বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা প্রথম ওয়ানডে আগামীকাল

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা প্রথম ওয়ানডে আগামীকাল টেস্ট সিরিজ শেষ। এবার ওয়ানডেতে মুখোমুখি হওয়ার পালা। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা এবারের দ্বিপক্ষীয় সিরিজে তিনটি ওয়ানডে খেলবে। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচ আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে হবে ম্যাচটি। দিবারাত্রির ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় শুরু হবে। সরাসরি দেখাবে টি স্পোর্টস। দুই দলের এটি একাদশতম দ্বিপক্ষীয় সিরিজ। এর আগের দশ দ্বিপক্ষীয় সিরিজের ছয়টিতে শ্রীলঙ্কা জিতেছে। বাংলাদেশের জয় দুটিতে। দুটিতে সিরিজ অমীমাংসিত থেকে। এছাড়া মহাদেশীয়, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা মিলিয়ে দুই দল ৫৭ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। যেখানে সাফল্যের হার বেশি শ্রীলঙ্কারই। ৪৩ ম্যাচে জিতেছে তারা। বাংলাদেশ তাদের হারাতে পেরেছে ১২ ম্যাচে। ২ ম্যাচে কোনো ফল আসেনি। তবে অতীতের পরিসংখ্যানের সঙ্গে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে ব্যবধান রয়েছে। দুই দলের সবশেষ দুই দ্বিপক্ষীয় সিরিজ বাংলাদেশ জিতেছে। এছাড়া শেষ ৯ মুখোমুখি লড়াইয়ের ৫টিতেই জিতেছে বাংলাদেশ। যেখানে ২০২৩ সালের দিল্লির বিশ্বকাপের ম্যাচও রয়েছে। টাইমড আউটের কারণে যে ম্যাচ স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। লম্বা সময় পর বাংলাদেশ এবার পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে শ্রীলঙ্কা গেছে। সবশেষ ২০১৭ সালে দুই টেস্ট, তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলেছিল দুই দল। এবারও টেস্ট সিরিজ দিয়ে শুরু হয়েছিল সফর। গলে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দারুণ পারফর্ম করেছিল। একটু সাহসিকতা দেখালে ম্যাচটা নিজেদের পক্ষেও আনতে পারত। কিন্তু কলম্বোর এসএসসিতে দ্বিতীয় ম্যাচে অসহায় আত্মসমর্পণ করে বাংলাদেশ। যার ফলে টেস্ট সিরিজ খোয়াতে হয় ১-০ ব্যবধানে। একই সঙ্গে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চতুর্থ চক্রে একটি পরাজয়কে সঙ্গী করে বাংলাদেশ। এবার ওয়ানডের পালা। দুই বছর পর বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কায় ওয়ানডে খেলবে। সবশেষ এশিয়া কাপে দুই দলের দেখা হয়েছিল। এরপর দিল্লি ও চট্টগ্রামে চার ওয়ানডে খেলে দুই দল। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সফরে গিয়ে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হারায় শ্রীলঙ্কা। এবার ঘরের মাঠে তারা কী প্রতিশোধ নিতে পারবে? সময়ের কাছেই প্রশ্নটা তোলা থাক। এই ম্যাচ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হবে মেহেদী হাসান মিরাজের। শান্তর কাছ থেকে অধিনায়কত্ব ‘ছিনিয়ে’ মিরাজকে ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয়েছে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত ভালোভাবে নেননি শান্ত। এজন্য টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন। যা নিশ্চিতভাবেই মিরাজের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে যাচ্ছে। মিরাজকে এর আগেও অস্থায়ী অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে শান্তর অনুপস্থিতিতে। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। যেখানে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ। এবার মিরাজ যুগ পাকাপাকিভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। এবার তার অধীনে বাংলাদেশ কেমন করে সেটাই দেখার।

