সাদা পাথর লুট বন্ধে সরব ক্রিকেটার  রুবেল হোসেন

সাদা পাথর লুট বন্ধে সরব ক্রিকেটার  রুবেল হোসেন সিলেটের বিখ্যাত সাদা পাথর লুটের ঘটনায় হতভম্ব পুরো দেশের মানুষ। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। এবার বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার রুবেল হোসেন। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লুট বন্ধ করে প্রকৃতি রক্ষার আহ্বান জানান। বাংলাদেশের জার্সিতে ১০৪ ওয়ানডে, ২৭ টেস্ট ও ২৮ টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই পেসার লেখেন— “সিলেটের সাদা পাথর নেই তো, হারাবে সিলেটের সৌন্দর্যের গল্প। সাদা পাথর লুটেদের থামাও। প্রকৃতি লুট নয়, প্রকৃতি রক্ষা করুন। ” গত কয়েকদিনে সাদা পাথর লুটের একাধিক ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। জঘন্য এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পেশার মানুষ ও পর্যটকদের পাশাপাশি এবার সরব হলেন জাতীয় দলের এই পেসারও। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর প্রশাসনিক শিথিলতার সুযোগে শুরু হয় পাথর লুট। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে অবস্থিত এই জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে গত দুই সপ্তাহ ধরে লুটেরাদের তাণ্ডবে এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। পরিবেশবিদরা সতর্ক করে বলেছেন— এভাবে চলতে থাকলে সাদা পাথর পর্যটনকেন্দ্র বিলীন হয়ে যেতে পারে, এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হবে এবং সরকার হারাবে বড় অঙ্কের রাজস্ব।

বিশ্বকাপের আগে ৬টি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল

বিশ্বকাপের আগে ৬টি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ছয়টি প্রীতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করেছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো স্পোর্ত’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অক্টোবরের ১০ তারিখ সিউলে দক্ষিণ কোরিয়া এবং ১৪ অক্টোবর টোকিওতে জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারে ব্রাজিল। আগামী বছরের মার্চে ইউরোপিয়ান দলের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের পরিকল্পনাও রয়েছে। ম্যাচগুলোর ভেন্যু নির্ধারণ হবে বাণিজ্যিক চুক্তির ভিত্তিতে। ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হবে আগামী ১১ জুন, আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। জুনের শুরুতেও দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ রাখছে ব্রাজিল, তবে এ সিদ্ধান্ত কোচিং স্টাফের ওপর নির্ভর করবে। আগামী মাসে বাছাইপর্বের শেষ দুটি ম্যাচ খেলবে সেলেসাও। ৫ সেপ্টেম্বর রিও ডি জেনিরোয় চিলির বিপক্ষে নামবে তারা, আর ১০ সেপ্টেম্বর বলিভিয়ার মুখোমুখি হবে। ইতিমধ্যে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা।

টাইব্রেকারে লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ক্রিস্টাল প্যালেস

