উদ্বোধনী ম্যাচেই শ্রীলঙ্কাকে ৯ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ

উদ্বোধনী ম্যাচেই শ্রীলঙ্কাকে ৯ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ সদ্য এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্ব নিশ্চিত করে দেশে ফেরা বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এবার নেমেছে আরেকটি মিশনে। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় আজ শুরু হয়েছে নারী সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ। উদ্বোধনী ম্যাচেই দুর্দান্ত শুরু করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, ৯-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। আজ বিকেলে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় শ্রীলঙ্কা নারী দলকে ১-৯ গোলে পরাজিত করেছে আফঈদারা। ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় মিনিটেই ফ্রি-কিক থেকে অসাধারণ এক গোল করে স্বাগতিক দলকে এগিয়ে দেন স্বপ্না রানী। প্রথমার্ধেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৬ টি গোল যোগ করে বাংলাদেশ। বিশাল জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করল বাংলাদেশের মেয়েরা। আজ থেকে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় শুরু হয়েছে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ। স্বাগতিক বাংলাদেশের সঙ্গে টুর্নামেন্টে খেলছে শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটান।

মাঠে ফিরেই গোল-অ্যাসিস্টে উজ্জ্বল নেইমার

মাঠে ফিরেই গোল-অ্যাসিস্টে উজ্জ্বল নেইমার শৈশবের ক্লাব সান্তোসের সঙ্গে চুক্তি নবায়নের পর মাঠে নেমেই আলো উজ্জ্বল নেইমার। দেসপোর্তিভা ফেরোভিয়ারিয়া বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি। নেইমারের জ্বলে ওঠার ম্যাচে ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে জিতেছে সান্তোস। ম্যাচের ২০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে দলের প্রথম গোলটা করেন নেইমার। ৩১ মিনিটে গিয়ের্মের করা গোলেও অ্যাসিস্ট করেন তিনি। বিরতির পর অবশ্য আর মাঠে ফেরেননি নেইমার। তার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন পাদুলা। ১৭ বছর বয়সী রবিনিও জুনিয়র বাবার ৭ নম্বর জার্সি পরে নিজের প্রথম ম্যাচ খেললেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি অবশ্য নির্ধারিত সময়ে শেষ করা যায়নি। দর্শকেরা একাধিকবার মাঠে ঢুকে পড়ায় দ্বিতীয়ার্ধের ৪০ মিনিটেই থামিয়ে দিতে হয় খেলা।