ম্যানসিটিকে কাঁদিয়ে রূপকথার জয়ে শেষ আটে আল হিলাল

ম্যানসিটিকে কাঁদিয়ে রূপকথার জয়ে শেষ আটে আল হিলাল ক্লাব বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে সবচেয়ে বড় চমক দেখালো সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলাল। রূপকথার জয়ে ম্যানচেস্টার সিটিকে বিদায় করে কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছে গেল আল হিলাল। বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকাল পৌনে ১০টায় শেষ হওয়া ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো রোমাঞ্চে ঠাসা ম্যাচে পেপ গুয়ার্দিওলার দলকে ৪-৩ গোলে হারায় সৌদি আরবের ক্লাবটি। আল হিলালের জয়ের নায়ক মার্কোস লেওনার্দো। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা দলকে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতায় ফেরান ২২ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। পরে ১১৩তম মিনিটে জয়সূচক গোলটিও করেন তিনি। আরেক ব্রাজিলিয়ান মালকমও করেন একটি গোল। আল হিলালের বাকি গোলটি করেন সেনেগালের ডিফেন্ডার কালিদু কুলিবালি। ম্যাচজুড়ে অসাধারণ পারফরম্যান্সে বারবার দলকে রক্ষা করেন আল হিলালের গোলকিপার বোনু। ম্যান সিটির হয়ে জালের দেখা পান বের্নার্দো সিলভা, আর্লিং হালান্ড ও ফিল ফোডেন। অরল্যান্ডোর ক্যাম্পিং ওয়ার্ল্ড স্টেডিয়ামে বল নিয়ন্ত্রণে রাখা, গোলে শট, সব পরিসংখ্যানেই অনুমিতভাবেই বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যাচের ৬৯ শতাংশ সময় বল ছিল তাদের কাছে। গোলে ৩০টি শট নেয় তারা, এর ১৪টি ছিল লক্ষ্যে। কিন্তু কাজে লাগে কেবল ৩টি। আল হিলাল গোলে শট নেয় ১৭টি। তবে লক্ষ্যে ছিল কেবল ৬টি। এর ৪টিতেই সফল হয়ে বাজিমাত করে তারা। ম্যাচের নবম মিনিটে জটলা থেকে গোল করে সিটিকে এগিয়ে দেন বের্নার্দো সিলভা। তবে আল হিলালের ফুটবলারদের জোর প্রতিবাদে কান দেননি রেফারি। ২৪তম মিনিটে আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ পায় সিটি। এবার হালান্ডের পাস থেকে বক্সের ভেতর বল পেয়ে সাভিনিয়ো গোলকিপার বোনুকে কাটিয়ে যান। কিন্তু বোনু হাল ছাড়েননি। নিজেকে দ্রুত সামলে নিয়ে সাভিনিয়োর শট ঠেকিয়ে দেন তিনি। সিটির আক্রমণ চলতে থাকে। ৩০, ৩৮ ও ৪৪তম মিনিটে তিন দফায় দলকে রক্ষা করেন বোনু। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে বদলে যায় চিত্র। প্রথম মিনিটেই সমতায় ফেরে আল হিলাল। বিপজ্জনকভাবে বল নিয়ে সিটির বক্সে ঢুকে যান মালকাম। জটলার মধ্যে এক পর্যায়ে তার শট ফিরিয়ে দেন সিটির গোলকিপার এদেরসন, কিন্তু সিটির একজনের পায়ে লেগে আসা বলে হেড করে জালে পাঠান লেওনার্দো। ছয় মিনিট পর আল হিলাল এগিয়ে যায় চোখধাঁধানো এক পাল্টা আক্রমণে। নিজেদের বক্সের ঠিক বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক পাস বাড়ান জোয়াও কান্সেলো। মাঝমাঠের একটু ওপর থেকে বল নিয়ে গুলির বেগে এগিয়ে যান মালকাম, সিটির বক্সে ঢুকে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন তিনি নিখুঁত ফিনিশিংয়ে। মিনিট তিনেক পরই কর্নার থেকে জটলার মধ্যে হালান্ডের টোকায় সমতায় ফেরে সিটি। সিটি এরপর দফায় দফায় আক্রমণ করতে থাকে। কিন্তু কখনও অল্পের জন্য বল চলে যায় বাইরে দিয়ে, কখনও বাধার দেয়াল হয়ে দাঁড়ান বোনু। ৮৫তম মিনিটে বোনুর দারুণ এক সেভের পর ফিরতি বলে গোললাইন থেকে কোনোমতে রক্ষা করেন আল হিলালের আলি লাজামি। একটু পরই বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া রুবেন দিয়াসের জোরাল শট ঠেকান বোনু। ৯০ মিনিট শেষে অতিরিক্ত সময়ের পঞ্চম মিনিটে রুবেন নেভেসের কর্নার থেকে দারুণ হেডে আল হিলালকে এগিয়ে দেন কুলিবালি। ১০৪তম মিনিটে গোছানো আক্রমণ থেকে হায়ান শেহকির অসাধারণ ক্রস থেকে ফোডেনের চমৎকার ফিনিশিংয়ে আবার সমতায় ফেরে সিটি। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি পেপ গার্দিওলার দলের। ১১৩তম মিনিটে সের্গেই মিলিনকোভিচের হেড ডাইভ দিয়ে রক্ষা করেন সিটি গোলকিপার, কিন্তু বল যায় সামনেই থাকা লেওনার্দোর কাছে। বল তার পেটে লাগার পর তিনি পড়িমরি করে পড়ে গেলেও কোনেরকমে পা ছুঁইয়ে পাঠাতে পারেন জালে। পরের সময়টায় গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সিটি। এর ফাঁকে সুযোগ পেয়ে পাল্টা আক্রমণ করে আল হিলাল। কিন্তু দুই দলের খেলায়ই তো ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট। কোনো দলই আর গোল করতে পারেনি। এ দিনের আগের এক ম্যাচে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রানার্স আপ ইন্টার মিলানকে ২-০ গোলে হারিয়ে চমক দেখায় ফ্লুমিনেসি। তাদের সঙ্গেই কোয়ার্টার-ফাইনালে লড়বে আল হিলাল। এটি তাই নিশ্চিত, সেমি-ফাইনালে খেলবে ব্রাজিল কিংবা সৌদি আরবের একটি ক্লাব।

