বাংলাদেশের এক ক্লাবের দলবদলে ফিফার নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশের এক ক্লাবের দলবদলে ফিফার নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশি ক্লাব ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবের দলবদল কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ফিফা। এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত ফকিরেরপুল কোনো খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে পারবে না। বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার এই নির্দেশনা পেয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ফিফার এই নিষেধাজ্ঞা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে ক্লাবটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আলী। তিনি বলেন, ‘একজন খেলোয়াড়ের আর্থিক পারিশ্রমিক ইস্যুতে এটি হয়েছে। আমরা দ্রুত সেটি সমাধান করে আসন্ন মৌসুমের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চাই।’ গত মৌসুমে ফকিরেরপুল ইয়ংমেন্স ক্লাবের ফুটবল দলের ম্যানেজার ছিলেন পিপুল। তিনি ফিফার নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘একজন উজবেক ফুটবলার ফকিরেরপুল ক্লাবে গত মৌসুমে এসেছিল। সেই ফুটবলারের পারিশ্রমিক নিয়ে আবেদন করেছি। সেই আবেদন নিষ্পত্তি না করায় হয়তো ক্লাবের ওপর দলবদল নিষেধাজ্ঞা। তার পাওনা ও জরিমানা মিলিয়ে ২০ লাখ টাকার ওপর হতে পারে।’ কোচ-খেলোয়াড়দের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি না হলে সংশ্লিষ্ট ক্লাব-ফেডারেশনের ওপর জরিমানা-নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে ফিফা। বিগত সময়েও বাংলাদেশের অনেক ক্লাব এ রকম ঘটনার শিকার হয়েছে। গত মৌসুমেই ফুটবলাঙ্গনে গুঞ্জন ছিল বসুন্ধরা কিংসের ওপরও এ রকম নিদের্শনা এসেছিল। যদিও বসুন্ধরা কিংস কিংবা বাফুফে এটি স্বীকার করেনি।
বার্সেলোনায় সম্ভাবনাময় উইঙ্গার রুনি

বার্সেলোনায় সম্ভাবনাময় উইঙ্গার রুনি বার্সেলোনায় নতুন তারকা। ১৯ বছর বয়সেই নজর কাড়া পারফরম্যান্সের সুবাদে সুইডিশ উইঙ্গার রুনি বার্দগিকে দলে ভিড়িয়েছে কাতালান ক্লাবটি। গতকাল এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কোপেনহেগেনের এই তরুণ ফুটবলারকে চার বছরের চুক্তিতে দলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বার্সেলোনা।কুয়েতে জন্ম নেওয়া বার্দগি খেলবেন ২০২৯ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। যদিও তার ট্রান্সফার ফি সম্পর্কে কিছু জানায়নি বার্সা কর্তৃপক্ষ। বার্দগি ২০২০ সালে এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে যোগ দেন এবং মাত্র দুই বছরের মাথায় জায়গা করে নেন মূল দলে। দ্রুতই তিনি হয়ে ওঠেন দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। মাঝখানে এক বছরের জন্য চোটে পড়লেও ফিরে এসে ফের নিজের দক্ষতার প্রমাণ রাখেন এই ডানপ্রান্তের গতি সম্পন্ন ফুটবলার। ইউরোপের সবচেয়ে প্রতিভাবান তরুণদের একজন হিসেবে ধরা হয় বার্দগিকে। কোপেনহেগেনের হয়ে তিনি ৮৪টি ম্যাচে মাঠে নেমে করেছেন ১৫ গোল, সঙ্গে রয়েছে একটি অ্যাসিস্ট। তার হাত ধরে ক্লাবটি জিতেছে তিনটি ডেনিশ লিগ ও দুটি ডেনিশ কাপ।