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা টি-টোয়েন্টি পরিসংখ্যান

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা টি-টোয়েন্টি পরিসংখ্যান টেস্ট সিরিজ শেষ। ওয়ানডে সিরিজের রেশ এখনো কাটেনি। এখন আবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে মাঠে নামার পালা। ২০১৭ সালের পর বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে গেছে শ্রীলঙ্কায়। টেস্ট, ওয়ানডের পর শেষ গন্তব্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এসে থামছে এই যাত্রা। পাল্লেকেল্লেতে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টির প্রথমটি আজ অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শুরু হবে ম্যাচ। এর আগে দুই দলের পরিসংখ্যানে চোখ বোলানো যাক— ৫ দুই দল এখন পর্যন্ত ৫টি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলেছে। ২০১৩ সালে প্রথম দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলে দুই দল। সবশেষ ২০২৪ সালে। শ্রীলঙ্কা চারটি সিরিজ জিতেছে। একটি সিরিজ কেবল ড্র হয়েছে। ১৭ মুখোমুখি ১৭ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার জয় ১১ ম্যাচে। বাংলাদেশের ৬ ম্যাচে। ২১৫/৫ দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেছে বাংলাদেশ। ২০১৮ সালে নিদাহাস ট্রফির ম‌্যাচে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ২১৫ রান করে ম‌্যাচ জিতেছিল। ৮৩ সর্বোচ্চ রানের সঙ্গে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ডটিও বাংলাদেশের দখলে। ২০০৭ সালে জোহানেসবার্গে ৮৩ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার সর্বনিম্ন রান ৭ উইকেটে ১২৩। ৭৫ রানের হিসেবে সবচেয়ে বড় জয় শ্রীলঙ্কার। ২০১৮ সালে সিলেটে বাংলাদেশকে ২১১ রান টার্গেট দিয়ে ৭৫ রানে জিতেছিল তারা। উইকেটের হিসেবে বাংলাদেশের জয় আবার বড়। গত বছর সিলেটে ১৬৬ রান তাড়া করতে নেমে ১৮.১ ওভারে ৮ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় বাংলাদেশ। ৪৪২ দুই দলের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান কুশল মেন্ডিসের। ৯ ম্যাচে ৪৪২ রান করেছেন তিনি। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১৫ ইনিংসে ৩৬৮ রান করেছেন তিনি। ৮৬ এক ইনিংসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ৮৬। ২০২৪ সালে সিলেটে মেন্ডিস ৫৫ বলে ৬টি করে চার ও ছক্কায় ৮৬ রান করেছিলেন। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান সাব্বির রহমানের। ২০১৬ এশিয়া কাপে ৮০ রান করেছিলেন সাব্বির রহমান। ২৫ দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৫ ছক্কা মেরেছেন কুশল মেন্ডিস। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৫ ছক্কা মেরেছেন। ৭ রিশাদ হোসেন এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭ ছক্কা হাঁকিয়েছেন। গত বছর সিলেটে ৩০ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলার পথে ৭ ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন তিনি। ১৮১ দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ১৮১ রান দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। গত বছর সিলেটে তিন টি-টোয়েন্টিতে ১৮১ রান করেছিলেন মেন্ডিস। ১৭ মোস্তাফিজুর রহমান দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন। ১৩ ম্যাচে ২৪.৯৪ গড় ও ৮.৮৩ ইকোনমিতে এই উইকেট নিয়েছেন। ২০/৫ পেসার নুয়ান থুসারা ২০ রানে ৫ উইকেট পেয়েছেন। যা দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। একটিই মাত্র ৫ উইকেট আছে। সেটা থুসারা পেয়েছেন গত বছর। ৪ ওভারে ৫৬ মাহিশা পাথিরানা দুই দলের বোলারদের মধ্যে এক স্পেলে সবচেয়ে বেশি রান দিয়েছেন। গত বছর ৪ ওভারে ৫৬ রান দিয়েছিলেন অফস্পিনার। ১ উইকেট অবশ্য পেয়েছিলেন। ১৩  সৌম্য সরকার দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৩ ক্যাচ নিয়েছেন। ৯৮ ৯৮ রানের জুটি দুই দলের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০১৮ সালে সিলেটে মেন্ডিস ও গুনাথিলাকা উদ্বোধনী জুটিতে ৯৮ রান করেছিলেন।

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা প্রথম টি-টোয়েন্টি সন্ধ্যায়