হারের সঙ্গে শেষ হলো ডি মারিয়ার ইউরোপ অধ্যায়

হারের সঙ্গে শেষ হলো ডি মারিয়ার ইউরোপ অধ্যায় ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর একপাশে উদযাপনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন চেলসির খেলোয়াড় থেকে কোচিং স্টাফের সদস্যরা। অন্যপাশে হতাশা নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন বেনফিকার ফুটবলাররা। মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে অঝরে চোখের পানি ফেলছিলেন আনহেল ডি মারিয়া। কেননা চেলসির কাছে হারের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পাশাপাশি এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির ইতি টানলেন ইউরোপ অধ্যায়ের। ২০০৭ সালে তরুণ ডি মারিয়া আর্জেন্টাইন ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রাল ছেড়ে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন নিয়ে ফুটবলের সব চেয়ে বড় বাজার ইউরোপে পা রাখেন। ইউরোপে তার শুরুর গন্তব্য ছিল এই বেনফিকা। এরপর মাঝখানে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, পিএসজি এবং জুভেন্টাসের মতো ইউরোপ কাঁপানো দলগুলোতে খেলেছেন। ক্যারিয়ারের গোধূলি বেলায় ৩৭ বছর বয়সে আবারও ফিরে যাবেন শৈশবের ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রাল থেকে। সেখান থেকে টানতে চান বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি।  