২৭ রানে অলআউট হয়ে লজ্জার রেকর্ড উইন্ডিজের

২৭ রানে অলআউট হয়ে লজ্জার রেকর্ড উইন্ডিজের জ্যামাইকায় দিবা-রাত্রির টেস্টের তৃতীয় দিন বল হাতে আগুন ঝরালেন শততম টেস্ট খেলতে নামা মিচেল স্টার্ক। রেকর্ড গড়া বোলিংয়ে মাত্র ৯ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং ধসিয়ে দেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি এই পেসার। পরে বোল্যান্ড হ্যাটট্রিকে মাত্র ২৭ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। ২০৪ রানের মাঝারি লক্ষ্য দিয়েও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জিতে যায় ১৭৬ রানের ব্যবধানে। টেস্ট ইতিহাসে এর চেয়ে কম রানে অলআউট হওয়ার ঘটনা আছে মাত্র একটি। ১৯৫৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অকল্যান্ড টেস্টে মাত্র ২৬ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। প্রায় ৭০ বছর পর অল্পের জন্য সেই রেকর্ডে বসেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের নাম। সেই হিসাবে লজ্জার তালিকায় নিউজিল্যান্ডের পরের স্থানে ঠাঁই পেয়েছে উইন্ডিজ। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের প্রথম দুই টেস্ট হেরেছিল যথাক্রমে ১৫৯ ও ১৩৩ রান ব্যবধানে। পেসারদের দাপটের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করেই আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে যাত্রা শুরু করল অস্ট্রেলিয়া। জ্যামাইকায় ক্যারিবিয় টপ-অর্ডারে ধস নামিয়ে নিজের প্রথম ১৫ বলেই ৫ উইকেট নিয়ে নেন স্টার্ক। টেস্ট ইতিহাসে এত কম বলে ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি নেই আর কারও। সব মিলিয়ে ৭.৩ ওভারে ৯ রানে তার শিকার ৬টি। শততম টেস্টে এটিই সেরা বোলিংয়ে রেকর্ড। গোলাপি বলের টেস্টে আগে থেকেই সবার সেরা স্টার্ক। সেই রেকর্ড আরেকটু সমৃদ্ধ করে ২৭ ইনিংসে এখন তার শিকার ৮১ উইকেট। আর কারও ৫০ উইকেটও নেই। ইনিংসে ৫ উইকেট পাঁচবার। আর কারও নেই দুইবারের বেশি। টেস্টে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পাওয়া অস্ট্রেলিয়ার দশম বোলার বোল্যান্ড। নিজ দেশের হয়ে ২০১০ সালে পিটার সিডলের পর তিনিই প্রথম পেলেন হ্যাটট্রিকের দেখা। স্টার্ক ও বোল্যান্ডের তোপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাত ব্যাটসম্যান আউট হন রানের খাতা খোলার আগে। টেস্ট ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ইনিংসে দেখা গেল এত ব্যাটসম্যানের শূন্য রানে আউট হওয়ার ঘটনা। আজ ম্যাচের তৃতীয় দিনে উইন্ডিজকে জয়ের জন্য ২০৪ রানের লক্ষ্য দেয় অস্ট্রেলিয়া। ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই তিন উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। মিচেল স্টার্কের সেই ওভারে কোনো রানই নিতে পারেনি ক্যারিবীয়রা। ইনিংসের প্রথম এবং নিজের তৃতীয় ওভারে আরও দুই শিকার করেন স্টার্ক। তখন উইন্ডিজের বোর্ডে ৭ রান, নেই ৫ উইকেট। মাত্র ১৫ বলে ৫ উইকেট শিকারে ইতিহাস গড়েছেন স্টার্ক। টেস্টে দ্রুততম ফাইফার এখন এই অজি পেসারের। ১৯ বলে ৫ উইকেট শিকার করে এতদিন রেকর্ডটি ছিল যৌথভাবে- আর্নি টোসাক, স্টুয়ার্ট ব্রড এবং স্কট বোল্যান্ডের। বিশ্বরেকর্ড গড়ে ৪০০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলকেও পৌঁছে গেছেন মিচেল স্টার্ক। স্টার্কের ফাইফারের পরের ওভারে আঘাত হানেন জশ হ্যাজলউড। তিনি আউট করেন স্বাগতিক অধিনায়ক রস্তন চেজকে। এরপর ক্ষণিকের জন্য থামে উইকেট বৃষ্টি। তারপর ১৪তম ওভারে বোল্যান্ডের তাণ্ডব। প্রথম তিন বলে তিন উইকেট শিকার করে হ্যাটট্রিক করে বসেন। তখন উইন্ডিজের সংগ্রহ ছিল ২৬ রান। ভাগ্যক্রমে আরেকটি রান পায় উইন্ডিজ। তাই অন্তত নিউজিল্যান্ডের লজ্জা ভাগাভাগি করতে হয়নি। দলীয় ২৭ রানে তাদের দশম উইকেটের পতন ঘটে স্টার্কের গতিতে। ইতিহাস গড়া দিনে ৭.৩ ওভারে ৯ রান দিয়ে ৬ উইকেট শিকার করে অজি পেসার। উইন্ডিজের সাত ব্যাটার আউট হন শূন্য রানে।
পরাজয়ের মিছিল পেরিয়ে জয়ের অমৃত স্বাদ

পরাজয়ের মিছিল পেরিয়ে জয়ের অমৃত স্বাদ এতোদিন বাংলাদেশ যা করে এসেছে, আজ তা-ই করলো শ্রীলঙ্কা। যদি এক শব্দে বলতে হয়, শ্রীলঙ্কা এলোমেলো। আর বাংলাদেশ গোছালো। গোছালো সেই পারফরম্যান্সের সুর ধরেই পরাজয়ের মিছিল পেরিয়ে জয়সূর্যর দেখা পেল বাংলাদেশ। ছয় ম্যাচ পর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতল বাংলাদেশ। ক্যান্ডিতে বাংলাদেশ ৮৩ রানে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ এ সমতা ফেরাল। এদিন ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং সবকিছুতেই বাংলাদেশ এ প্লাস। গোল্ডেনও হতে পারত। দুয়েকটি ভুলে হয়েছে। ওগুলো না হলে শ্রীলঙ্কাকে দর্শক বানিয়ে পুরো ম্যাচটিতেই বাংলাদেশের আধিপত্য থাকত। টস হেরে আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১৭৭ রান করে। জবাবে শ্রীলঙ্কা গুটিয়ে যায় ৯৪ রানে। বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংস ছিল রোলার কোস্টার রাইডের মতো। এই নিচে নামে তো এই উপরে উঠে। পথ হারাতে সময় লাগে না…আবার ছন্দে ফিরতেও সময় নেয় না। ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা একদমই যুৎসই হয়নি। ৭ রানে দুই ওপেনার সাজঘরে। পারভেজ হোসেন ইমন (০) ও তানজিদ হাসান (৫) দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। সেখান থেকে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানো শুরু। অফফর্মে থাকা লিটনের সঙ্গী তাওহীদ হৃদয়। শুরুর আক্রমণটা তাওহীদ করেছিলেন। পরে লিটন সব আলো নিজের ওপর নিয়ে নেন। ৫৫ বলে ৬৯ রান যোগ করেন দুজন। ইনিংসের ১২তম ওভারে তাওহীদ ২৫ বলে ৩১ রান করে বিদায় নিলে ভাঙে এই জুটি। মিরাজ এসে টিকতে পারেননি। ২ বলে ১ রান করে একই ওভারে ফেরেন ড্রেসিংরুমে। দ্রুত ২ উইকেট হারিয়ে আবার চাপে বাংলাদেশ। কিন্তু শামীম ক্রিজে এসে সেই চাপ গায়ে লাগতে দেননি। প্রতি আক্রমণে গিয়ে রান তুলে ২৭ বরে করেন ৪৭ রান। ৫ চারের সঙ্গে হাঁকান ২ ছক্কা। লিটন ও শামীম পঞ্চম উইকেটে খেলার চিত্র পাল্টে দেন। ৩৯ বলে ৭৭ রান যোগ করেন দুজন। তাতে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে প্রাণ ফিরে পায়। প্রবল চাপে ছিলেন লিটন। রানই পাচ্ছিলেন না। আজ ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ১২ ইনিংস পর পেয়েছেন ফিফটি। ৫০ বলে ১ চার ও ৫ ছক্কায় ৭৬ রান করেন তিনি। শেষ দিকে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে কেবল সাইফউদ্দিন যোগ করতে পারেন ৬ রান। শ্রীলঙ্কার বোলারদের মধ্যে বিনুরা ফার্নান্দো নেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট পেয়েছেন থুসারা ও থিকসানা। জবাব দিতে নেমে পাওয়ার প্লে’তেই ইউটার্ন শ্রীলঙ্কার। ৩০ রানে তারা হারায় ৪ উইকেট। বাংলাদেশের জন্য ভয়ের কারণ ছিল কুশল মেন্ডিস ও পাথুম নিশাঙ্কার উইকেট। এই জুটি ভাঙে শামীমের থ্রোতে। সরাসরি থ্রোতে শামীম ফেরান মেন্ডিসকে। এরপর শরিফুল ফেরান কুশল পেরেরা ও আভিশকা ফার্নান্দোকে। সাইফ উদ্দিন নেন অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কার উইকেট। ব্যাটসম্যানরা কেউই দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। শুরুর সেই ধাক্কা হজমের পর জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন পাথুম নিশাঙ্কা ও দাসুন শানাকা। ৩১ বলে ৪১ রান করেন করেন তারা। কিন্তু মাত্র ৬ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কা আরও বিপদে পড়ে। সেখান থেকে তারা কেউ আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি। নিশাঙ্কা ৩২, শানাকা ২০ রান করেন। ১৫.২ ওভারেই শেষ হয়ে যায় লঙ্কানদের ইনিংস। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রিশাদ ১৮ রানে নেন ৩ উইকেট। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও সাইফ উদ্দিন। দলকে বহু প্রত্যাশিত জয় এনে দেওয়ায় ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন লিটন দাস। আগামী ১৬ জুলাই কলম্বোতে হবে সিরিজের শেষ ম্যাচ।
‘আমি বোকা’—পেদ্রোকে থাপ্পড় মারা নিয়ে এনরিকের স্বীকারোক্তি

‘আমি বোকা’—পেদ্রোকে থাপ্পড় মারা নিয়ে এনরিকের স্বীকারোক্তি ম্যাচ শেষ, তবু উত্তেজনার শেষ হয়নি। ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে চেলসির কাছে ৩-০ গোলে হারার পর পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে জড়িয়ে পড়েন মারাত্মক এক বিতর্কে। চেলসির ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড জোয়াও পেদ্রোকে ঘিরে ঘটে সংঘর্ষ, যার এক পর্যায়ে এনরিকে তার গলা চেপে ধরেন এবং মুখে থাপ্পড় দেন—এই দৃশ্য ধরা পড়ে ‘ডিএজেডএন’-এর ক্যামেরায়। ঘটনার পরপরই পিএসজির সহকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এনরিকে। ক্যামেরায় তার ঠোঁট পড়তে দেখা যায়, ‘আমি বোকা। ও দাঁড়িয়ে ছিল, আমাকে ধাক্কা দেয়। আমি ছুঁয়ে দিই, আর সে লাফিয়ে পড়ে। ’ পরবর্তীতে এনরিকে বলেন, ‘আমি আমার অনুভূতি লুকাই না। এটা এমন এক পরিস্থিতি, যা সবাই এড়াতে পারত। আমি শুধু উত্তেজনা থামাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু স্বীকার করছি—এটাই সবচেয়ে ভালো কাজ হয়নি। ’ঘটনার সূচনা হয় পিএসজির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার সঙ্গে পেদ্রোর মুখোমুখি