টাইব্রেকারে লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ক্রিস্টাল প্যালেস ওয়েম্বলিতে মৌসুম শুরুর রোমাঞ্চে ভেসেছে ইংলিশ ফুটবলপ্রেমীরা। কমিউনিটি শিল্ডের ফাইনালে দারুণ লড়াই উপহার দিয়েছে লিভারপুল ও ক্রিস্টাল প্যালেস। নতুন খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে দুই দফায় এগিয়ে গিয়েও শেষ হাসি হাসতে পারেনি লিভারপুল। দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে সমতায় ফেরে প্যালেস, আর টাইব্রেকারের নাটকীয়তায় শিরোপা ঘরে তোলে লন্ডনের ক্লাবটি। রোববার ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শিরোপা লড়াইয়ে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে স্কোর ছিল ২-২। টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে জয় তুলে নেয় ক্রিস্টাল প্যালেস। মাত্র কয়েক মাস আগে শীর্ষ পর্যায়ের প্রথম শিরোপা জেতা প্যালেসের ঝুলিতে এ নিয়ে যুক্ত হলো দ্বিতীয় ট্রফি। পেনাল্টি শুটআউটে শুরুটা ভয়াবহ হয় লিভারপুলের। প্রথম শটেই মোহামেদ সালাহ বল উড়িয়ে দেন। এরপর আলেক্সিস মাক আলিস্তের ও হার্ভি এলিয়টের শট রুখে দেন প্যালেসের গোলরক্ষক ডিন হেন্ডারসন। লিভারপুলের আশা কিছুটা ফিরিয়ে আনেন গোলরক্ষক আলিসন, প্রতিপক্ষের এবেরেচি এজে ও বোর্না সোসার শট ঠেকিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে জাস্টিন ডেভেনির শটে উল্লাসে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে প্যালেস শিবির। ম্যাচের শুরুটা ছিল লিভারপুলের। নতুন জার্সিতে প্রথম ম্যাচেই জ্বলে ওঠেন হুগো একিতিকে। চতুর্থ মিনিটে জার্মান মিডফিল্ডার ফ্লোরিয়ান ভিয়েৎসের পাস থেকে নিখুঁত শটে গোল করেন তিনি। তবে ১৬ মিনিটে সমতায় ফেরে প্যালেস। ভার্জিল ফন ডাইকের ফাউলে পেনাল্টি পায় তারা, যা থেকে গোল করেন জ্যঁ ফিলিপ মাতেতা। চার মিনিট পরই আবার এগিয়ে যায় লিভারপুল। দমিনিক সোবোসলাইয়ের পাস থেকে বায়ার লেভারকুজেন থেকে আসা ডাচ ডিফেন্ডার জেরেমি ফ্রিমপং বল জালে জড়ান। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের রঙ বদলাতে শুরু করে। ৭৭ মিনিটে লিভারপুলের ভুলের সুযোগ নিয়ে ইসমাইলা সার দ্বিতীয়বারের মতো স্কোরলাইন সমান করে দেন। শেষ দিকে লিভারপুল কিছুটা ক্লান্ত হয়ে পড়লেও নির্ধারিত সময়ে আর গোল হয়নি। টাইব্রেকারে শক্তিতে এগিয়ে থেকেও ব্যর্থ লিভারপুলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কমিউনিটি শিল্ডের শিরোপা জয় করল ক্রিস্টাল প্যালেস। কয়েক মাস আগেই এফএ কাপ জিতে ইতিহাস গড়া দলটি এবারও প্রমাণ করল, ইংলিশ ফুটবলে তারা আর আন্ডারডগ নয়।

জার্মানির বর্ষসেরা ফুটবলার ভির্টজ

জার্মানির বর্ষসেরা ফুটবলার ভির্টজ লিভারপুলে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন ফ্লোরিয়ান ভির্টজ, যিনি সম্প্রতি জার্মানির বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার লাভ করেছেন। তরুণ মিডফিল্ডার এই সম্মানে পৌঁছে তার ভবিষ্যতের জন্য প্রেরণার বড় উদ্দীপনা পেয়েছেন। জার্মান ফুটবলের কিংবদন্তি টনি ক্রুসও ভির্টজকে সর্বোচ্চ প্রশংসা জানিয়ে বলেন, ‘তোমার চেয়ে যোগ্য উত্তরসূরী আমি ভাবতেও পারি না। ’ যদিও বায়ার লেভারকুজেন গত মৌসুমে ভালো ফলাফল করতে পারেনি, ভির্টজের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। জাতীয় দলে ও ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায়ও তিনি আলো ছড়িয়েছেন। বিশেষ করে উয়েফা নেশন্স লিগে জার্মানির সেমিফাইনালে উঠার পথে ভির্টজ ছিলেন দলের অন্যতম সেরা। ১৯১ ভোট পেয়ে এই পুরস্কার জিতে প্রথম অবস্থানে ছিলেন ভির্টজ। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন বায়ার্ন মিউনিখের মাইকেল ওলিস, যিনি পেয়েছেন ৮১ ভোট। এছাড়া স্টুটগার্টের নিক ভোল্টেমেড ৭১ ভোট এবং টমাস মুলার পেয়েছেন ৭০ ভোট। জার্মান বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার ১৯৬০ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। সর্বোচ্চ চারবার এই পুরস্কার জিতেছেন কিংবদন্তি ফ্রাঙ্ক বেকেনবাউয়ার। অন্যদিকে, বর্ষসেরা কোচের সম্মান পেয়েছেন এসসি ফ্রাইবার্গের ইউলিয়ান শুস্টার, যিনি কোচিং ক্যারিয়ারের প্রথম মৌসুমেই এই স্বীকৃতি অর্জন করলেন। তার নেতৃত্বে ক্লাবটি বুন্ডেসলিগায় ১০ নম্বর থেকে উঠে পঞ্চম স্থানে এসে ইউরোপা লিগ খেলার সুযোগ পেয়েছে। বর্ষসেরা কোচ পুরস্কার ২০০২ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। ইয়ুর্গেন ক্লপ ও ফেলিক্স মাগাথ তিনবার করে এই সম্মান পেয়েছেন। মেয়েদের বর্ষসেরা ফুটবলারের তালিকায় জুলিয়া গুভিন ও আন-কাতরিন বের্গার যৌথভাবে সম্মান পেয়েছেন, যাদের জন্য মোট ৬০৮ ভোট পড়েছে।

