ষেপের কথা জানিয়েছিল। এর সঙ্গে উচ্চ মাত্রার সহিংসতার জবাবে মেক্সিকোর প্রতিক্রিয়া শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের বিষয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে। অ্যামনেস্টি বলেছে, বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী আইভরি কোস্ট, হাইতি, ইরান এবং সেনেগালে নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, পাশাপাশি ইংল্যান্ড ও ইউরোপ জুড়ে থাকা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্য নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এছাড়া আয়োজক শহরগুলোর কোনো পরিকল্পনাতেই ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এর সমর্থকদের নিরাপত্তা বিষয়ে কোনো উদ্যোগের বিষয়টি উল্লেখ করেনি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই বিশ্বকাপটি ফিফার একসময়কার ‘মাঝারি ঝুঁকির’ টুর্নামেন্ট থেকে অনেক দূরে এবং টুর্নামেন্টের মূল প্রতিশ্রুতি ও আজকের বাস্তবতার মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান পূরণের জন্য জরুরি প্রচেষ্টার ঘাটতি রয়েছে। ফিফা এই মাসের শুরুতে বলেছিল, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে ইরানের উপস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও ইতিহাসের বৃহত্তম বিশ্বকাপে সব দলের অংশগ্রহণে ‘নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী’ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও গত বছর ট্রাম্পকে নতুন সৃষ্ট ‘শান্তি পুরস্কার’ প্রদানের সিদ্ধান্তের জন্য তীব্র সমালোচিত হয়েছে। অ্যামনেস্টির অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার বিভাগের প্রধান স্টিভ ককবার্ন বলেন, ফিফা বিশ্বকাপ থেকে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আয় করলেও, ভক্ত, সম্প্রদায়, খেলোয়াড়, সাংবাদিক এবং কর্মীদের এর মূল্য দিতে বাধ্য করা যায় না।ফুটবল এই মানুষগুলোরই—সরকার, ফিফা বা স্পনসরদের নয়—এবং এই টুর্নামেন্টের কেন্দ্রবিন্দুতে তাদের অধিকারই থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, ১৬টি আয়োজক শহরের মধ্যে মাত্র চারটি পক্ষ এখন পর্যন্ত তাদের মানবাধিকার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে। যারা এখন পর্যন্ত প্রকাশ করেছে, তাদের কোনোটিতেই নিপীড়নমূলক অভিবাসন প্রয়োগ থেকে সুরক্ষার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। বিশ্বকাপের বাস্তবতা যেন এর মূল প্রতিশ্রুতির সঙ্গে মেলে, তা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান তিনি।
দেশে ফিরে বিসিবিতে বুলবুল

দেশে ফিরে বিসিবিতে বুলবুল অস্ট্রেলিয়া গিয়ে আর দেশে ফিরবেন না, এমন সব গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাতে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিডনি থেকে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। এরপর আজ রোববার দুপুরেই বিসিবি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে নিজের দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছেন সাবেক এই অধিনায়ক। সবশেষ নির্বাচনের পর থেকেই বিসিবিতে একধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। ক্লাব সংগঠকদের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে থমকে আছে ঘরোয়া ক্রিকেট। এর মধ্যে রমজানের আগে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে বুলবুল অস্ট্রেলিয়ায় গেলে গুঞ্জন রটে, তিনি হয়তো দেশ ছেড়েছেন এবং সভাপতির পদ হারাতে যাচ্ছেন। তবে দেশে ফিরে তিনি প্রমাণ করলেন, এসব খবর একেবারেই ভিত্তিহীন। কিছুদিন আগে তামিম ইকবালসহ প্রায় ৫০ জন ক্লাব সংগঠক জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) গিয়ে বর্তমান বোর্ডকে অবৈধ দাবি করে দ্রুত নির্বাচনের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিসিবি নির্বাচনে কোনো অনিয়ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে কিনা, তা যাচাইয়ে পাঁচ সদস্যের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে এনএসসি। যদিও রমজান ও ঈদের ছুটির কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারেননি তারা। তবে দ্রুতই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। তদন্ত চলাকালীন বিসিবি পরিচালক, অভিযোগকারীসহ সবার সঙ্গে কথা বলবেন তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের লিগে প্রথমবার ভারতীয় ক্রিকেটার

যুক্তরাষ্ট্রের লিগে প্রথমবার ভারতীয় ক্রিকেটার ভারতীয় ক্রিকেটারদের দেশের বাইরের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার অনুমতি দেয় না তাদের বোর্ড। তবে আইপিএলে না খেলা ও জাতীয় দল থেকে অবসরে যাওয়া ক্রিকেটারদের সুযোগ থাকে বিদেশের লিগে খেলার। অবসরে যাওয়ায় বিগ ব্যাশের দল সিডনি থান্ডারের সঙ্গে চুক্তি করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। যদিও খেলা হয়নি হাঁটুর ইনজুরির কারণে। সেবার তিনি হতাশ হলেও এবার সুযোগ মিলছে দেশের বাইরের আরেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার। ভারতের প্রথম সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটে। টুর্নামেন্টের দল সান ফ্রান্সিস্কো ইউনিয়কর্নসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ডালাস ফোর্ট ওর্থ এরিয়ায় একটি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেছেন তিনি। আর সেই ম্যাচই মূলত তাকে অনুপ্রাণিত করেছে এমএলসি ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হতে। গতকাল শনিবার ইএসপিএনকে তিনি বলেছেন, ‘ওই ম্যাচে এশিয়ার প্রবাসীদের যে প্রতিক্রিয়া দেখেছি, তাতেই বুঝতে পেরেছি আমেরিকান ক্রিকেটের সম্ভাবনা কতটা প্রবল হতে পারে। এটা সত্যিই রোমাঞ্চকর। এটাই হবে অশ্বিনের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশগ্রহণ ভারতের বাইরে। এমএলসিতে অশ্বিনের দল সান ফ্রান্সিস্কো এখন পর্যন্ত একবারও মেজর লিগ ক্রিকেটের শিরোপা জেতেনি। ২০২৪ সালের ফাইনাল খেললেও হারতে হয়েছিল ওয়াশিংটন ফ্রিডমের কাছে। আগামী ১৮ জুন থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ছয় দলের মেজর লিগ ক্রিকেট।
বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত এখনো বহাল

বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত এখনো বহাল বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) সম্প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হয়েছে এমন সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আজ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়েছে,‘বিগত সরকারের সিদ্ধান্ত এখনো বহাল আছে। আইপিএল সম্প্রচার সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত কেবল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পরামর্শের ভিত্তিতে গ্রহণ করা হবে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল সরকার’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় এটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে ভুল বোঝাবুঝি দূর করার জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রতিবাদলিপি প্রচারের অনুরোধ জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, আইপিএল সম্প্রচার সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।