 লড়াই শেষে কোয়ার্টার ফাইনালে পালমেইরাস ও চেলসি

লড়াই শেষে কোয়ার্টার ফাইনালে পালমেইরাস ও চেলসি ক্লাব বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব পালমেইরাস এবং ইংলিশ ক্লাব চেলসি। শনিবার (২৮ জুন) শেষ ষোলোর প্রথম ম্যাচে পালমেইরাস ১-০ গোলে হারিয়েছে স্বদেশি ক্লাব বোতাফাগোকে। নক আউটের দ্বিতীয় ম্যাচে চেলসি ৪-১ গোলে হারায় পর্তুগালের ক্লাব বেনফিকাকে। ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ড স্টেডিয়ামে ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোল করতে পারেনি পালমেইরাস ও বোতাফাগো। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকায় ম্যাচটি অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গড়ায়। সেখানে ১০০ মিনিটে গোল করেন বদলি হিসেবে খেলতে নামা পালমেইরাসের পলিনহো। ডান দিক থেকে বল নিয়ে বোতাফাগোর দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের ভেতর পলিনহোর দারুণ শটে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় পালমেইরাস। ১১৬ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় পালমেইরাস। ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন গুস্তাভো গোমেজ। শেষ পর্যন্ত পলিনহোর গোলে জয়ের স্বাদ নিয়ে শেষ আটের টিকিট পায় পালমেইরাস। ম্যাচ শেষে পালমেইরাস কোচ আবেল ফেরেইরা বলেন, ‘আমরা ভাল একটি ম্যাচ খেলেছি। পুরো ৯০ মিনিট এবং অতিরিক্ত সময়েও ভালো খেলেছে দল। জয়টা প্রাপ্য ছিল। জয়ের ধারা অব্যাহত রাখাই দলের মূল লক্ষ্য।’ এদিকে, চার্লটে নক আউটের দ্বিতীয় ম্যাচে চেলসি ও বেনফিকার মধ্যকার ম্যাচে প্রথমার্ধে কোন দলই গোল করতে পারেনি। ম্যাচের ৬৪ মিনিটে প্রথম গোল পায় চেলসি। রিস জেমসের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে ১-০ ব্যবধানের লিড ধরে রেখে জয়ের পথেই ছিল চেলসি। তবে ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় অর্থাৎ ৯২ মিনিটে জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বেনফিকা। ৯৫ মিনিটে চেলসির মালো গুস্তোর হাতে বল লাগলে পেনাল্টি পায় বেনফিকা। পেনাল্টি থেকে ডি মারিয়া গোল করে ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে ড্র হলে অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচটি। অতিরিক্ত সময়ের ১০৮ থেকে ১১৭ মিনিটের মধ্যে ৩ গোল করে জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেলসি। এ সময় দলের হয়ে গোল করেন ক্রিস্টোফার এনকুকু, পেদ্রো নেতো ও কিয়ারন ডিউসবুরি। আগামী শুক্রবার কোয়ার্টার ফাইনালে পালমেইরাসের বিপক্ষে খেলবে চেলসি।

‘অভিমান নয়, দলের ভালোর জন্য’—নেতৃত্ব ছাড়ার কারণ জানালেন শান্ত

‘অভিমান নয়, দলের ভালোর জন্য’—নেতৃত্ব ছাড়ার কারণ জানালেন শান্ত ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু বছর না ঘুরতেই একে একে তিন ফরম্যাট থেকেই নেতৃত্ব ছাড়ছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। সর্বশেষ, কলম্বো টেস্টে শ্রীলঙ্কার কাছে ইনিংস ও ৭৮ রানে পরাজয়ের পর টেস্ট অধিনায়কত্ব থেকেও সরে দাঁড়ালেন তিনি। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, ‘আমার একটা ঘোষণা আছে। আমি বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। এই ফরম্যাটে আমি আর নেতৃত্ব দিতে চাই না। এটা ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয়, একান্তই দলের স্বার্থে নেওয়া সিদ্ধান্ত। আমি বিশ্বাস করি, এতে দলের উপকার হবে। ’ তিনি বলেন, তিন ফরম্যাটে তিনজন অধিনায়ক থাকাটা দলীয় কাঠামোর জন্য উপযোগী নয়। তার ভাষায়, ‘গত কয়েক বছর ধরে আমি এই ড্রেসিংরুমে আছি। আমার ব্যক্তিগত মত, তিন ফরম্যাটে তিন অধিনায়ক থাকলে দল বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। বোর্ডের ভিন্ন মত থাকতে পারে, আমি সেটা সম্মান করি। তবে আমি মনে করি, দলের ভালোই হবে যদি আমি সরে দাঁড়াই। ’ সম্প্রতি ওয়ানডে দলের অধিনায়ক করা হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজকে। তার আগেই টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছেড়েছিলেন শান্ত নিজেই। ফলে এমন সিদ্ধান্তের পেছনে ‘অভিমান’ কাজ করছে কি না—এই প্রশ্নও উঠেছে। শান্ত সেটা পরিষ্কারভাবে নাকচ করে বলেন, ‘আমি চাই না কেউ ভাবুক, এটা ওয়ানডে অধিনায়কত্ব হারানোর কোনো প্রতিক্রিয়া। এটা সম্পূর্ণ পেশাদার একটি সিদ্ধান্ত, দলের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই নেওয়া। ’ তিনি আরও জানান, কয়েক দিন আগেই ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগকে সিদ্ধান্তটি জানিয়ে রেখেছিলেন। এর আগে গত বছরই শান্ত নেতৃত্ব ছাড়তে চেয়েছিলেন। তবে তৎকালীন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন তার অনুরোধে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন শান্ত। সেবার তিনি শুধু টি-টোয়েন্টির দায়িত্বটা ছেড়ে দেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে, অধিনায়কত্ব পেয়ে শান্ত আরও পরিণত হয়েছেন ব্যাট হাতে। যেখানে টেস্ট ক্যারিয়ারে তার গড় ৩২, সেখানে অধিনায়ক হিসেবে সেই গড় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬-এ। টেস্টে তার ৭টি সেঞ্চুরির মধ্যে ৩টিই এসেছে অধিনায়ক থাকা অবস্থায়, সঙ্গে আছে আরও দুটি ফিফটি।