পরাজয়েও লিখা হলো বিজয়ের ইতিহাস

পরাজয়েও লিখা হলো বিজয়ের ইতিহাস বাংলাদেশ নারী ফুটবলে নতুন এক অধ্যায় রচিত হলো মাত্র ৩৮ দিনের ব্যবধানে। সিনিয়র জাতীয় দলের পর এবার অনূর্ধ্ব-২০ মেয়েরা এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে, যা দেশের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটলো। ‘অনূর্ধ্ব-২০ নারী এএফসি এশিয়ান কাপ-২০২৫’ বাছাইপর্বে ‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে আজ রোববার বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে চোখে চোখ রেখে লড়াই করে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে যায়। কিন্তু বিরতির পর খেই হারিয়ে ৬-১ ব্যবধানে হার মানে। অথচ এই ম্যাচে কোনক্রমে ড্র করতে পারলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথমবার যুব এশিয়ান কাপের মূলপর্বে জায়গা করে নিতে পারত। কিন্তু বড় ব্যবধানে হার মানায় তাতে হতাশ হয় বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা। আর বাংলাদেশের ভাগ্য ঝুলে যায় সমীকরণের হাতে। তবে হতাশার মধ্যেও সুখবর এসেছে। আট গ্রুপের আটটি চ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে তিনটি সেরা রানার্স-আপ দলও জায়গা পাবে মূলপর্বে। সেই তিনটি রানার্স-আপ দলের একটি হয়েছে বাংলাদেশ। ৩ ম্যাচ শেষে ৬ পয়েন্ট ও +৫ গোল গড় নিয়ে সেরা তিন রানার্স-আপদের তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে তৃতীয় স্থানে। আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পরের রাউন্ডে জায়গা করে নিয়ে ইতিহাস গড়ে ফেলেছে। গত মাসে মিয়ানমারকে হারিয়ে সিনিয়র নারী দল এশিয়ান কাপের টিকিট নিশ্চিত করে, যা ছিল এক যুগান্তকারী অর্জন। সেই অনুপ্রেরণায় অনূর্ধ্ব-২০ দলও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে জায়গা করে নিলো থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আসরের মূল পর্বে। এই দুই অর্জন শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং বাংলাদেশের নারী ফুটবলের অগ্রযাত্রার প্রতীক। সিনিয়র দল মার্চে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে লড়বে, আর অনূর্ধ্ব-২০ দল থাইল্যান্ডে নিজেদের প্রথম এশিয়ান কাপ অভিষেকের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।