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা প্রথম টি-টোয়েন্টি সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে। পাল্লেকেল্লে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হবে। অন্য দুই ফরম্যাটের মতো টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও ভালো সময় যাচ্ছে না বাংলাদেশের। সংযুক্ত আরব আমিরাতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার, এরপর পাকিস্তানে গিয়ে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। লিটন দাসের নেতৃত্বে দ্বীপ-দেশটিতে এবার টি-টোয়েন্টির চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের। নিজেদের শেষ ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারের পর তাই টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পক্ষে বাজি ধরার লোক খুব একটা নেই। রেকর্ডও বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলছে না। দুই দলের ১৭ দেখায় ৬ ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ। বাকি ১১টিতেই শ্রীলঙ্কার জয়। এবারের শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশ পারফরম্যান্স ধারাবাহিকতায় ভুগেছে। দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি ড্র হলেও দ্বিতীয়টিতে হেরে যায় বড় ব্যবধানে। তাতে টেস্ট সিরিজ হাতছাড়া হয়। কলম্বোতে প্রথম ওয়ানডেতে প্রচন্ড বাজেভাবে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ালেও ক্যান্ডিতে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পুরোনো চিত্র। হারের আগেই ম্যাচ হেরে সিরিজ হাতছাড়া করে। তাইতো টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাংলাদেশের জন্য কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং নিজেদের হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। তিন ফরম্যাটে বাংলাদেশের এখন তিন অধিনায়ক। টেস্টে শান্ত, ওয়ানডেতে মিরাজ দলকে তেমন সুখস্মৃতি এনে দিতে পারেননি। শেষটায় লিটন রাঙাতে পারবেন কী? আশার কথা শুনিয়েছেন লিটন। পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে সিরিজ–পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটনও বলেছেন, ‘এটা আলাদা একটা সংস্করণ। সবাই জানে টি–টোয়েন্টি কীভাবে খেলতে হয়। আমরা সেভাবেই চেষ্টা করব।’ শ্রীলঙ্কা টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে বড় ধাক্কা খেয়েছে। শেষ ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ায় আজ খেলতে পারছেন না তারকা লেগস্পিনার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। যা বাংলাদেশের জন্য নিশ্চিতভাবেই ভালো খবর। বাংলাদেশকে সমীহ করে শ্রীলঙ্কার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা বলেছেন, ‘‘বাংলাদেশ ভালো টি–টোয়েন্টি দল। তবে তারাও আমাদের মতোই অনভিজ্ঞ। আমি মনে করি না যে আমরা তাদের চেয়ে অনেক বেশি এগিয়ে। সিরিজটা কঠিন হবে।’’ সত‌্যিই কী তা-ই? পুরোনো ব‌্যর্থতা ঝেরে বাংলাদেশ কী সত্যিই লঙ্কানদের চ‌্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পারবে? সময়ের কাছেই প্রশ্নটা তোলা থাক।

ট্রফি নয়, ভালোবাসা নিয়েই রিয়াল অধ্যায় শেষ করলেন মদ্রিচ

ট্রফি নয়, ভালোবাসা নিয়েই রিয়াল অধ্যায় শেষ করলেন মদ্রিচ নিরবেই ঘটল এক আবেগঘন বিদায়ের। রিয়াল মাদ্রিদে ১৩ বছর অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল ক্রোয়েশিয়ান তারকা লুকা মদ্রিচের। ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) কাছে ৪-০ গোলে হারের ম্যাচটিই হয়ে রইল সাদা জার্সিতে এই কিংবদন্তির শেষ ম্যাচ। জয় নয়, কিংবা ট্রফিও নয়; গতকাল রাতে নিউ জার্সির মাঠে ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও বড় হয়ে উঠেছিল একটি বিদায়ের মুহূর্ত। রিয়াল মাদ্রিদ যখন পিএসজির দাপটে মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন পুরো স্টেডিয়ামের চোখ ছিল একদিকেই। সেটি হচ্ছে লুকা মদ্রিচ! প্রথমার্ধেই ফাবিয়ান রুইসের জোড়া গোল এবং দেম্বেলের দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ২৪ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় পিএসজি। পরে গন্সালো রামোসের গোলের মাধ্যমে স্কোরলাইন ৪-০ হয়। ম্যাচটির ৬৪তম মিনিটে মাঠে নামেন ৩৯ বছর বয়সী মদ্রিচ। ম্যাচ তখন অনেকটাই হাতছাড়া, কিন্তু মাঠে নামার পরেও তার উপস্থিতিতে ভুলের কোনো সুযোগ রাখেননি। বল পায়ে তার স্বাচ্ছন্দ্য, নিখুঁত পাস, সেট-পিসে নেতৃত্ব; সবমিলিয়ে খুব অল্প সময়ে দেখা মিলেছে চেনা মদ্রিচের। মে মাসে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মদ্রিচের আনুষ্ঠানিক বিদায় অনুষ্ঠান হয়ে গেলেও, মাঠে এটিই ছিল তার আসল ‘বিদায়’। ম্যাচ শেষে সতীর্থ, এমনকি পিএসজির খেলোয়াড়রাও তাকে জড়িয়ে ধরেন। কোচ জাবি আলোনসোর সঙ্গে দেখা যায় এক আবেগঘন মুহূর্ত। এই কোচই একটা সময় সতীর্থ হয়ে খেলেছিলেন মদ্রিচের সঙ্গে। চলতি ক্লাব বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচেই বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন মদ্রিচ। সময়ের বিচারে খেলার সুযোগ কম হলেও, প্রতিবারই তিনি নিজের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ দিয়ে দলকে সহায়তা করেছেন। রিয়ালের জার্সিতে প্রায় ৬০০ ম্যাচ খেলা মদ্রিচের ঝুলিতে রয়েছে ২৮টি ট্রফি। তবে শেষ মৌসুমটা কাটেনি ভালো। ট্রফিলেস মৌসুম কাটাতে হয়েছে ইউরোপের সফলতম দলটিকে। তবে মদ্রিচের জন্য এই হতাশা থেকে বড় কিছু ছিল ভক্তদের ভালোবাসা, সতীর্থদের সম্মান এবং এমন এক ঐতিহ্য, যা কেবল গুটিকয়েক কিংবদন্তিরই প্রাপ্য।