কলম্বো টেস্টে হেরে অধিনায়কত্ব ছাড়লেন শান্ত

কলম্বো টেস্টে হেরে অধিনায়কত্ব ছাড়লেন শান্ত কলম্বো টেস্ট শুরুর আগেই গুঞ্জন ছিল নেতৃত্ব ছাড়তে পারেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর সেই গুঞ্জনে সিলমোহর পড়ল। বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়লেন শান্ত। শনিবার (২৮ জুন) ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তিনি। টেস্টের নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়ে শান্ত বলেন, ‘আমার একটা ঘোষণা ছিল আমি বাংলাদেশ দলের টেস্ট অধিনায়কত্বের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিচ্ছি। আমি টেস্ট ফরম্যাটে আর অধিনায়কত্ব চালিয়ে যেতে চাই না।’ শান্ত বলেন, ‘আমি একটা জিনিস সবাইকে ক্লিয়ারলি মেসেজটা দিতে চাই যে, এটা কোনো পারসোনাল (ব্যক্তিগত) কিছু না। এটা দলের ভালোর জন্যই এই সিদ্ধান্তটা নেওয়া এবং এটাতে দলের ভালো কিছু হবে বলে আমি মনে করি। আমার ব্যক্তিগত মতামত যে তিন অধিনায়ক একটু ডিফিকাল্ট হতে পারে। পুরোটা দলের ভালোর জন্য আমি এখান থেকে সরে এসেছি।’ সম্প্রতি ওয়ানডে ফরম্যাটের অধিনায়ক হিসেবে নাজমুল হোসেন শান্তকে সরিয়ে দেয় বিসিবি। তার জায়গায় এসেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। এর আগে শান্ত নিজেই টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন ব্যাটিংয়ে মনোযোগী হতে। সেইসময় বোর্ডকেও জানিয়েছিলেন, তিনি টেস্ট ও ওয়ানডে দল চালাতে চান। বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল পরবর্তীতে বলেছিলেন, শান্তর অধিনায়কত্ব (ওয়ানডে) কেড়ে নেওয়া হয়নি। বরং বোর্ডের সবার সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকি শান্ত নিজেও খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতায় এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছিলেন বোর্ড সভাপতি।

ইনিংস হারের শঙ্কায় বাংলাদেশ, চমক রেখে দল ঘোষণা শ্রীলঙ্কার

ইনিংস হারের শঙ্কায় বাংলাদেশ, চমক রেখে দল ঘোষণা শ্রীলঙ্কার   কলম্বো টেস্টে চরম বিপদে পড়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনেই ইনিংস হার উঁকি দিচ্ছে টাইগারদের। প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার নেয়া ২১১ রানের লিডের জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়েছে সফরকারীরা। ৯৬ রানে পিছিয়ে থেকে ৬ উইকেট হারিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়ে ফের ব্যর্থ হন ওপেনার এনামুল হক বিজয়। তার বিদায়ের পরই আউট হন আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম। এরপর মুনিলুল হক ও শান্ত মিলে প্রতিরোধ গড়া চেষ্টা করেন। মুমিনুল ১৫ ও শান্ত ১৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস মিলে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। তবে দিনের শেষ বেলায় আরও দুই উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার পক্ষে প্রবাথ জয়সুরিয়া ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। এদিকে, চলমান টেস্ট সিরিজ শেষে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে শ্রীলঙ্কা। আজ আসন্ন এই সিরিজেকে সামনে রেখে ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কাকে নেতৃত্ব দেবেন চারিথ আসালাঙ্কা। ১৬ সদস্যের এই দলে একমাত্র নতুন মুখ মিলান রতœনায়েকে। আগামী ২ জুলাই শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ। একই মাঠে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ হবে আগামী ৫ জুলাই। আর সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ হবে ৮ জুলাই। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে পাল্লেকেলেতে।