সংঘর্ষ থেকে। কথা কাটাকাটি শুরু হলে আশরাফ হাকিমি অঙ্গভঙ্গিতে বোঝান, পেদ্রো বেশি কথা বলছে। এর মধ্যেই এনরিকে ছুটে আসেন এবং ধাক্কাধাক্কির মাঝে প্রেসনেল কিম্পেম্বে তাকে ঠেকানোর চেষ্টা করলেও, তিনি থাপ্পড় মেরে বসেন পেদ্রোকে। ফিফার সম্ভাব্য শাস্তির মুখে এনরিকে ম্যাচ শেষে হলেও, মাঠে মারধরের জন্য ফিফার পক্ষ থেকে এনরিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং দ্রুতই সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আল খেলাইফির সাফাই পিএসজি প্রেসিডেন্ট নাসের আল খেলাইফি এনরিকেকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের কোচ বিশ্বের সবচেয়ে শৃঙ্খলাপরায়ণ ও সম্মানযোগ্য ব্যক্তি। তিনি শুধু বল নিতে গিয়েছিলেন এবং ধাক্কা খেয়েছেন। কোচদের প্রতিও সম্মান থাকা উচিত। ’
ওয়াশিংটনকে হারিয়ে শিরোপা জিতল এমআই নিউইয়র্ক

ওয়াশিংটনকে হারিয়ে শিরোপা জিতল এমআই নিউইয়র্ক মাত্র ৬ বলে দরকার ১২ রান, ক্রিজে ছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও গ্লেন ফিলিপস। দেখে মনে হচ্ছিল ওয়াশিংটন ফ্রিডমই হয়তো ধরে রাখবে শিরোপা। কিন্তু চাপের মুখে মাথা ঠাণ্ডা রেখে অসাধারণ এক শেষ ওভারে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন মাত্র ২২ বছর বয়সী রুশিল উগারকার। শিরোপা ওঠে এমআই নিউইয়র্কের ঘরে। বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালে ডালাসে অনুষ্ঠিত মেজর লিগ ক্রিকেটের (এমএলসি) ফাইনালে ওয়াশিংটনকে ৫ রানে হারায় নিকোলাস পুরানের দল এমআই নিউইয়র্ক। ১৮১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ১৭৫ রানেই থেমে যায় গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ওয়াশিংটন। শেষ ওভারে প্রথম তিন বলে মাত্র ২ রান দেন উগারকার। চতুর্থ বলে ছক্কার চেষ্টায় ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ তুলে দেন ম্যাক্সওয়েল। নতুন ব্যাটার ওবাস পিয়েনার পঞ্চম বলে রান না পেলে এক দফা উদযাপন শুরু করে নিউইয়র্ক শিবির। শেষ বলে বাউন্ডারি হজম করলেও ম্যাচটা হাতছাড়া হতে দেননি তরুণ এই পেসার। শেষ পর্যন্ত তাকে ঘিরেই শিরোপা উৎসবে মাতে দলটি। চলতি বছরে এটি এমআই ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় টি-টোয়েন্টি শিরোপা। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টুয়েন্টি লিগে চ্যাম্পিয়ন হয় এমআই কেপটাউন এবং মেয়েদের উইমেন’স প্রিমিয়ার লিগ জেতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ফাইনালে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে এমআই নিউইয়র্কের হয়ে ওপেনিং জুটিতে ৭২ রান যোগ করেন কুইন্টন ডি কক ও মোনাঙ্ক প্যাটেল। ২২ বলে ২৮ রান করে ফেরেন মোনাঙ্ক। ডি কক ৬ চার ও ৪ ছক্কায় খেলেন ৪৬ বলে ৭৭ রানের ঝকঝকে ইনিংস। মাঝের সময়টায় রান তোলার গতি কমে যায় পুরান, পোলার্ড ও ব্রেসওয়েলের ব্যর্থতায়। তবে শেষ দিকে কুনওয়ারজিত সিংয়ের ১৩ বলে ২২ রানের ক্যামিওতে দল পৌঁছায় ১৮০ রানে। ওয়াশিংটনের হয়ে ফার্গুসন নেন ৩টি উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে দুই ওপেনার মিচেল