রাতে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি রিয়াল-পিএসজি

রাতে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি রিয়াল-পিএসজি আজ বুধবার (০৯ জুলাই) দিবাগত রাতে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে এক উত্তেজনাকর লড়াই। নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই শক্তিশালী ক্লাব— রিয়াল মাদ্রিদ ও প্যারিস সেন্ট জার্মেইন (পিএসজি)। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে যে নামটি, তিনি কিলিয়ান এমবাপ্পে। সদ্যসমাপ্ত মৌসুম শেষে পিএসজির জার্সি খুলে রিয়ালের সাদা রঙে রঙিন হয়েছেন এই ফরাসি সুপারস্টার। এবার প্রথমবারের মতো মাঠে নামছেন সাবেক সতীর্থদের বিরুদ্ধে। আর এমন ম্যাচকে ঘিরে দর্শকদের আগ্রহও আকাশছোঁয়া। চেলসি ইতোমধ্যেই ফ্লুমিনেন্সকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে। দ্বিতীয় ফাইনালিস্ট নির্ধারিত হবে আজকের এই বহুল প্রতীক্ষিত ম্যাচেই। রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন এমবাপ্পে। এবার তার কাছে ভক্তদের প্রত্যাশাও সীমাহীন। তবে পিএসজি কোচ লুইস এনরিক অতীত টানতে রাজি নন। তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন, “আমরা অতীত নিয়ে ভাবছি না, বরং সামনে কী অপেক্ষা করছে, সেদিকেই নজর দিচ্ছি।” তবে প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদের গুরুত্ব নিয়ে এনরিক বলেন, “এটা বিশ্বের সবচেয়ে সফল ক্লাবের বিপক্ষে ম্যাচ। এমন ম্যাচ সবসময়ই বিশেষ কিছু।” তবে শুধু প্রতিপক্ষ নয়, চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে নিউ জার্সির গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া। মঙ্গলবার চেলসির ম্যাচ চলাকালীন তাপমাত্রা ছাড়িয়ে যায় ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে, আর্দ্রতা ছিল ৫৪ শতাংশ। আবহাওয়া বিভাগ থেকে হিট অ্যালার্ট পর্যন্ত জারি করা হয়। এর মধ্যেই খেলোয়াড়দের মানিয়ে নিতে হচ্ছে। দুই দলের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, পাঁচ ম্যাচে দু’টি করে জয় ও একটি ড্র করেছে রিয়াল ও পিএসজি। তাই পরিসংখ্যানেও সমতা, মাঠেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রতিশ্রুতি। রিয়াল মাদ্রিদ চাইবে আরও একবার ট্রফি ক্যাবিনেট সমৃদ্ধ করতে। আর পিএসজির লক্ষ্য প্রথমবারের মতো ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখা। আজ রাতের ম্যাচে কে হাসবে শেষ হাসি, তার অপেক্ষায় গোটা ফুটবল বিশ্ব।