শ্রীলঙ্কায় গেল ওয়ানডে দলে আরো ১০ জনের বহর

শ্রীলঙ্কায় গেল ওয়ানডে দলে আরো ১০ জনের বহর কলম্বোতে চলছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার সিরিজের শেষ টেস্ট। এদিকে একই সময়ে ওয়ানডে সিরিজের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ দুপুরে শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছেন বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের ১০ সদস্যের বহর। এই বহরে রয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব, পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, রিশাদ হোসেন, তাওহীদ হৃদয়সহ স্কোয়াডের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। দলের কন্ডিশনিং কোচ নাথান কেলিও এই বহরে আছেন। গত ২৩ জুন ১৬ সদস্যের ওয়ানডে দল ঘোষণা করে বিসিবি। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ওপেনার নাঈম শেখ। আগামী ২ জুলাই কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শুরু হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৫ জুলাই, আর সিরিজের শেষ ওয়ানডে হবে ৮ জুলাই পাল্লেকেলেতে। বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াড (শ্রীলঙ্কা সিরিজ)-এ আছেন-মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন দাস, জাকের আলি অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও হাসান মাহমুদ।

তাইজুলের ফাইফারে ৪৫৮ রানে অলআউট শ্রীলঙ্কা

তাইজুলের ফাইফারে ৪৫৮ রানে অলআউট শ্রীলঙ্কা গল টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৫৮ রানে অলআউট হয়ে ২১১ রানের লিড তুলে নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের হয়ে একাই লড়েছেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। নিয়েছেন ৫ উইকেট। দিনের শুরুতে ২ উইকেটে ২৯০ রানে খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। তবে আজ দুই সেশনে ৩৮.৫ ওভারে ১৬৮ রান তুলতেই গুটিয়ে যায় দলটি। এই সময়ে হারায় বাকি ৮ উইকেট। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ১১৭তম ওভারের শুরুতে। সেই সময় ইনিংসের সবচেয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটার কুশল মেন্ডিস রান আউট হয়ে ফিরে যান। ৮৪ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তিনি, মাত্র ৮৭ বলে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংসটি। ওই ওভারেই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট এনে দেন তাইজুল ইসলাম। শর্ট বল খেলতে গিয়ে মিড-অন অঞ্চলে সাদমান ইসলামের হাতে ধরা পড়েন আসিথা ফার্নান্ডো। এই উইকেটটি নিয়েই ইনিংসে নিজের ৫ উইকেট পূর্ণ করেন তাইজুল। যা দেশের বাইরে তার পঞ্চমবার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি। সবমিলিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ১৭তম ফাইফার। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের করা ২৪৭ রানের জবাবে ৪৫৮ রানে থেমে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। ফলে ২১১ রানের বিশাল লিড পেয়ে যায় তারা। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ তুলেছিল ২৪৭ রান। ২১১ রান পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছে বাংলাদেশ।