ওয়েন ও আন্দ্রেস গাউসকে হারিয়ে চাপে পড়ে ওয়াশিংটন। এরপর রাচিন রবীন্দ্র ও জেইক এডওয়ার্ডসের ৮৪ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ২২ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন এডওয়ার্ডস। মাত্র ২৪ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন রাভিন্দ্রা। শেষ পর্যন্ত তার ব্যাট থেকে আসে ৪১ বলে ৭০ রান। শেষ দিকে ম্যাক্সওয়েল ও ফিলিপসের ব্যাটে জমে ওঠে লড়াই। শেষ তিন ওভারে দরকার ছিল ৪১ রান। যার মধ্যে ১৮ ও ১৯তম ওভারে ওঠে ২৯ রান। তবে শেষ ওভারে উগারকারের দৃঢ়তায় শিরোপা হাতছাড়া হয় ওয়াশিংটনের। ফিলিপস ৫ ছক্কায় ৩৪ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকলেও, ম্যাক্সওয়েলের ইনিংস ছিল হতাশাজনক। ১৬ বলে মাত্র ১৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
টানা ৫ ম্যাচে জোড়া গোল মেসির

টানা ৫ ম্যাচে জোড়া গোল মেসির মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) গোলের নেশায় বুদ হয়েছেন লিওনেল মেসি। আরও একবার মাঠে নেমে তিনি দুবার পেয়েছেন জালের দেখা। বাড়িয়ে নিয়েছেন টানা গোল করার রেকর্ড। ঘরের মাঠে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে শেষ হওয়া ম্যাচটিতে ন্যাশভিলকে ২-১ গোলে হারায় ইন্টার মায়ামি। দলের জয়ে একাই গোল দুটি করেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এমএলএসে টানা পাঁচ ম্যাচে দুটি করে গোল করলেন ৩৮ বছর বয়সী বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড। প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে টানা চার ম্যাচে একাধিক গোলের নজিরও নেই আর কোনো ফুটবলারের। মেসির এই গোলযাত্রা শুরু হয় গত মে মাসে। মন্ট্রিয়লের বিপক্ষে দলের ৪-২ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে দুটি গোল করেন তিনি। পরে কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে ৫-১ ব্যবধানের জয়ে করেন দুটি গোল। ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর গত রোববার মন্ট্রিয়লের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে চোখধাঁধানো দুটি গোল করেন আটবারের ব্যালন দ’র জয়ী। নিউ ইংল্যান্ড রেভ্যুলেশনের বিপক্ষেও পরে দুবার জাল কাঁপান তিনি। সেই ধারায় এবার মেসির জোড়া গোলের শিকার ন্যাশভিল। সব মিলিয়ে লিগে ১৬ ম্যাচে ১৬ গোল করে ন্যাশভিলের স্যাম সারিজের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি। এর সঙ্গে ৭টি অ্যাসিস্টও আছে তার। ম্যাচে সার্বিকভাবেই প্রতিপক্ষকে তেমন লড়াই করতে দেয়নি মায়ামি। গোলের জন্য ৯টি শট করে ৫টি লক্ষ্যে রাখে তারা। বিপরীতে ন্যাশভিলের ৮ শটের ২টি ছিল জাল বরাবর। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত মায়ামি। ডি-বক্সের কোনা থেকে লুইস সুয়ারেসের আলতো চিপ অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। ১৭তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিচু করে নেওয়া ফ্রি-কিকে জাল খুঁজে নেন মেসি। ফ্রি-কিক থেকে আর্জেন্টাইন জাদুকরের ক্যারিয়ারের এটি ৬৯তম গোল। দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ৪৯তম মিনিটে হ্যারি মুখটারের চমৎকার হেডে সমতা ফেরায় ন্যাশভিল। দলকে আবার এগিয়ে দিতে সময় নেননি মেসি। এতে অবশ্য ভাগ্যের সহায়তাও পান তিনি। ৬২তম মিনিটে নিজ দলের খেলোয়াড়কে পাস দিতে গিয়ে মেসির পায়ে বল তুলে দেন ন্যাশভিল গোলরক্ষক। বক্সের ভেতরে ঢুকে অনায়াসেই বল জালে জড়ান মেসি। এই পরাজয়ে থামল সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ন্যাশভিলের টানা ১৫ ম্যাচের অপরাজেয় যাত্রা। ১৯ ম্যাচে ১১ জয় ও ৫ ড্রয়ে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে এখন পঞ্চম স্থানে মায়ামি। শীর্ষে থাকা ফিলাডেলফিয়ার চেয়ে ৫ পয়েন্টে পিছিয়ে আছে তারা। তবে ক্লাব বিশ্বকাপে ব্যস্ত থাকায় মায়ামি তিনটি ম্যাচ কম খেলেছে।
কাজাখস্তানকে ৬-২ গোলে হারালো বাংলাদেশের মেয়েরা

কাজাখস্তানকে ৬-২ গোলে হারালো বাংলাদেশের মেয়েরা অনূর্ধ্ব-১৮ উইমেন’স এশিয়া কাপ হকির শেষটা জয়ে রাঙাল বাংলাদেশ। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে কাজাখস্তানকে উড়িয়ে বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়ে মেয়েরা পেয়েছে ব্রোঞ্জ পদক। চীনের দাঝুতে রোববার স্থান নির্ধারণী ম্যাচে কাজাখস্তানকে ৬-২ গোলে হারায় বাংলাদেশ। টপ-ফোর পুলে নিজেদের শেষ ম্যাচেও কাজাখস্তানের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। ম্যাচটি ২-২ ড্র হওয়ায় স্থান নির্ধারণী ম্যাচও তাদের বিপক্ষে খেলতে হয় আইরিন-শারিকাদের। দলের জয়ে হ্যাটট্রিক উপহার দিয়েছেন আইরিন রিয়া। একবার করে জালের দেখা পেয়েছেন শারিকা রিমন, কনা আক্তার ও রাইসা রিশি। শক্তিশালী জাপানের বিপক্ষে ১১-০ গোলে হেরে পুল পর্ব শুরু করে বাংলাদেশ। এরপর উজবেকিস্তান ও হংকংকে হারিয়ে সেরা চারের মঞ্চে ওঠার কীর্তি গড়ে মেয়েরা। টপ-ফোর পুলে অবশ্য বাংলাদেশ দেখাতে পারেনি কোনো চমক। চীনের বিপক্ষে ৯-০ গোলে হারের পর কাজাখস্তানের বিপক্ষে ওই ড্র। একই দিনে ব্রোঞ্জ নির্ধারণী ম্যাচে বাংলাদেশের ছেলেরা ৫-২ গোলে হেরে যায় মালয়েশিয়ার কাছে।
ইতালি ক্রিকেট বিশ্বকাপে

ইতালি ক্রিকেট বিশ্বকাপে ফুটবলের দেশ হিসেবেই ইতালি বিশ্বে বেশি পরিচিত। চারটি বিশ্বকাপ তারা জিতেছে। যদিও তাদের ফুটবলে এখন ভাটার টান! সেই জায়গাটাই দখল করতে যাচ্ছে ইতালির জাতীয় ক্রিকেট দল। দেশটির এখন বড় পরিচয়,তারা প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাই থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে ইতালি। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ হারলেও নেট রান রেট ভালো থাকায় ইতালি চলে গেছে ক্রিকেটের সবচেয়ে সংক্ষিপ্তম ফরম্যাটের বিশ্বকাপে। যা নিশ্চিতভাবেই তাদের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্য। ইতালির সঙ্গে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়েছে নেদারল্যান্ডসও। আগের ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে এগিয়ে গিয়েছিল ইতালি। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বড় হার এড়াতে পারলেই বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত। তাদের প্রত্যাশা মতোই সব কাজ হয়েছে। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ইতালি ৭ উইকেটে ১৩৪ রান করে। জবাবে নেদারল্যান্ডস ১৬.২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। জয় পায় ৯ উইকেটে। চার ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে নেদারল্যান্ডস। তারা শীর্ষে থেকেই নিশ্চিত করেছে বিশ্বকাপ। ইতালির সমান ম্যাচে পয়েন্ট ৫। সমান ম্যাচে জার্সিরও পয়েন্ট ৫। পিঠাপিঠি অবস্থান তাদের। তবে জার্সির (০.৩০৬) চেয়ে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় ইতালির (০.৬১২) বিশ্বকাপের ভাগ্য খুলেছে। আগামী বছর ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বসবে ২০ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ১৫ দল এরই মধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। ইষ্ট-এশিয়া প্যাসিফিক কোয়ালিফায়ার থেকে তিনটি এবং আফ্রিকা অঞ্চল থেকে দুটি দল সামনে নির্বাচিত হবে।
মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেন সাকিব

মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেন সাকিব ২৪ ঘণ্টাতেই সাকিব আল হাসান যেন পুরো অচেনা! আগের দিন ব্যাট-বল হাতে জ্বলে উঠে পুরোনো দিনের কথা মনে করিয়েছিলেন। গতকাল বিবর্ণ তার ব্যাট। নির্বিষ তার বোলিং। তাতে মুদ্রার উল্টো পিঠটাই দেখলেন বাংলাদেশের সুপারস্টার। এটাই তো ক্রিকেট, একদিন হাসাবে…একদিন কাঁদাবে! গায়ানায় গ্লোবাল সুপার লিগে সাকিব দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে খেলছেন। নিজের প্রথম ম্যাচে বাঁহাতি অলরাউন্ডার ছিলেন দুর্বার। নিউ জিল্যান্ডের সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের বিপক্ষে ৩৭ বলে ৫৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এরপর ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ১৩ রান খরচে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। দুবাই প্রথম ম্যাচ জেতে ২২ রানে। সাকিব হয়েছিলেন ম্যাচ সেরা। অবশ্য শুক্রবার দ্বিতীয় ম্যাচেই সাকিব এলোমেলো। ব্যাটিংয়ে ১০ বলে মাত্র ৭ রান করেন। যেখানে একটি ছক্কা ছিল। আর বোলিংয়ে ৪ ওভারে খরচ ৩৪ রান। উইকেট পাননি কোনো। হেরেছে তার দলও। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দুবাই ৮ উইকেটে ১৪১ রান করে। জবাবে হোবার্ট হারিকেন্স ১৮ বল আগে ৭ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। দুবাইয়ের ব্যাটিং-বোলিং কোনোটাই ভালো হয়নি। ব্যাটিংয়ে তাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন গুলবাদিন নাইব। এছাড়া সাদেকুল্লাহ অটল ২৫, কাদিম আলায়েন ১৪ এবং জেস বোটান ১৮ রান করেন। সাকিব পাঁচে নেমে একটি ছক্কা হাঁকান কেবল। আউট হন মোহাম্মদ নবীর বলে। জবাব দিতে নেমে হারিকেন্স বেন ম্যাকডরমটের ৪৮ ও ম্যাকাললিস্টার ওয়েস্টের ৫০ রানে সহজেই ম্যাচ জিতে নেয়। ২৩ রান করেন জেক ডোরান। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে সাকিব ৩৪ রান দেন। ১০ ডট বল ছিল তার বোলিং স্পেলে। কোনো ছক্কা হজম করেননি। ৪ খেয়েছেন ৬টি।