কুশলের সেঞ্চুরি, বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল শ্রীলঙ্কা

কুশলের সেঞ্চুরি, বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল শ্রীলঙ্কা আগের ম্যাচটা জিতে সমতায় ফিরেছিল বাংলাদেশ। সেই ধারা বজায় রাখতে পারলেই ঐতিহাসিক সিরিজ বিজয়, এমন সমীকরণ সামনে রেখে আজ শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়েছে টাইগাররা। পাল্লেকেল্লেতে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটিতে টস জিতে আগে ব্যাটিং বেছে নেয় শ্রীলঙ্কা। এরপর কুশল মেন্ডিসের অসাধারণ সেঞ্চুরিতে ভর করে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রান করে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশ এই ম্যাচে একাদশের বোলিং বিভাগে একটি পরিবর্তন আনে। হাসান মাহমুদের জায়গায় আসেন তাসকিন আহমেদ। বল হাতে মোটামুটি ভালোই করেছেন তিনি। ১০ ওভারে ৫১ রান খরচে তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট। বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজও। টাইগার দলপতি ১০ ওভারে ৪৮ রানে নিয়েছেন তাসকিনের সমান ২ উইকেট। তবে বাংলাদেশের বাকি বোলাররা তেমন কিছু করতে পারেননি। বরং পুরো ম্যাচের সব আলো কেড়ে নিয়েছেন শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার ব্যাটার কুশল মেন্ডিস। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরিটি শেষ পর্যন্ত ঠেকেছে ১২৪ রানে। মাত্র ১১৪ বলে ১৮টি চার দিয়ে ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। মেন্ডিস যেখানে লঙ্কান ইনিংসের ভিত্তি, চারিথ আসালাঙ্কা তার পিলার। তার ৬৮ বলে ৫৮ রানের ইনিংসটির কল্যাণে রানের পাহাড়ে চড়তে সক্ষম হয় স্বাগতিক দল। যদিও বোলিংয়ের শুরুটা ভালোই হয়েছিল বাংলাদেশের। নিশান মাদুশকা (১)-কে বিদায় করে লঙ্কান ওপেনিং জুটিকে দাঁড়াতে দেননি বাংলাদেশি পেসার তানজিম হাসান সাকিব। এরপর আরেক ওপেনার পাথুম নিসাঙ্কাকে নিয়ে ধাক্কা সামাল দেন কুশল মেন্ডিস। তাদের জুটিতে ৫৬ রান যোগ হওয়ার পর আঘাত হানেন বাংলাদেশের তরুণ বাঁহাতি পেসার তানভীর ইসলাম। নিসাঙ্কা ফেরেন ৩৫ রান করে। এরপর কামিন্দু মেন্ডিস (১৬) কিছুক্ষণ সঙ্গ দিলেও মেহেদী হাসান মিরাজের বলে লেগ বিফোর হয়ে ফেরেন। দলীয় ১০০ রানে ৩ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তবে এরপর থেকে উইকেটে জেঁকে বসেন কুশল ও আসালাঙ্কা। দুজনে মিলে বড় জুটি গড়ে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। দুজনেই পান ফিফটির দেখা। আসালাঙ্কা দলকে ২২৪ রানে রেখে চতুর্থ উইকেট হিসেবে বিদায় নেন। শেষদিকে অবশ্য কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। বোলারদের হাত ধরে আসে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সাফল্য। ২৪৯/৫ থেকে একসময় লঙ্কানদের স্কোর দাঁড়ায় ২৫৯/৭। কিন্তু ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (১৪ বলে ১৮*) ও চামিরা (৮ বলে ১০*) মিলে বাকিটা ভালোভাবেই পাড়ি দেন। ফলে বড় লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামবে বাংলাদেশ।

‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারে মেসির হ্যাটট্রিক

‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারে মেসির হ্যাটট্রিক ইন্টার মায়ামির জার্সি গায়ে তুলে যেন ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতেই রূপান্তর করে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। বরাবরের মতো এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) চলতি মৌসুমে তৃতীয়বারের মতো এই পুরস্কার জিতেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। মন্ট্রিয়েলের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন মেসি। করেছেন দুটি চমৎকার গোল। ড্রিবল, গতি আর বাঁ পায়ের নিখুঁত ফিনিশে একের পর এক প্রতিপক্ষকে বোকা বানিয়ে দেখিয়েছেন পায়ের জাদু। গোল দুটো এমন ছিল, যা দেখে কেউই বিশ্বাস করতে পারবে না তিনি এখন ৩৮ বছর বয়সী! এই ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সের সুবাদে মেসি মায়ামির হয়ে মোট ৯ বার জিতলেন ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার। এমএলএসের ইতিহাসে এটা এক অনন্য কীর্তি। ১৯৯৬ সালে লিগ শুরুর পর মাত্র ১১ জন খেলোয়াড় এমন কীর্তি গড়েছেন। তবে বেশিরভাগই সেটা করেছেন বহু মৌসুম খেলে। সেখানে মাত্র দুই বছরের মধ্যে মেসি উঠে এলেন ঐতিহাসিক সেই তালিকায়। বর্তমানে খেলছেন এমন ফুটবলারদের মধ্যে এই রেকর্ড আছে মাত্র দু’জনের। তারা হলেন জোসেফ মার্তিনেজ (আটালান্টা ইউনাইটেড) ও লিওনেল মেসি। তবে মেসি এখনই সুযোগ পাচ্ছেন সবার ওপরে উঠে যাওয়ার। আগামী ১০ জুলাই নিউ ইংল্যান্ড রেভ্যুলুশনের মাঠে পরবর্তী ম্যাচ খেলবে ইন্টার মায়ামি। সেই ম্যাচেই দশম পুরস্কার ছোঁয়ার হাতছানি রয়েছে মেসির সামনে।

বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তান দল ঘোষণা, নেই একাধিক তারকা

বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তান দল ঘোষণা, নেই একাধিক তারকা বিশ্বকাপের আগে নতুন সম্ভাবনার খোঁজে বেরিয়েছে পাকিস্তান। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ সফরের জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের টি-টোয়েন্টি দলে নেই একাধিক তারকা। অধিনায়ক বাবর আজম, উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান, পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি, অলরাউন্ডার শাদাব খান কিংবা স্পিডস্টার হারিস রউফ; কেউ-ই নেই স্কোয়াডে। এমন দল দেখে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মত, এই স্কোয়াড মূলত বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে একটি ‘এক্সপেরিমেন্টাল প্যাকেজ’। তরুণ ও কম অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স দেখে নেওয়াই এবার পিসিবির মূল উদ্দেশ্য। সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। সূচি অনুযায়ী, পাকিস্তান দল বাংলাদেশে পা রাখবে ১৬ জুলাই। এরপর ২০, ২২ ও ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ম্যাচ। প্রতিটি শুরু সন্ধ্যা ৬টায়। সফর শেষ করেই ২৫ জুলাই দেশে ফিরবে দলটি। এই সিরিজটি হঠাৎ করে আয়োজিত হয়নি। পেছনে রয়েছে বিসিবি ও পিসিবির শীর্ষপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনার ফলাফল। আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সময় দুই বোর্ডের বৈঠকে এমন একটি প্রস্তুতি সিরিজ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে এটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বিশ্বকাপ পূর্ববর্তী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এরই মধ্যে পাকিস্তান দলের অনুশীলন শুরু হয়েছে করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে। ৮ জুলাই থেকে স্কোয়াডের সদস্যরা মাঠে নেমেছেন ধারাবাহিক প্রস্তুতি নিতে। লক্ষ্য একটাই— বিশ্বমঞ্চের আগে শক্তির গভীরতা যাচাই করে নেওয়া। বাংলাদেশ সিরিজ শেষে পাকিস্তান দল ক্যারিবীয় সফরে যাবে, যেখানে তারা খেলবে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: সালমান আলী আঘা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, আহমেদ দানিয়াল, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হাসান নওয়াজ, হুসেইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ আব্বাস আফ্রিদি, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নাওয়াজ, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, সালমান মির্জা ও সুফিয়ান মোকিম। টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচি: ২০ জুলাই: প্রথম টি-টোয়েন্টি, মিরপুর। ২২ জুলাই: দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি, মিরপুর। ২৪ জুলাই: তৃতীয় টি-টোয়েন্টি, মিরপুর।