বিশাল ব্যবধানে হেরে সমীকরণে তাকিয়ে বাংলাদেশ

বিশাল ব্যবধানে হেরে সমীকরণে তাকিয়ে বাংলাদেশ শক্তি-সামর্থ্যে বাংলাদেশের মেয়েদের থেকে বেশ এগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া। তার প্রমাণ ভিয়েনতিয়ানের নিউ লাওস জাতীয় স্টেডিয়ামে দিয়েছে জাতীয় দলের র‌্যাংকিং হিসেবে ৮৩ ধাপ এগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া। বাংলাদেশকে ৬-১ ব্যবধানে হারিয়ে ‘এইচ’ গ্রুপের সেরা হয়ে অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়া কাপের মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে তারা। আর ‘যদি-কিন্তু’ সমীকরণের ওপর তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। কেননা আট গ্রুপের রানার্সআপদের মধ্যে যারা শীর্ষ তিনে থাকবে তারা মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। ম্যাচ শেষে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শীর্ষ তিন দলের মধ্যেই আছে বাংলাদেশ। ৬ পয়েন্ট নিয়ে পর্যায়ক্রমে শীর্ষে থাকা তিন দল হচ্ছে-জর্ডান, চাইনিজ তাইপে ও বাংলাদেশ। জর্ডানের +১১ গোল ব্যবধানের বিপরীতে চাইনিজ তাইপে ও বাংলাদেশের হচ্ছে- +৭ এবং +৫। বাংলাদেশের সামনে আজ সরাসরি মূল পর্বে খেলার সুযোগ ছিল। সেজন্য আজ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ড্র করলেই হতো। তবে বাংলাদেশ যেন ড্র নয়, জয়ে স্বপ্ন পূরণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বিশাল ব্যবধানে হেরে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে খেলতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় মিনিটে যেমন এগিয়ে যাওয়ার দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু স্বপ্না রানীর দুর্দান্ত অ্যাসিস্টকে কাজে লাগাতে পারেননি মোসাম্মৎ সাগরিকা। দক্ষিণ কোরিয়ার গোলরক্ষক উই হাইয়েবিনকে একা পেয়ে পরাস্ত করতে পারেননি বাংলাদেশি ফরোয়ার্ড।

জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের

জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু পাকিস্তানের ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় দিয়ে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করলো পাকিস্তান। ত্রিনিদাদে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪৯ ওভারে ২৮০ রানে থামে ক্যারিবীয়দের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সাত বল এবং পাঁচ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচটি জিতে নিয়েছে তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন এভিন লুইস, এ ছাড়াও শাই হোপ (৫৫) ও রোস্টন চেজ (৫৩) ফিফটি করার খানিক বাদেই আউট হয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেছেন শাহিন আফ্রিদি। সফরকারীদের পক্ষে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হাসান নওয়াজ ৬৩ ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৫৩ রান করেন। এর আগে ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি উইন্ডিজদের। দলীয় এবং ব্যক্তিগত মাত্র ৪ রানেই তারা ওপেনার ব্রেন্ডন কিংকে হারায়। সেই ধাক্কা সামলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন লুইস ও কেসি কার্টি। ৩৯ বলে কার্টি ৩০ রানে ফিরলে সেই জুটি ভাঙে। এরপর থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। যা নিয়ে স্বাগতিকরা টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ভুগেছে। লুইস ৬২ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬০, শাই হোপ ৭৭ বলে ৪ চারে ৫৫ এবং রোস্টন চেজ ৫৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫৩ রান করেন। শেষদিকে ক্যারিবীয়দের পুঁজিটা বেড়েছে মূলত চেজ ও গুদাকেশ মোতির কল্যাণে। ২১৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে হোপের দলটি বড় পুঁজি পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় ছিল। যদিও চেজ ফিফটি করার পরই নাসিম শাহ’র স্লোয়ার ডেলিভারিতে হালকা চালে ব্যাট চালিয়ে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন। ১৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন মোতি। যা উইন্ডিজদের পুঁজি ২৮০–তে নিয়ে যায়। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন আফ্রিদি ৪ এবং নাসিম শাহ নেন ৩ উইকেট। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সফরকারীদের পক্ষে রান পাননি কেবল ওপেনার সাইম আইয়ুব (৫)। দলীয় ১৬ রানে তার বিদায় পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেয়। আরেক ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক করেন ২৯ রান। এই ম্যাচ দিয়ে ৪ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন বাবর আজম ও রিজওয়ান। মাঝে একাধিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেললেও, দুই অভিজ্ঞ তারকাকে ছাড়াই স্কোয়াড গড়েছিল পাকিস্তান। দলে ফিরে বাবর ৬৪ বলে ৫ চার ও এক ছক্কায় ৪৭, রিজওয়ান ৬৯ বলে ৪টি চারে ৫৩ রান করেছেন। সাবেক ও বর্তমান দুই অধিনায়কের পর সালমান আগা ফেরেন মাত্র ২৩ রান করে। ফলে ১৮০ রানে ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান। বাকি সময়টা তাদের নিশ্চিন্তে এগিয়ে নিয়ে গেছেন হাসান নওয়াজ ও হুসাইন তালাত। দুজনের অপরাজেয় জুটি ১০৪ রানে পৌঁছাতেই পাকিস্তান গন্তব্যে পা রাখে। হাসান ৫৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৩ এবং তালাত ৩৭ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় ৪০ রানে থাকেন অপরাজিত। উইন্ডিজদের পক্ষে ২ উইকেট নেন শামার জোসেফ।