রানাকে চার মেরে টানা দ্বিতীয় টেস্টে নিসাঙ্কার সেঞ্চুরি

রানাকে চার মেরে টানা দ্বিতীয় টেস্টে নিসাঙ্কার সেঞ্চুরি নাহিদ রানাকে চার মেরে তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেন নিসাঙ্কা। ১৬৭ বল খরচ করেন। ১৮তম টেস্ট খেলতে নামা এই ব্যাটারের এটি চতুর্থ সেঞ্চুরি। চান্দিমালকে সঙ্গে গড়া শতাধিক রানের জুটি চাপে রেখেছে বাংলাদেশকে। এখন পর্যন্ত এই জুটি থেকে আসে ১১৫ রান। আরেকটি সেঞ্চুরির পথে নিসাঙ্কা গলে ১৮৭ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন। এবার কলম্বোয়ও আরেকটি সেঞ্চুরির পথে নিসাঙ্কা। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ৯৩ রানে অপরাজিত আছেন এই ওপেনার। সঙ্গে চান্দিমাল অপরাজিত ৫৪ রানে। দুজনের জুটি থেকে এখন পর্যন্ত ১সে ১০২ রান। এই সেশনে বাংলাদেশ মাত্র ১টি উইকেট পায়। চান্দিমালের ফিফটির পর জুটির সেঞ্চুরি তাইজুলের ঘূর্ণিতে পায়ে লাগে চান্দিমালের। জোরালো আবেদনে সাড়াও দেন আম্পায়ার। রিভিউ নেন চান্দিমাল। বেঁচে যান ফিফটি থেকে ১৩ রান দূরে থেকে। ৭০ বলে ফিফটির দেখা পান। তার ফিফটির পরই নিসাঙ্কার সঙ্গে জুটির সেঞ্চুরি হয়। উদারার আউটের পর নিসাঙ্কার ফিফটি বিরতির পর এসেই উইকেটের দেখা পেলো বাংলাদেশ। তাইজুলের ঘূর্ণিতে উদারা এলবিডব্লিউর শিকার হন। জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার, বাংলাদেশ রিভিউ নিয়ে উইকেটে দেখা পায়। ৬৫ বলে ৪০ রান করেন এই ব্যাটার। তার আউটে ভাঙে ৮৮ রানের জুটি। তার আউটের পরের ওভারেই নিসাঙ্কা ফিফটির দেখা পান। ৭৯ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন এই ব্যাটার।  ক্রিজে নিসাঙ্কার সঙ্গী চান্দিমাল। প্রথম সেশনে বলে-ব্যাটে দাপুটে শ্রীলঙ্কা প্রথম সেশনে বাংলাদেশ কোনো উইকেটই নিতে পারেনি। ৮৩ রানের জুটি গড়ে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যানে দুই ওপেনার নিসাঙ্কা-উদারা। নিসাঙ্কা ৪২ ও উদারা ৪০ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের রান টপকাতে এখনো তাদের প্রয়োজন ১৬৪ রান। এর আগে শুরুতেই বল হাতে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে অলআউট করে শ্রীলঙ্কা। ২৪৭ রানে অল আউট বাংলাদেশ  ২২০ রানে দিন শুরু করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন ২৭ রান যোগ করে। তাইজুলের দৃড়তায় প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৪৭ রান করে। তাইজুল ৩৩ রান করেন। এর  বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম দিনে প্রথম ইনিংসে খেলা হয়েছে ৭১ ওভার। সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন সাদমান। এ ছাড়া মুশফিক ৩৫ লিটন দাস ৩৪ ও মিরাজ ৩১ রান করেন। থিতু হয়ে আউট হয়ে যাওয়ায় বড় সংগ্রহ করতে পারেনি বাংলাদেশ। আসিথা ৩ ও অভিষিক্ত সোনাল নেন সমান ৩টি করে উইকেট। ইবাদতের আউটে দ্বিতীয় দিনের শুরু ইবাদতের আউটে বাংলাদেশের দিন শুরু। তাইজুলের চারে শুরুতেই দারুণ আভাস দিয়েছিল। কিন্তু সেই সুখ বেশি লম্বা হয়নি। আসিথার তোপে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ইবাদত। ভাঙে ২৮ বলে ১৫ রানের জুটি।প্রায় দুই বছর খেলতে নামা ইবাদতের ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে ৮ রান। দ্বিতীয় দিন মাঠে বাংলাদেশ  কলম্বোয় দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন মুখোমুখি বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা।  তাইজুল ইসলাম-ইবাদত হোসেন দিন শুরু করেন। দুজনের চাওয়া বাংলাদেশের সংগ্রহ কিছুটা বাড়ানো। প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২২০ প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২২০ প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২২০। তাইজুল ৯ ইবাদত ৫ রানে অপরাজিত আছেন। বৃষ্টি বিঘ্নিত এই দিনে খেলা হয়েছে ৭১ ওভার। সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন সাদমান। এ ছাড়া মুশফিক ৩৫ লিটন দাস ৩৪ ও মিরাজ ৩১ রান করেন। থিতু হয়ে আউট হয়ে যাওয়ায় বড় সংগ্রহ করতে পারেনি বাংলাদেশ। অভিষিক্ত সোনাল দিনুশাসহ সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন আসিথা-বিশ্ব।