ট্রিপল সেঞ্চুরিতে ইতিহাস গড়লেন অধিনায়ক মুল্ডার

ট্রিপল সেঞ্চুরিতে ইতিহাস গড়লেন অধিনায়ক মুল্ডার ক্রিকেট বিশ্বে নতুন ইতিহাস লিখলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার উইয়ান মুল্ডার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকেই তিনি হাঁকালেন ট্রিপল সেঞ্চুরি (৩৬৬*)। টেস্ট ইতিহাসে এটি এক দুর্লভ কীর্তি। কারণ, অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক টেস্টেই ট্রিপল সেঞ্চুরি করার নজির আছে কেবল আর একজনের! এই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে মুল্ডার হয়ে ওঠেন রীতিমতো দুর্বার। আজ সোমবার (০৭ জুলাই) বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত এই টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মাত্র ২৯৭ বলে ৩৮টি চার ও ৩ ছক্কায় পূর্ণ করেন নিজের ট্রিপল সেঞ্চুরি। যা টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম। তার আগে কেবল ভারতের বীরেন্দর শেবাগই দ্রুততর (২৭৮ বলে) ত্রিশতক করেছিলেন। মুল্ডার প্রথম দিন শেষ করেছিলেন অপরাজিত ২৬৪ রানে। পরদিন সকালে সেই ইনিংস রূপ নেয় ইতিহাসে। ৩৮টি চার আর ৩টি ছক্কায় সাজানো এই অনবদ্য ইনিংসটিকে বলা যায় ধৈর্য আর আগ্রাসনের নিখুঁত মিশেল। মাত্র ২৭ বছর ১৩৮ দিন বয়সেই মুল্ডার ভেঙে দিলেন বব সিম্পসনের ৬১ বছরের পুরনো রেকর্ড। ১৯৬৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি সিম্পসন অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকে করেছিলেন ৩১১ রান। মুল্ডার সেখানে এখনও অপরাজিত ৩৬৭ রানে (এ প্রতিবেদন লেখার সময়)। টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরি করা এটি দক্ষিণ আফ্রিকার মাত্র দ্বিতীয় উদাহরণ। তার আগে কেবল হাশিম আমলা এই মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন—২০১২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ৩১১ রানের অনন্য ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। অভিষেক অধিনায়ক হিসেবেই প্রথম দিনেই ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন মুল্ডার। এমন কীর্তি টেস্ট ইতিহাসে খুব কমজনেরই আছে। এই তালিকায় আছেন কেবল গ্রাহাম ডাউলিং (নিউজিল্যান্ড, ২৩৯) এবং শিবনারায়ণ চন্দরপল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ২০৩)। মুল্ডারের এটি ছিল তার ২১তম টেস্ট, কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে প্রথম। নিয়মিত অধিনায়ক কেশব মহারাজ ইনজুরিতে পড়ায় হঠাৎ করেই নেতৃত্বের ভার পড়ে তার কাঁধে। সেই দায়িত্বকে সুযোগে পরিণত করে নিজেকে তুলে ধরলেন ক্রিকেট ইতিহাসের এক অনন্য উচ্চতায়।