মনোনয়ন না পেয়ে ব্যালন ডি’অরকে ‘কাল্পনিক’ বললেন রোনালদো

মনোনয়ন না পেয়ে ব্যালন ডি’অরকে ‘কাল্পনিক’ বললেন রোনালদো টানা তৃতীয়বারের মতো ব্যালন ডি’অরের মনোনয়নে জায়গা হয়নি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে খেলা ৪০ বছর বয়সী এই পর্তুগিজ তারকা এবারও বাদ পড়ায় পুরস্কারের আয়োজক ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। রিও আভের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রোনালদোর সোজাসাপ্টা উত্তর, ‘এটা কাল্পনিক’। এর আগে গত বছরও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তখন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি পুরস্কার জেতায় রোনালদো মন্তব্য করেছিলেন, ‘এটার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। ভিনিসিয়ুসেরই পাওয়া উচিত ছিল। অনেকবার এমন অনুভব করেছি, রাগও পেয়েছি। পরে বুঝেছি—এগুলো এমন লড়াই যেখানে জেতা যায় না। ’ পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদো মেসির পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিজয়ী। গত মৌসুমে আল নাসরের হয়ে ৩৫ এবং পর্তুগালের হয়ে ৮ গোল করেন। জাতীয় দলকে নিয়ে জেতেন ইউইএফএ নেশনস লিগ। এদিকে রোনালদোর মতোই এবারও ৩০ জনের তালিকায় জায়গা হয়নি ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ও অধিনায়ক লিওনেল মেসির, ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম ঘোষণা হবে আগামী ২২ সেপ্টেম্বর, প্যারিসে এক জমকালো আয়োজনে। বর্ষসেরা এই পুরস্কার জয়ীর নাম নির্ধারিত হবে সাংবাদিকদের ভোটে। একনজরে ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা ফুটবলাররা: উসমান দেম্বেলে (পিএসজি), জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা (পিএসজি ), জুড বেলিংহ্যাম (রেয়াল মাদ্রিদ), দিজিরে দুয়ে (পিএসজি), ডেনজেল ডামফ্রিস (ইন্টার মিলান), সেরহু গিরাসি (বরুশিয়া ডর্টমুন্ড), আর্লিং ব্রট হলান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি), ভিক্তর ইয়োকেরেশ (আর্সেনাল), আশরাফ হাকিমি (পিএসজি), হ্যারি কেইন (বায়ার্ন মিউনিখ), খাভিচা কাভারাৎস্খেলিয়া (পিএসজি), রবের্ত লেভানদোভস্কি (বার্সেলোনা), আলেক্সিস মাক আলিস্তার (লিভারপুল), লাউতারো মার্তিনেস (ইন্টার মিলান), স্কট ম্যাকটমিনে (নাপোলি), কিলিয়ান এমবাপে (রেয়াল মাদ্রিদ), নুনো মেন্দেস (পিএসজি), জোয়াও নেভেস (পিএসজি), পেদ্রি (বার্সেলোনা), কোল পালমার (চেলসি), মাইকেল ওলিসে (বায়ার্ন মিউনিখ), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা), ডেকলান রাইস (আর্সেনাল), ফাবিয়ান রুইস (পিএসজি), ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রেয়াল মাদ্রিদ), মোহামেদ সালাহ (লিভারপুল), ফ্লোহিয়ান ভিয়েৎস (লিভারপুল), ভিতিনিয়া (পিএসজি), লামিনে ইয়ামাল (বার্সেলোনা)।

টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ: শীর্ষে আইপিএল, তালিকার বাইরে বিপিএল

টি–টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ: শীর্ষে আইপিএল, তালিকার বাইরে বিপিএল বিশ্ব ক্রিকেট এখন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের দুনিয়ায় ভাসছে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল), পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল), দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০, অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল), সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি২০—সবই ভিন্ন ভিন্ন আকর্ষণ নিয়ে মাঠে গড়ায়। এমনকি ব্যতিক্রমী ১০০ বলের ফরম্যাট “দ্য হান্ড্রেড”–ও জায়গা করে নিয়েছে দর্শকদের আলোচনায়।তাহলে প্রশ্ন—কোন লিগই বা সবচেয়ে সেরা? বিবিসি স্পোর্ট ও ক্রিকভিজ একসঙ্গে কিছু মূল পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে চেষ্টা করেছে উত্তর খুঁজতে। শেষ বলের রোমাঞ্চে এগিয়ে আইপিএল শেষ ওভার বা শেষ বল পর্যন্ত গড়ানো ম্যাচের দিক থেকে শীর্ষে আইপিএল। শেষ বলে নিষ্পত্তি হওয়া ম্যাচে আইপিএল কেবল সামান্য ব্যবধানে দ্য হান্ড্রেডকে ছাড়িয়ে গেছে। শেষ ওভারে সিদ্ধান্ত হওয়া ম্যাচের হারেও আইপিএল (২৮.৯ শতাংশ) প্রথম, পিএসএল (২৭.৫ শতাংশ) দ্বিতীয়, দ্য হান্ড্রেড (২৪.৪ শতাংশ) তৃতীয়। হোম অ্যাডভান্টেজে এগিয়ে এসএ২০ ঘরের মাঠে জয়ের শতাংশের দিক থেকে শীর্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০ (৬০ শতাংশ), আর সবচেয়ে নিচে আইপিএল (৪৫.৪ শতাংশ)। ছক্কা–চারে রাজত্ব আইপিএলের চারের সঙ্গে ছক্কার বন্যায় আইপিএল সবার ওপরে। দ্বিতীয় পিএসএল, তৃতীয় আইএলটি২০। দ্য হান্ড্রেড এই তালিকায় সবচেয়ে নিচে, যা ব্যাট-বলের মধ্যে ভালো ভারসাম্যের ইঙ্গিত দেয়। গড় রান ও উইকেট প্রথম ইনিংসে গড় রান: পিএসএল (১৮০) আইপিএলকে (১৭৯) সামান্য হারিয়েছে। আইএলটি২০ সবচেয়ে কম (১৬১)। দ্য হান্ড্রেডে গড় ১৪৪, যা পূর্ণ ২০ ওভারে আনলে দাঁড়ায় ১৬৭। বোলিং স্টাইলে ক্যারিবিয়ানে সবচেয়ে বেশি উইকেট আসে স্পিনে, আর অস্ট্রেলিয়ায় পেসারদের দাপট। তারকাখ্যাতি ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা দলের একাদশে গড় আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতায় শীর্ষে আইএলটি২০ (৪২৩ ম্যাচ), দ্বিতীয় পিএসএল (৩৫১), তৃতীয় আইপিএল (৩৩৫)। বিগ ব্যাশ সবচেয়ে নিচে (১৪৫), যা অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক মৌসুম চলার সময়সূচির কারণে। অর্থ, সময় ও ‘এন্টারটেইনমেন্ট ইনডেক্স’ বেতন কাঠামোয় আইপিএল শীর্ষে, দ্বিতীয় আইএলটি২০। ম্যাচের গড় সময়ের হিসাবে সবচেয়ে ধীর সিপিএল (প্রায় ৪ ঘণ্টা), সবচেয়ে দ্রুত বিগ ব্যাশ (৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট)। বিভিন্ন মানদণ্ড যোগ করে তৈরি করা ‘এন্টারটেইনমেন্ট ইনডেক্সে’ শীর্ষে আইপিএল, এরপর পিএসএল, আইএলটি২০, দ্য হান্ড্রেড ও শেষদিকে বিগ ব্যাশ। তাহলে বিপিএল নেই কেন? বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এ তালিকায় না থাকার কারণ বিবিসির ওই রিপোর্টে উল্লেখ নেই। তবে ধারণা করা যায়— এই সূচকের জন্য যত গভীর ও ধারাবাহিক পরিসংখ্যান প্রয়োজন, বিপিএলের ক্ষেত্রে তা তুলনামূলকভাবে কম বা অসম্পূর্ণ। তাছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রচার ও নির্দিষ্ট সময়সূচির ধারাবাহিকতায় বিপিএল এখনো পিছিয়ে। আর বিদেশি তারকার সংখ্যা ও মানে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, এবং জাতীয় দলের সূচির সঙ্গে সংঘর্ষের কারণে অনেক বড় খেলোয়াড় আসতে পারেন না। সবমিলিয়ে এই গবেষণার লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী, বৈশ্বিক দর্শকপ্রিয় ও বাণিজ্যিকভাবে বড় লিগগুলো তুলনা করা—সেই মানদণ্ডে বিপিএলকে বিবেচনা করা হয়নি।

সাঈদ আনোয়ারের রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় বাবর

সাঈদ আনোয়ারের রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় বাবর পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজম ওয়ানডেতে দুইটি বড় মাইলফলকের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন। এর মধ্যে একটি আবার তার স্বদেশী কিংবদন্তি ওপেনার সাঈদ আনোয়ারের সেঞ্চুরির রেকর্ড। আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছেন তিনি। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা ক্রিকেট একাডেমিতে। ৩০ বছর বয়সী বাবর ইতোমধ্যেই ১৯টি ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেছেন। আর মাত্র একটি সেঞ্চুরি করলেই সাঈদ আনোয়ারের পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ২০টি সেঞ্চুরির রেকর্ডে ভাগ বসাবেন বাবর। সাঈদ আনোয়ার ২৪৭ ম্যাচ ও ২৪৪ ইনিংসে এই কীর্তি গড়েছিলেন, আর বাবর খেলেছেন মাত্র ১৩১ ম্যাচ ও ১২৮ ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ওয়ানডে সেঞ্চুরি সাঈদ আনোয়ার — ২০ সেঞ্চুরি (২৪৭ ম্যাচ) বাবর আজম — ১৯* সেঞ্চুরি (১৩১ ম্যাচ) মোহাম্মদ ইউসুফ — ১৫ সেঞ্চুরি (২৮১ ম্যাচ) ফখর জামান — ১১ সেঞ্চুরি (৮২ ম্যাচ) মোহাম্মদ হাফিজ — ১১ সেঞ্চুরি (২১৮ ম্যাচ) এছাড়া বাবরের সামনে রয়েছে আরেকটি বড় সুযোগ—ওয়ানডেতে দ্রুততম ২০ সেঞ্চুরি করা ব্যাটারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ওঠা। বর্তমানে এই রেকর্ডটি রয়েছে ভারতের বিরাট কোহলির দখলে, যিনি ১৩৩ ইনিংসে ২০ সেঞ্চুরি করেছিলেন। বাবরের হাতে আছে চার ইনিংস সময়; যদি এই সময়ে একটি সেঞ্চুরি করতে পারেন, তবে কোহলিকে ছাড়িয়ে যাবেন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলার (১০৮ ইনিংস) পরেই থাকবেন। ওয়ানডেতে দ্রুততম ২০ সেঞ্চুরি হাশিম আমলা — ১০৮ ইনিংস বিরাট কোহলি — ১৩৩ ইনিংস এবি ডি ভিলিয়ার্স — ১৭৫ ইনিংস রোহিত শর্মা — ১৮৩ ইনিংস